সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩

সব বাধা উপেক্ষা করেই সমাবেশ সফল হবে’: কুষ্টিয়ায় সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত নেতারা।

তানভীর আজাদ জেলা প্রতিনিধি কুষ্টিয়া প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:১৮ পিএম
সব বাধা উপেক্ষা করেই সমাবেশ সফল হবে’: কুষ্টিয়ায় সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত নেতারা।

কুষ্টিয়ায় আগামী ৩১ অক্টোবর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দেশব্যাপী ঘোষিত লংমার্চ কর্মসূচির সমাপনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তবে এই সমাবেশের স্থান নির্ধারণকে কেন্দ্র করে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক সিদ্ধান্তের মারাত্মক অভিযোগ তুলেছেন দলটির শীর্ষ নেতারা। এ ঘটনায় গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রশাসনকে অবিলম্বে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ও সংসদ সদস্য আব্দুল গফুর।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গণভোটের গণরায় কার্যকর, গণহত্যার বিচার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধসহ দেশের ১৮ কোটি মানুষের স্বার্থসংশ্লিষ্ট সাত দফা দাবিতে এ দেশব্যাপী লংমার্চ কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে। ইতোমধ্যে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-রংপুর রুটের লংমার্চ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আগামী ৩১ অক্টোবর ঢাকা-খুলনা রুটের লংমার্চ কুষ্টিয়ায় পৌঁছাবে এবং সেখানেই সমাপনী সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ হবে। সমাবেশ সফল করতে জেলা জামায়াতের পক্ষ থেকে যাবতীয় প্রস্তুতি শেষ করা হয়েছে।

ভেন্যু জটিলতা ও প্রশাসনের সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করে আব্দুল গফুর বলেন, জামায়াতের পক্ষ থেকে প্রথমে ‘শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়াম’ মাঠে সমাবেশ করার আবেদন করা হলে জেলা প্রশাসন থেকে জানানো হয় যে স্টেডিয়াম রাজনৈতিক কাজে ব্যবহার করা যাবে না। এরপর কুষ্টিয়া জেলা স্কুল মাঠে সমাবেশ করার অনুমতি চেয়ে আবেদন জানানো হয়।

জেলা প্রশাসক ও খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের মৌখিক অনুমতির ওপর ভিত্তি করে জেলা স্কুল মাঠেই সমাবেশের সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছিল উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, এই ভেন্যুকে কেন্দ্র করে পোস্টার, ব্যানার ও লিফলেট বিতরণসহ প্রচার-প্রচারণার কাজও প্রায় শেষ পর্যায়ে ছিল। কিন্তু গত ২৬ অক্টোবর জেলা প্রশাসন হঠাৎ হোয়াটসঅ্যাপে একটি চিঠি পাঠিয়ে জেলা স্কুল মাঠের পরিবর্তে আবার সেই স্টেডিয়ামেই সমাবেশ করার নির্দেশ দেয়।

প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তকে পক্ষপাতমূলক ও হঠকারী আখ্যা দিয়ে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান জামায়াত নেতারা। এছাড়া অনুমতির অনুলিপি অনুমোদিত ব্যক্তি ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতাদের কাছে প্রেরণের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তাঁরা রাজনৈতিক কর্মসূচির ক্ষেত্রে প্রশাসনের শতভাগ নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার দাবি জানান।

তবে প্রশাসনের তৈরি ভেন্যু জটিলতা সত্ত্বেও আগামী ৩১ অক্টোবর সব বাধা উপেক্ষা করে কুষ্টিয়ার সমাপনী সমাবেশ সফল করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয় সংবাদ সম্মেলনে। সাত দফা দাবির পক্ষে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি নিশ্চিত করার প্রত্যাশাও জানান নেতৃবৃন্দ।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. এনামুল হক, কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা, কুষ্টিয়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য আফজাল হোসেন, কুষ্টিয়া পৌরসভার মেয়র প্রার্থী সুজাউদ্দিন জোয়ার্দারসহ দলটির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী ও স্থানীয় সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

সন্তানের জন্মদিন ও দাদার মৃত্যুবার্ষিকীতে নাগরপুরে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা: প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:০৯ পিএম
সন্তানের জন্মদিন ও দাদার মৃত্যুবার্ষিকীতে নাগরপুরে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

সন্তানের জন্মদিনের আনন্দকে মানবসেবায় উৎসর্গ এবং প্রয়াত দাদার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে টাঙ্গাইলের নাগরপুরে বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হয়েছে।

রবিবার (১ নভেম্বর) বাদ আসর থেকে বাদ এশা পর্যন্ত নাগরপুর বাজারে অবস্থিত মুকতাদির হোমিও চিকিৎসা কেন্দ্রের উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
মুকতাদির হোমিও চিকিৎসা কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. এম. এ. মান্নানের ছোট ছেলে মাহিরের চতুর্থ জন্মবার্ষিকী এবং তাঁর দাদা, বিশিষ্ট হোমিওপ্যাথিক অনুরাগী মরহুম আইয়ূব আলীর ১৬তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এ মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

ক্যাম্পেইনে বিনামূল্যে সাধারণ চিকিৎসা পরামর্শ, ডায়াবেটিস পরীক্ষা (ব্লাড সুগার), রক্তের গ্রুপ নির্ণয়, ওজন পরিমাপ ও ওষুধ বিতরণ করা হয়। এ সময় স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ বিনামূল্যে এসব স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করেন।

কর্মসূচিতে চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন ডা. এম. এ. মান্নান। ব্যক্তিগত জীবনের আনন্দ ও স্মৃতিবিজড়িত দুটি বিশেষ দিনকে কেন্দ্র করে মানুষের কল্যাণে এমন উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে প্রশংসনীয় মানবিক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আয়োজক ডা. এম. এ. মান্নান বলেন, মহান আল্লাহর দেওয়া প্রতিটি নিয়ামতের জন্য শুকরিয়া আদায় করা আমাদের দায়িত্ব। সন্তানের জন্মবার্ষিকীকে মানুষের সেবার মাধ্যমে স্মরণীয় করে রাখা এবং মরহুম দাদার স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে এ আয়োজন করা হয়েছে। মানুষের কল্যাণে কাজ করা এবং অসহায় ও অসুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক, সামাজিক ও মানবিক দায়িত্ব। ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ছোট ছেলে মাহির, বড় ছেলে মুকতাদির এবং ভাতিজি মাছুমার সুস্বাস্থ্য, নেক হায়াত ও সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনা করেন। পাশাপাশি মরহুম দাদা আইয়ূব আলী, নানা আজমত আলী, চাচা কাইয়ূম এবং প্রয়াত দাদি ও নানির রুহের মাগফিরাত কামনায় তিনি সবার কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন।

উল্লেখ্য, মুকতাদির হোমিও চিকিৎসা কেন্দ্র নাগরপুর বাজারে অবস্থিত। প্রতিষ্ঠানটির এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি এবং বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের মাধ্যমে সামাজিক ও মানবিক দায়িত্ব পালন করা।

মিরপুরে এইচএসসিতে শ্রেষ্ঠত্বের শীর্ষে সাগরখালী আদর্শ ডিগ্রী কলেজ

আসাদুল ইসলাম মিরপুর উপজেলা প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:৫৬ এএম
মিরপুরে এইচএসসিতে শ্রেষ্ঠত্বের শীর্ষে সাগরখালী আদর্শ ডিগ্রী কলেজ

এইচএসসি পরীক্ষা-২০২৬-এর ফলাফলে সাফল্য ধরে রেখে আবারও কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছে ঐতিহ্যবাহী সাগরখালী আদর্শ ডিগ্রী কলেজ।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণ করে জানা যায়, এবার কলেজটি থেকে মোট ১৬৬ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। এর মধ্যে পাস করেছে ১০৩ জন শিক্ষার্থী এবং ৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। পাসের হার ৬২ শতাংশ। বস্তুনিষ্ঠ ও গুণগত শিক্ষার ধারাবাহিকতায় উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ফলাফলের দিক থেকে শীর্ষ স্থান ধরে রেখেছে প্রতিষ্ঠানটি।
উল্লেখ্য, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সাগরখালী আদর্শ ডিগ্রী কলেজ এইচএসসি পাবলিক পরীক্ষায় উপজেলার সেরা প্রতিষ্ঠানের তালিকায় ধারাবাহিকভাবে অবস্থান তৈরি করে আসছে। শুধু উপজেলা পর্যায়ই নয়, ইতিপূর্বে ২০০৯, ২০১৬ এবং ২০২৪ সালে কুষ্টিয়া জেলার মধ্যেও প্রথম স্থান অর্জন করার গৌরব দেখিয়েছিল কলেজটি। তারই সুসংহত ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায়ও উপজেলার শীর্ষে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখলো সাগরখালী আদর্শ ডিগ্রী কলেজ।
প্রতিষ্ঠানের এই চমকপ্রদ সাফল্যের বিষয়ে জানতে চাইলে সাগরখালী আদর্শ ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ রবিউল ইসলাম অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন- “আমাদের নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষকমণ্ডলী, কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সম্মানিত সদস্যবৃন্দ, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সর্বস্তরের এলাকাবাসীর আন্তরিক সহযোগিতা ও প্রচেষ্টায় আল্লাহর অশেষ রহমতে এই সাফল্য অর্জিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি ও আগামী দিনে আরও ভালো ফলাফলের জন্য আমি সমগ্র এলাকাবাসীর কাছে দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।”
কলেজের এই ধারাবাহিক সাফল্যের খবরে শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং স্থানীয় সুধীজনদের মাঝে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস দেখা গেছে।

মানিকগঞ্জে ককটেল ফাটিয়ে পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যালয় দখলের অভিযোগ

মোঃ জুয়েল মিয়া (মানিকগঞ্জ) প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:০৫ পিএম
মানিকগঞ্জে ককটেল ফাটিয়ে পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যালয় দখলের অভিযোগ

 

মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডের পৌর টার্মিনালে জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যালয় জোরপূর্বক দখল, ককটেল বিস্ফোরণ, ব্যাপক ভাঙচুর এবং কর্মচারীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আঃ কাদের ও সুমনসহ অজ্ঞাতনামা ৪০ থেকে ৫০ জনকে অভিযুক্ত করে মানিকগঞ্জ সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন মোঃ রাজা মিয়া (৫৬)।

​বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন অনুমোদিত মানিকগঞ্জ জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাজা মিয়া অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের ৪ ডিসেম্বর বিধি অনুযায়ী কমিটি গঠনের পর থেকে তারা নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলেন। তবে শুক্রবার বিকেলে হঠাৎ করে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র—যেমন ককটেল, লোহার রড, চাপাতি, হকিস্টিক ও কাঠের বাটাম নিয়ে অতর্কিতভাবে কার্যালয়ে প্রবেশ করে তা দখলের চেষ্টা চালায়।

​অভিযোগপত্র অনুযায়ী, ঘটনার সময় আঃ কাদের ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে বাসস্ট্যান্ডের পৌর টার্মিনাল এলাকায় তীব্র আতঙ্ক সৃষ্টি করেন। একই সময়ে ২ নম্বর অভিযুক্ত সুমন ধারালো চাপাতি দিয়ে কার্যালয়ের ভেতরে থাকা বিভিন্ন আসবাবপত্র কুপিয়ে ভাঙচুর ও তছনছ করেন। হামলাকারীরা সেখানে দায়িত্বরত কর্মচারীদের বেধড়ক মারধর করে আহত করে। একপর্যায়ে অভিযুক্তরা কার্যালয়টি জোরপূর্বক নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বাইরে থেকে তালা ঝুলিয়ে দেয়। পরবর্তীতে সেখানে কেউ প্রবেশ করলে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকিও দেওয়া হয় বলে ভুক্তভোগী দাবি করেন।

​এ ঘটনায় নিজের ও কার্যালয়ের কর্মচারীদের জীবন নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতার কথা উল্লেখ করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।

​অভিযোগের বিষয়ে জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আব্দুল কাদেরের মতামত চাওয়া হলে তিনি কার্যালয়ে তালা দেওয়ার বিষয়টি জানা নেই বলে জানান।

​মানিকগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মনির হোসেন জানান, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।