সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচকদের আস্থা হারানোর পথে

সুখময় মণ্ডল, কলকাতা প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ১০:১৪ পিএম
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচকদের আস্থা হারানোর পথে

ছবি- সকালের বার্তা

পশ্চিমবঙ্গের সদ্যসমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনের যে বুথফেরত সমীক্ষা হাতে এসে পৌঁছেছে তাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়তে বাধ্য। ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস, পশ্চিমবঙ্গের বামপন্থী দলসমূহ, আই এস এফ ইত্যাদি বিরোধী দল বিন্দুমাত্রও প্রভাব ফেলতে পারেনি এবারের নির্বাচনে। এইসব দলের সংগঠন অত্যন্ত দুর্বল। শহরাঞ্চলে কোনও কোনও স্থানে সিপিআই (এম), সিপিআই, এসএউসিআই, ফরোয়ার্ড ব্লক প্রভৃতি দলের ক্বচিৎ কার্যালয় চোখে পড়ে বটে। তবে মজার কথা হলো, সেসব অফিস প্রতিদিন খোলেনা।

বিশেষ বিশেষ দিনে, বিশেষ বিশেষ পর্বে অফিসের ঝাঁপ তোলা হয়। এই যেমন আজ, অনেক বামপন্থী মতাদর্শের অফিস খোলা আছে মে ডে উপলক্ষ্যে। আর গ্রামেগঞ্জে অধিকাংশ অফিসে বাতি দেওয়ার লোক নেই বললেই চলে।

টানা চৌত্রিশ বছর রাজত্বকরা সিপিএম অর্থাৎ মার্ক্সবাদী কমিউনিস্ট পার্টি পশ্চিমবঙ্গে শূন্য হয়ে গেছে অনেক অনেক দিন আগেই। মমতা ব্যানার্জি প্রতিষ্ঠিত তৃণমূল কংগ্রেস ২০১১ সাল থেকে দীর্ঘ ১৫ বছর রাজত্ব করে আসছে। তৈরি হয়েছে পাকাপোক্ত রাজনৈতিক দল।

পঞ্চায়েত, পৌরসভা, বিধানসভা, লোকসভা, যাবতীয় সংস্থায় এই দলের একচ্ছত্র আধিপত্য। সিঙ্গুর আন্দোলনে কোণঠাসা বামদলগুলির গাছাড়া ভাব, নন্দীগ্রামে গুলিচালনা, পার্ক স্ট্রীট ধর্ষণ, কামদুনি, আর জি কর কাণ্ড ইত্যাদি অরাজকতার সুযোগে ভারতীয় জনতা পার্টি বা বিজেপি ধীরে ধীরে সংগঠন গড়ে তোলে। ইদানীংকালে আর জি কর হাসপাতালে কর্তব্যরত মহিলা চিকিৎসক ধর্ষিতা ও খুন হলে মমতা বিরধীদলগুলি দ্রুত জনমতকে নিজ নিজ পক্ষে টেনে আনতে চেষ্টা করে। এব্যাপারে সব থেকে সফল হয় ভারতীয় জনতা পার্টি।

এই দল মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে জোরালো টক্কর দিতে থাকে। মমতার একসময়ের বিশ্বস্ত সহচর শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্র থেকে মমতাকে হারিয়ে জয়লাভ করেল। এই শুভেন্দু অধিকারী বিরধী দলনেতা হিসেবে বিধিনসভা কাঁপিয়ে দিতে থাকেন সব ধরণের বিষয়ে। তিনি গড়ে তোলেন বিজেপির প্রতি জনতার আস্থা। বিজেপি দলের পালে হাওয়া লাগে চাকুরি ও শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি ফাঁস হয়ে যাওয়ার পর। সেই যে বিজেপির উত্থান তা ক্রমাগত আকাশ স্পর্ষ করে।

ভারতের অধিকংশ নির্বাচনী সমীক্ষক সংস্থা ভারতীয় জনতা পার্টিকে এগিয়ে রেখেছে। দুদফার এবারের নির্বাচনে নির্বাচকমণ্ডলীর ব্যাপক পরিমাণে অংশগ্রহণ শাসকদলের চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০১১ সালের যে নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গের বামফ্রণ্ট সরকারের পতন ঘটে সেই নির্বাচনে স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ ভোট বেশি পোল হয়। এ যে প্রতিষ্ঠানবিরোধী ভোট তা মালুম হয় ভোট গনণার পর। এ বঙ্গের কংগ্রেস সরকারের পতনের ক্ষণেও এই রকম অতিরিক্ত বেশী পোল হয়েছিল। তখন বাম নেতারা বলেছিলেন জনবিরোধী সরকারি নীতির বিরুদ্ধে জনগণের ক্ষোভের ভোট, জনতাজনার্দনের রাগের ভোট।

এবারের ভোটে কিন্তু ব্যাপক ভোট পোল হয়েছে। কোথাও বা ৯৫/৯৬ শতাংশ ভোট পড়েছে। এবার ভট দিতে হাজারে হাজেরে পরিযায়ী শ্রমিক ভোট দিয়ে গেছেন। সাধারণত এঁরা এমন ব্যাপক সংখ্যায় ভোট দিতে আসেন না। আবার বিরোধীরা ভোটে রিগিং অর্থাৎ ছাপ্পা ভোটের কথা তোলেন তা এবার দেখা যাচ্ছে না। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের কড়া নিরাপত্তায় ভোট হয়েছে। আর দুটো দিন আমাদের অপেক্ষায় থাকতে হবে। ৪ মে ভোট গণনা। দুপুরের মধ্যে ফলাফল। দেখা যাক, দিদির দল না মোদির দল।

সন্তানের জন্মদিন ও দাদার মৃত্যুবার্ষিকীতে নাগরপুরে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা: প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:০৯ পিএম
সন্তানের জন্মদিন ও দাদার মৃত্যুবার্ষিকীতে নাগরপুরে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

সন্তানের জন্মদিনের আনন্দকে মানবসেবায় উৎসর্গ এবং প্রয়াত দাদার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে টাঙ্গাইলের নাগরপুরে বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হয়েছে।

রবিবার (১ নভেম্বর) বাদ আসর থেকে বাদ এশা পর্যন্ত নাগরপুর বাজারে অবস্থিত মুকতাদির হোমিও চিকিৎসা কেন্দ্রের উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
মুকতাদির হোমিও চিকিৎসা কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. এম. এ. মান্নানের ছোট ছেলে মাহিরের চতুর্থ জন্মবার্ষিকী এবং তাঁর দাদা, বিশিষ্ট হোমিওপ্যাথিক অনুরাগী মরহুম আইয়ূব আলীর ১৬তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এ মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

ক্যাম্পেইনে বিনামূল্যে সাধারণ চিকিৎসা পরামর্শ, ডায়াবেটিস পরীক্ষা (ব্লাড সুগার), রক্তের গ্রুপ নির্ণয়, ওজন পরিমাপ ও ওষুধ বিতরণ করা হয়। এ সময় স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ বিনামূল্যে এসব স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করেন।

কর্মসূচিতে চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন ডা. এম. এ. মান্নান। ব্যক্তিগত জীবনের আনন্দ ও স্মৃতিবিজড়িত দুটি বিশেষ দিনকে কেন্দ্র করে মানুষের কল্যাণে এমন উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে প্রশংসনীয় মানবিক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আয়োজক ডা. এম. এ. মান্নান বলেন, মহান আল্লাহর দেওয়া প্রতিটি নিয়ামতের জন্য শুকরিয়া আদায় করা আমাদের দায়িত্ব। সন্তানের জন্মবার্ষিকীকে মানুষের সেবার মাধ্যমে স্মরণীয় করে রাখা এবং মরহুম দাদার স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে এ আয়োজন করা হয়েছে। মানুষের কল্যাণে কাজ করা এবং অসহায় ও অসুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক, সামাজিক ও মানবিক দায়িত্ব। ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ছোট ছেলে মাহির, বড় ছেলে মুকতাদির এবং ভাতিজি মাছুমার সুস্বাস্থ্য, নেক হায়াত ও সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনা করেন। পাশাপাশি মরহুম দাদা আইয়ূব আলী, নানা আজমত আলী, চাচা কাইয়ূম এবং প্রয়াত দাদি ও নানির রুহের মাগফিরাত কামনায় তিনি সবার কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন।

উল্লেখ্য, মুকতাদির হোমিও চিকিৎসা কেন্দ্র নাগরপুর বাজারে অবস্থিত। প্রতিষ্ঠানটির এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি এবং বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের মাধ্যমে সামাজিক ও মানবিক দায়িত্ব পালন করা।

মিরপুরে এইচএসসিতে শ্রেষ্ঠত্বের শীর্ষে সাগরখালী আদর্শ ডিগ্রী কলেজ

আসাদুল ইসলাম মিরপুর উপজেলা প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:৫৬ এএম
মিরপুরে এইচএসসিতে শ্রেষ্ঠত্বের শীর্ষে সাগরখালী আদর্শ ডিগ্রী কলেজ

এইচএসসি পরীক্ষা-২০২৬-এর ফলাফলে সাফল্য ধরে রেখে আবারও কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছে ঐতিহ্যবাহী সাগরখালী আদর্শ ডিগ্রী কলেজ।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণ করে জানা যায়, এবার কলেজটি থেকে মোট ১৬৬ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। এর মধ্যে পাস করেছে ১০৩ জন শিক্ষার্থী এবং ৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। পাসের হার ৬২ শতাংশ। বস্তুনিষ্ঠ ও গুণগত শিক্ষার ধারাবাহিকতায় উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ফলাফলের দিক থেকে শীর্ষ স্থান ধরে রেখেছে প্রতিষ্ঠানটি।
উল্লেখ্য, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সাগরখালী আদর্শ ডিগ্রী কলেজ এইচএসসি পাবলিক পরীক্ষায় উপজেলার সেরা প্রতিষ্ঠানের তালিকায় ধারাবাহিকভাবে অবস্থান তৈরি করে আসছে। শুধু উপজেলা পর্যায়ই নয়, ইতিপূর্বে ২০০৯, ২০১৬ এবং ২০২৪ সালে কুষ্টিয়া জেলার মধ্যেও প্রথম স্থান অর্জন করার গৌরব দেখিয়েছিল কলেজটি। তারই সুসংহত ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায়ও উপজেলার শীর্ষে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখলো সাগরখালী আদর্শ ডিগ্রী কলেজ।
প্রতিষ্ঠানের এই চমকপ্রদ সাফল্যের বিষয়ে জানতে চাইলে সাগরখালী আদর্শ ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ রবিউল ইসলাম অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন- “আমাদের নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষকমণ্ডলী, কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সম্মানিত সদস্যবৃন্দ, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সর্বস্তরের এলাকাবাসীর আন্তরিক সহযোগিতা ও প্রচেষ্টায় আল্লাহর অশেষ রহমতে এই সাফল্য অর্জিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি ও আগামী দিনে আরও ভালো ফলাফলের জন্য আমি সমগ্র এলাকাবাসীর কাছে দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।”
কলেজের এই ধারাবাহিক সাফল্যের খবরে শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং স্থানীয় সুধীজনদের মাঝে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস দেখা গেছে।

মানিকগঞ্জে ককটেল ফাটিয়ে পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যালয় দখলের অভিযোগ

মোঃ জুয়েল মিয়া (মানিকগঞ্জ) প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:০৫ পিএম
মানিকগঞ্জে ককটেল ফাটিয়ে পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যালয় দখলের অভিযোগ

 

মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডের পৌর টার্মিনালে জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যালয় জোরপূর্বক দখল, ককটেল বিস্ফোরণ, ব্যাপক ভাঙচুর এবং কর্মচারীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আঃ কাদের ও সুমনসহ অজ্ঞাতনামা ৪০ থেকে ৫০ জনকে অভিযুক্ত করে মানিকগঞ্জ সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন মোঃ রাজা মিয়া (৫৬)।

​বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন অনুমোদিত মানিকগঞ্জ জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাজা মিয়া অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের ৪ ডিসেম্বর বিধি অনুযায়ী কমিটি গঠনের পর থেকে তারা নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলেন। তবে শুক্রবার বিকেলে হঠাৎ করে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র—যেমন ককটেল, লোহার রড, চাপাতি, হকিস্টিক ও কাঠের বাটাম নিয়ে অতর্কিতভাবে কার্যালয়ে প্রবেশ করে তা দখলের চেষ্টা চালায়।

​অভিযোগপত্র অনুযায়ী, ঘটনার সময় আঃ কাদের ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে বাসস্ট্যান্ডের পৌর টার্মিনাল এলাকায় তীব্র আতঙ্ক সৃষ্টি করেন। একই সময়ে ২ নম্বর অভিযুক্ত সুমন ধারালো চাপাতি দিয়ে কার্যালয়ের ভেতরে থাকা বিভিন্ন আসবাবপত্র কুপিয়ে ভাঙচুর ও তছনছ করেন। হামলাকারীরা সেখানে দায়িত্বরত কর্মচারীদের বেধড়ক মারধর করে আহত করে। একপর্যায়ে অভিযুক্তরা কার্যালয়টি জোরপূর্বক নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বাইরে থেকে তালা ঝুলিয়ে দেয়। পরবর্তীতে সেখানে কেউ প্রবেশ করলে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকিও দেওয়া হয় বলে ভুক্তভোগী দাবি করেন।

​এ ঘটনায় নিজের ও কার্যালয়ের কর্মচারীদের জীবন নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতার কথা উল্লেখ করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।

​অভিযোগের বিষয়ে জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আব্দুল কাদেরের মতামত চাওয়া হলে তিনি কার্যালয়ে তালা দেওয়ার বিষয়টি জানা নেই বলে জানান।

​মানিকগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মনির হোসেন জানান, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।