প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানালেন ইয়ারপুর ইউপি সচিব আফজাল
ঢাকার সাভারের আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব আফজাল হোসেনকে নিয়ে সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি। প্রকাশিত প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম, অর্থনৈতিক লেনদেন, প্রশাসক বদলি ও বিভিন্ন অনিয়মের যে অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে, সেগুলোকে তিনি অসত্য, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন।
এক প্রতিবাদলিপিতে ইউপি সচিব আফজাল হোসেন বলেন, প্রকাশিত প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ করা হয়েছে, সেগুলোর সঙ্গে বাস্তবতার মিল নেই। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তার বক্তব্য যথাযথভাবে গ্রহণ বা যাচাই না করেই সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
তিনি বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের সচিব হিসেবে সরকারি বিধিবিধান ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করে আসছেন। পরিষদের রাজস্ব আদায়, ট্রেড লাইসেন্স, নাগরিক সেবা ও অন্যান্য প্রশাসনিক কার্যক্রম নির্ধারিত নিয়মেই পরিচালিত হচ্ছে। এসব বিষয়ে কোনো অনিয়ম বা আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ থাকলে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তদন্ত করে সত্যতা যাচাই করার আহ্বান জানান তিনি।
প্রকাশিত প্রতিবেদনে প্রশাসক বদলি কিংবা কোনো আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে পদায়ন সংক্রান্ত যে অভিযোগের কথা বলা হয়েছে, সেটিও অস্বীকার করেছেন আফজাল হোসেন। তার দাবি, প্রশাসনিক পদায়ন বা বদলির বিষয়ে তার ব্যক্তিগতভাবে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা নেই এবং এ ধরনের কোনো আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে তিনি জড়িত নন।
তিনি আরও বলেন, কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা পক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে তার দীর্ঘদিনের চাকরি ও ব্যক্তিগত সুনাম ক্ষুণ্ন হয়—এমন সংবাদ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই এবং তার বক্তব্য নেওয়া প্রয়োজন।
আফজাল হোসেন প্রকাশিত সংবাদগুলোর সংশ্লিষ্ট অভিযোগের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ থাকলে তা প্রকাশের আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রয়োজন হলে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যেকোনো তদন্ত বা যাচাই প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।
তিনি গণমাধ্যমের স্বাধীন ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের প্রতি সম্মান জানিয়ে বলেন, কোনো পক্ষের বক্তব্যের ওপর নির্ভর না করে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য, সরকারি নথি ও তথ্য যাচাই করে সংবাদ প্রকাশ করা হলে প্রকৃত ঘটনা জনগণের সামনে স্পষ্ট হবে।
এ বিষয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনের অভিযোগগুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই করা হলে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে বলে মনে করেন ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব আফজাল হোসেন।















