বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

সৌদিতে নিহত নাসরুল্লাহ বদরপুরির পরিবারের দায়িত্ব নিলেন ধর্মমন্ত্রী

মোঃ রাজিব মিয়া মুরাদনগর কুমিল্লা প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:২১ পিএম
সৌদিতে নিহত নাসরুল্লাহ বদরপুরির পরিবারের দায়িত্ব নিলেন ধর্মমন্ত্রী

সৌদি আরবের রিয়াদে বিমানবন্দরে হামলায় নিহত ওমরাহযাত্রী মুফতি মো. নাসরুল্লাহ বদরপুরির পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)। আহত উমরাহযাত্রীদের সার্বিক সহযোগিতা ও নিরাপদ প্রত্যাবাসনে ধর্মমন্ত্রীর দ্রুত ও নিবিড় সমন্বয়ে ফিরে আসা যাত্রীরা গভীর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছেন। বুধবার (২১ অক্টোবর) ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গত ১০ অক্টোবর সৌদি আরবের রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার শিকার হন বাংলাদেশ থেকে যাওয়া ৪৫ সদস্যের একটি ওমরাহ কাফেলা। এ ঘটনায় বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের পাশাপাশি নিহত হন বাংলাদেশি ওমরাহযাত্রী মুফতি মো. নাসরুল্লাহ বদরপুরি (৪৫)। তিনি কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার বদরপুরের বাসিন্দা এবং ওমরাহ কাফেলার দলনেতা (ইমাম) ছিলেন। এ ঘটনায় কাফেলার আরও কয়েকজন যাত্রী আহত হন।

হামলার খবর পাওয়ার পরপরই ধর্মমন্ত্রী আক্রান্ত ওমরাহ কাফেলার সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং সৌদি আরবে কর্মরত বাংলাদেশ মিশনের কর্মকর্তাদের

সঙ্গে সমন্বয় করে আহতদের উদ্ধার ও চিকিৎসার বিষয়ে উদ্যোগ নেন। সে সময় সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন থাকলেও তিনি সার্বক্ষণিকভাবে তাঁদের খোঁজখবর নেন। হামলায় যাত্রীদের লাগেজ হারিয়ে গেলে মন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগে তাঁদের আপ্যায়ন ও নতুন পোশাকের ব্যবস্থা করা হয়। দেশে ফেরার টিকিট নিশ্চিত করা এবং নিরাপদ প্রত্যাবর্তনেও সরকারের পক্ষ থেকে যোগাযোগ অব্যাহত রাখা হয়।

নিহত মুফতি নাসরুল্লাহ বদরপুরির পরিবারের খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি গত ১৩ অক্টোবর ধর্মমন্ত্রীর পক্ষ থেকে মাওলানা ইয়াকুব ওসমানীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল নাঙ্গলকোটের বদরপুরে তার বাড়িতে যায়। এ সময় পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়। শহীদের মরদেহ দাফন, পরিবারের স্থায়ী আবাসন এবং সন্তানদের শিক্ষার দায়িত্ব পালনে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়। পরিবারের সঙ্গে ফোনালাপে শহীদের মরদেহ জান্নাতুল বাকিতে দাফন অথবা দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন ধর্মমন্ত্রী। পাশাপাশি তিনি ব্যক্তিগতভাবে পরিবারটিকে ৫০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দেন।

এদিকে, হামলার শিকার ৪৫

সদস্যের ওমরাহ কাফেলার ৩৩ জন

সদস্য মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত ১১টা ২০ মিনিটে সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করেন। ধর্মমন্ত্রীর নির্দেশনায় তার একান্ত সচিব ছাদেক আহমদ, পরিচালক (হজ) মো. লোকমান হোসেনসহ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে তাঁদের অভ্যর্থনা জানান।

বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে ধর্মমন্ত্রীর একান্ত সচিব ছাদেক আহমদ বলেন, সৌদি আরবে আটকে পড়া উমরাহযাত্রীদের অভ্যর্থনা জানাতে মন্ত্রীর নির্দেশনায় আমরা বিমানবন্দরে এসেছি। ধর্মমন্ত্রী ব্যক্তিগতভাবে ফিরে আসা যাত্রীদের নৈশভোজের ব্যবস্থা করেছেন। সবাইকে নিরাপদে নিজ নিজ মাদ্রাসা ও বাসায় পৌছে দিতে পরিবহনেরও ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, পরবর্তী সময়েও প্রয়োজনীয় সব সহযোগিতা মন্ত্রী অব্যাহত রাখবেন এবং প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে করণীয় সবকিছু করবেন।

বিমানবন্দরে জামেয়া আরাবিয়া রবিউল উলুম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুফতি ফয়জুল্লাহ, জাতীয় ইমাম পরিষদ বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট
কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন

সন্তানের জন্মদিন ও দাদার মৃত্যুবার্ষিকীতে নাগরপুরে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা: প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:০৯ পিএম
সন্তানের জন্মদিন ও দাদার মৃত্যুবার্ষিকীতে নাগরপুরে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

সন্তানের জন্মদিনের আনন্দকে মানবসেবায় উৎসর্গ এবং প্রয়াত দাদার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে টাঙ্গাইলের নাগরপুরে বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হয়েছে।

রবিবার (১ নভেম্বর) বাদ আসর থেকে বাদ এশা পর্যন্ত নাগরপুর বাজারে অবস্থিত মুকতাদির হোমিও চিকিৎসা কেন্দ্রের উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
মুকতাদির হোমিও চিকিৎসা কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. এম. এ. মান্নানের ছোট ছেলে মাহিরের চতুর্থ জন্মবার্ষিকী এবং তাঁর দাদা, বিশিষ্ট হোমিওপ্যাথিক অনুরাগী মরহুম আইয়ূব আলীর ১৬তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এ মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

ক্যাম্পেইনে বিনামূল্যে সাধারণ চিকিৎসা পরামর্শ, ডায়াবেটিস পরীক্ষা (ব্লাড সুগার), রক্তের গ্রুপ নির্ণয়, ওজন পরিমাপ ও ওষুধ বিতরণ করা হয়। এ সময় স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ বিনামূল্যে এসব স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করেন।

কর্মসূচিতে চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন ডা. এম. এ. মান্নান। ব্যক্তিগত জীবনের আনন্দ ও স্মৃতিবিজড়িত দুটি বিশেষ দিনকে কেন্দ্র করে মানুষের কল্যাণে এমন উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে প্রশংসনীয় মানবিক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আয়োজক ডা. এম. এ. মান্নান বলেন, মহান আল্লাহর দেওয়া প্রতিটি নিয়ামতের জন্য শুকরিয়া আদায় করা আমাদের দায়িত্ব। সন্তানের জন্মবার্ষিকীকে মানুষের সেবার মাধ্যমে স্মরণীয় করে রাখা এবং মরহুম দাদার স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে এ আয়োজন করা হয়েছে। মানুষের কল্যাণে কাজ করা এবং অসহায় ও অসুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক, সামাজিক ও মানবিক দায়িত্ব। ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ছোট ছেলে মাহির, বড় ছেলে মুকতাদির এবং ভাতিজি মাছুমার সুস্বাস্থ্য, নেক হায়াত ও সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনা করেন। পাশাপাশি মরহুম দাদা আইয়ূব আলী, নানা আজমত আলী, চাচা কাইয়ূম এবং প্রয়াত দাদি ও নানির রুহের মাগফিরাত কামনায় তিনি সবার কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন।

উল্লেখ্য, মুকতাদির হোমিও চিকিৎসা কেন্দ্র নাগরপুর বাজারে অবস্থিত। প্রতিষ্ঠানটির এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি এবং বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের মাধ্যমে সামাজিক ও মানবিক দায়িত্ব পালন করা।

মিরপুরে এইচএসসিতে শ্রেষ্ঠত্বের শীর্ষে সাগরখালী আদর্শ ডিগ্রী কলেজ

আসাদুল ইসলাম মিরপুর উপজেলা প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:৫৬ এএম
মিরপুরে এইচএসসিতে শ্রেষ্ঠত্বের শীর্ষে সাগরখালী আদর্শ ডিগ্রী কলেজ

এইচএসসি পরীক্ষা-২০২৬-এর ফলাফলে সাফল্য ধরে রেখে আবারও কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছে ঐতিহ্যবাহী সাগরখালী আদর্শ ডিগ্রী কলেজ।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণ করে জানা যায়, এবার কলেজটি থেকে মোট ১৬৬ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। এর মধ্যে পাস করেছে ১০৩ জন শিক্ষার্থী এবং ৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। পাসের হার ৬২ শতাংশ। বস্তুনিষ্ঠ ও গুণগত শিক্ষার ধারাবাহিকতায় উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ফলাফলের দিক থেকে শীর্ষ স্থান ধরে রেখেছে প্রতিষ্ঠানটি।
উল্লেখ্য, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সাগরখালী আদর্শ ডিগ্রী কলেজ এইচএসসি পাবলিক পরীক্ষায় উপজেলার সেরা প্রতিষ্ঠানের তালিকায় ধারাবাহিকভাবে অবস্থান তৈরি করে আসছে। শুধু উপজেলা পর্যায়ই নয়, ইতিপূর্বে ২০০৯, ২০১৬ এবং ২০২৪ সালে কুষ্টিয়া জেলার মধ্যেও প্রথম স্থান অর্জন করার গৌরব দেখিয়েছিল কলেজটি। তারই সুসংহত ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায়ও উপজেলার শীর্ষে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখলো সাগরখালী আদর্শ ডিগ্রী কলেজ।
প্রতিষ্ঠানের এই চমকপ্রদ সাফল্যের বিষয়ে জানতে চাইলে সাগরখালী আদর্শ ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ রবিউল ইসলাম অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন- “আমাদের নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষকমণ্ডলী, কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সম্মানিত সদস্যবৃন্দ, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সর্বস্তরের এলাকাবাসীর আন্তরিক সহযোগিতা ও প্রচেষ্টায় আল্লাহর অশেষ রহমতে এই সাফল্য অর্জিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি ও আগামী দিনে আরও ভালো ফলাফলের জন্য আমি সমগ্র এলাকাবাসীর কাছে দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।”
কলেজের এই ধারাবাহিক সাফল্যের খবরে শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং স্থানীয় সুধীজনদের মাঝে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস দেখা গেছে।

মানিকগঞ্জে ককটেল ফাটিয়ে পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যালয় দখলের অভিযোগ

মোঃ জুয়েল মিয়া (মানিকগঞ্জ) প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:০৫ পিএম
মানিকগঞ্জে ককটেল ফাটিয়ে পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যালয় দখলের অভিযোগ

 

মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডের পৌর টার্মিনালে জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যালয় জোরপূর্বক দখল, ককটেল বিস্ফোরণ, ব্যাপক ভাঙচুর এবং কর্মচারীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আঃ কাদের ও সুমনসহ অজ্ঞাতনামা ৪০ থেকে ৫০ জনকে অভিযুক্ত করে মানিকগঞ্জ সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন মোঃ রাজা মিয়া (৫৬)।

​বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন অনুমোদিত মানিকগঞ্জ জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাজা মিয়া অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের ৪ ডিসেম্বর বিধি অনুযায়ী কমিটি গঠনের পর থেকে তারা নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলেন। তবে শুক্রবার বিকেলে হঠাৎ করে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র—যেমন ককটেল, লোহার রড, চাপাতি, হকিস্টিক ও কাঠের বাটাম নিয়ে অতর্কিতভাবে কার্যালয়ে প্রবেশ করে তা দখলের চেষ্টা চালায়।

​অভিযোগপত্র অনুযায়ী, ঘটনার সময় আঃ কাদের ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে বাসস্ট্যান্ডের পৌর টার্মিনাল এলাকায় তীব্র আতঙ্ক সৃষ্টি করেন। একই সময়ে ২ নম্বর অভিযুক্ত সুমন ধারালো চাপাতি দিয়ে কার্যালয়ের ভেতরে থাকা বিভিন্ন আসবাবপত্র কুপিয়ে ভাঙচুর ও তছনছ করেন। হামলাকারীরা সেখানে দায়িত্বরত কর্মচারীদের বেধড়ক মারধর করে আহত করে। একপর্যায়ে অভিযুক্তরা কার্যালয়টি জোরপূর্বক নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বাইরে থেকে তালা ঝুলিয়ে দেয়। পরবর্তীতে সেখানে কেউ প্রবেশ করলে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকিও দেওয়া হয় বলে ভুক্তভোগী দাবি করেন।

​এ ঘটনায় নিজের ও কার্যালয়ের কর্মচারীদের জীবন নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতার কথা উল্লেখ করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।

​অভিযোগের বিষয়ে জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আব্দুল কাদেরের মতামত চাওয়া হলে তিনি কার্যালয়ে তালা দেওয়ার বিষয়টি জানা নেই বলে জানান।

​মানিকগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মনির হোসেন জানান, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।