২৫০ কিমির ঘোষণা, শুরুতেই বদল—ঐতিহাসিক পলাশী থেকে হুমায়ুন কবিরের ‘বাবরি যাত্রা’ ২২ কিমিতে সীমাবদ্ধ!
ঐতিহাসিক পলাশী প্রান্তর থেকে বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে সূচনা করলেন ভরতপুরের বিধায়ক তথা JUP (জনতা উন্নয়ন পার্টি) কর্ণধার হুমায়ুন কবির তাঁর ঘোষিত ‘বাবরি যাত্রা’র। আগে ঘোষণা করা হয়েছিল প্রায় ২৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই কর্মসূচি, তবে প্রশাসনিক পরিস্থিতি ও নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে সূচনালগ্নে যাত্রাপথ কমিয়ে মাত্র ২২ কিলোমিটার করা হয়। যার সমাপ্তি হয় রেজিনগরে।
বৃহস্পতিবার সকালে পলাশী থেকে কর্মসূচির সূচনা হয়। প্রথমে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন হুমায়ুন কবির। এরপর তিনি কখনও পায়ে হেঁটে, আবার কখনও মোটরসাইকেল র্যালিতে অংশ নিয়ে সমর্থকদের সঙ্গে পথ অতিক্রম করেন। র্যালিতে দলীয় পতাকা, ব্যানার ও স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে গোটা এলাকা।
যাত্রাকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশের পক্ষ থেকে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। র্যালির গোটা রুটজুড়ে মোতায়েন ছিল বিশাল পুলিশ বাহিনী। গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও সংবেদনশীল এলাকায় বাড়তি নজরদারি রাখা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে এবং প্রশাসন সম্পূর্ণ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
মূলত ২৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ কর্মসূচির পরিকল্পনা থাকলেও, বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও প্রশাসনিক অনুমতির বিষয়টি বিবেচনায় রেখে প্রথম দিনের কর্মসূচি ২২ কিলোমিটারে সীমাবদ্ধ রাখা হয়। তবে আয়োজকদের দাবি, এটি সাময়িক সিদ্ধান্ত এবং ভবিষ্যতে বৃহত্তর পরিসরে কর্মসূচি চালানো হবে।
যাত্রার সূচনায় হুমায়ুন কবির বলেন, বাবরী মসজিদের স্মৃতি ও গণতান্ত্রিক অধিকারের দাবিকে সামনে রেখেই এই পদযাত্রার ডাক দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, “এই যাত্রা থেমে থাকবে না। আজ পথ সংক্ষিপ্ত হলেও আগামী দিনে আমাদের আন্দোলন আরও জোরদার হবে।”
ঐতিহাসিক পলাশী প্রান্তর থেকে শুরু হওয়া ‘বাবরি যাত্রা’ আগামী দিনে কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকে নজর রাজনৈতিক মহলের।

















