বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

জামায়াতের শক্ত ঘাঁটিতে চ্যালেঞ্জ বিএনপি

কৌশিক চৌধুরী, হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:১১ পিএম
জামায়াতের শক্ত ঘাঁটিতে চ্যালেঞ্জ বিএনপি

ছবি- ফাইল

হাকিমপুর, ঘোড়াঘাট, নবাবগঞ্জ ও বিরামপুর এই চার উপজেলা নিয়ে দিনাজপুর-৬ আসন গঠিত। মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৫৭ হাজার ৬৯২ জন। এর মধ্য পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৭৬ হাজার ৮৬ জন। এবং নারী ভোটার ২ লাখ ৭৯ হাজার ৫৯৩ এবং তৃতীয় লিঙ্গ ১৩ জন। ৬৮৪ বর্গ কিলোমিটার এই সংসদীয় আসনে রয়েছে ৩ টি পৌরসভা ও ২৩ টি ইউনিয়ন পরিষদ। জেলার সর্বদক্ষিণে ও ভারত সীমান্তবর্তী হওয়ায় ভৌগলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এ আসনটি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনে মোট ৭ জন এমপি প্রার্থী প্রতিদ্বন্দীতা করছেন। তাদের মধ্য বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতিক নিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ, জামায়েত মনোনীত দাঁড়িপল্লা প্রতীক নিয়ে কেন্দ্রী সূরা সদস্য আনোয়ারুল ইসলাম, জাতীয় পার্টি মনোনীতে লাঙ্গল প্রতীকে রেজাউল হক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত নূর আলম সিদ্দিক হাতপাখা, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল বাসদ মনোনীত মই প্রতিকে আব্দুল হাকিম, স্বতন্ত্র থেকে ফুটবল প্রতিক নিয়ে আব্দুল্লাহ ও ঘোড়া প্রতীক নিয়ে শাহনেওয়াজ শুভ প্রতিদ্বন্দীতা করছেন। তবে এরই মধ্যে নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ এনে ঘোড়া প্রতিকের প্রার্থী শাহনেওয়াজ শুভ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন।

হাফডজন প্রর্থী থাকলেও প্রচার প্রচারণায় বিএনপি, জামায়েত প্রার্থী ও নেতকর্মী ছাড়া অন্যদলের কাউকে প্রচার প্রচারণায় দেখা যায় নি। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ হাতপাখা প্রতিকের মাইকে প্রচাল লক্ষ করা গেছে। তবে কোন নেতাকর্মী বা প্রার্থীকে ভোটের মাঠে লক্ষ্য করা যায়নি।

স্বাধীনতা পরবর্তী এই আসনে আওমীলীগ ও জামায়েত রাজত্ব করেছে। এই আসন থেকে আওয়ামীলীগ ৬ বার ও জামায়েত ২ বার এমপি নির্বাচিত হয়েছে। সেই হিসেবে আ.লীগ না থাকায় জামায়েত রাজত্ব করার কথা। কিন্তু এবার বিএনপির হ্যাবিওয়েট নেতা ডা. জাহিদ এই আসনে বিএনপির শক্ত হাল ধরে নির্বাচনি প্রচার-প্রচারণা চালচ্ছেন। এবারে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে লড়ছেন তিনি। জনসংযোগ প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। সেই সাথে দম ফেলার সময় নেই, নেতাকর্মীর। কাকডাকা ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত যাচ্ছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে।

শতভাগ বিজয়ের আশা তাদের। কর্মীরা বলছেন তিনি নির্বাচিত হলে এই আসন থেকে মন্ত্রী হবে। যেটি হবে এই আসনের প্রথম মন্ত্রী। মন্ত্রী হলে রাস্তাঘাট, অবকাঠামো, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কাঙ্খিত উন্নয়নের ছোঁয়া লাগবে। গড়ে উঠবে কলকারখান, কর্মসংস্থান ব্যাবস্থা হবে হাজারো বেকারের।

এদিকে আসন পুনরুদ্ধারে মরিয়া জামায়েত। জয়ের আশা শতভাগ, কারণ ২০০৮ সালে নবম জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিয়ে একা হাজারেরও কম ভোটে পরাজীত হয় বর্তমান জামায়াতের প্রার্থী। তারা বলছেন এই এলাকার মানুষ ন্যায়ের পক্ষে। জামায়াত দল সবসময় ন্যায়ের পক্ষে কাজ করে থাকে। তাই ভোটাররা এ বার ভুল করবেনা। বিপুল ভোটে জয়লাভের আশা।

উভয় প্রার্থীর প্রতিশ্রুতির ফুলঝুড়ির মধ্যে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তর হিলি স্থলবন্দরের রাস্তাঘাট ও বন্দরের ব্যাবসা বাণিজ্যের প্রসারে বেশ সজাগ।

হাকিমপুর উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন শিল্পী বলেন, ২০০১, ২০০৯ ও ২০১৮ সালে বিএনপি-জামায়াতের ঐক্য জোটের পক্ষে জামায়াতের এমপি প্রার্থী ছিলেন। সে সময়গুলিতে বিএনপি নেতা কর্মীরা জামায়াতের পক্ষে কাজ করেছেন। এই আসনে বিএনপির ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে উপল্লেক করে তিনি বলেন, এবারের নির্বাচনে বিএনপি এককভাবে নির্বাচন করছেন। জনগন শতঃস্ফর্তভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহন করে বিএনপিকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করবেন। এবং এই আসনের প্রার্থী ডা. জাহিদ জিয়া পরিবারের ঘনিষ্টজন, বেগম খালেদা জিয়ার ব্যাক্তিগত চিকিৎসক এবং বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য। তিনি এমপি নির্বাচিত হয়ে মন্ত্রি হবেন। এই এলাকার ব্যাপক উন্নয়ন হবে।

এদিকে হাকিমপুর উপজেলা জামায়াতে আমীর আমিনুল ইসলাম বিএনপি প্রার্থী ডা. জাহিদকে ইঙ্গিত করে বলেন, তিনি নির্বাচন উপলক্ষে এই আসনে ভোটারের দ্বারে দ্বারে গিয়ে উন্নয়নের অঙ্গিকার করছেন। এর আগে সুখে-দুঃখে এলাকার জনগণ তাঁকে পাশে পাননি। জামায়াতের প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম বিগত ১৭ বছর যাবৎ এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে ছিলেন। প্রত্যোক পাড়া মহল্লার শিশু থেকে বৃদ্ধ সকলে তাঁকে ভলো মানুষ হিসেবে জানেন। এবারে ইনশাআল্লাহ দাঁড়ি পল্লা বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন। শুধু এই আসনে নয় সারা দেশে দাঁড়ি পল্লার জোয়ার বইছে।
উপজেলার দক্ষিণ বাসুদেবপুর মহল্লার এক ভোটার জানান, এই আসন থেকে জামায়েত ও আওয়ামীলীগের এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। কিন্তু এলাকার রাস্তুঘাট , অবকাঠামোতে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। ডা. জাহিদ এই আসন থেকে নির্বাচিত হলে তিনি মন্ত্রী হতে পারেন। তাই এবার আর ভুল করবেননা, তিনি ধানের শীষে ভোট দিবেন।

জামায়াতের প্রার্র্থী আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, প্রাচার প্রচারণায় জনগনের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে তিনি মাত্র ৮৫৮ ভোটে পরাজীত হয়েছি। এই সামান্য ভোটের ব্যাবধানকে পরাজয় বলেনা। প্রতিকী অর্থে তিনি বলেন, এবার এতো পরিমাণ দাঁড়ি পল্লায় ভোট পড়বে যে দাঁড়ি পল্লায় ওজন করে শেষ করা যাবেন।

এদিকে ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থী বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবদী দল বিএনপি আমাকে এই আসনে মনোনীত করেছেন। তারেক রহমানের নের্তৃত্বে আগামীর বাংলাদেশ গড়তে ভোটারদের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। আশা করি জনগণ ব্যাপক উৎসাহ উদ্দিপনা মধ্য দিয়ে ভোট দিয়ে আমাকে জয়যুক্ত করবেন।

কুষ্টিয়ায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে নারীর মৃত্যু, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে ২।

সকালের বার্তা ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:০৪ এএম
কুষ্টিয়ায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে নারীর মৃত্যু, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে ২।

তানভীর আজাদ কুষ্টিয়া প্রতিনিধি | সকালের বার্তা।

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে বসতবাড়ির জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলার অভিযোগে নাসিমা খাতুন (৪২) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২ নভেম্বর) ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে উপজেলার সদকী ইউনিয়নের বাটিকামারা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।নিহত নাসিমা খাতুন ওই এলাকার শহিদুলের স্ত্রী।

নিহতের পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে বসতবাড়ির জমি নিয়ে স্থানীয় প্রতিপক্ষের সঙ্গে তাঁদের বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে বিভিন্ন সময় হুমকি-ধমকিও দেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার ভোরে মসজিদপাড়া এলাকার জনে শেখের ছেলে মোমিনের নেতৃত্বে ৩০ থেকে ৪০ জনের একটি দল তাঁদের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়।

নিহতের মা আলেয়া খাতুনের অভিযোগ, হামলার সময় নাসিমা খাতুন বাধা দিতে এগিয়ে গেলে অভিযুক্ত আকরাম তাঁকে ধাক্কা দেন। এতে তিনি মাটিতে পড়ে যান। পরে তাঁর পুত্রবধূর চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে তাঁকে উদ্ধার করে কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন নিহতের স্বজনেরা।

কুমারখালী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আমিরুল ইসলাম জানান, নারীর মৃত্যুর ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইতোমধ্যে দুজনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে,ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে তদন্ত চলছে।

পরীক্ষাকেন্দ্র থেকে বহিষ্কারের জেরে বিস্ফোরণের অভিযোগ, তদন্তে আইনশৃঙ্খলা বাহিন।

সকালের বার্তা ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:০৪ এএম
পরীক্ষাকেন্দ্র থেকে বহিষ্কারের জেরে বিস্ফোরণের অভিযোগ, তদন্তে আইনশৃঙ্খলা বাহিন।

তানভীর আজাদ কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি।

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিস্ফোরণের ঘটনায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। এসএসসি নির্বাচনী পরীক্ষা চলাকালে ফিলিপনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কার্যালয় লক্ষ্য করে দুটি বোমা জাতীয় বস্তু নিক্ষেপ ও বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২ নভেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনার সূত্রপাত পরীক্ষার হল থেকে। পুলিশ ও শিক্ষার্থী সূত্রের বরাতে জানা যায়, নির্বাচনী পরীক্ষা চলাকালে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান আসাদ পাঁচ শিক্ষার্থীর কাছ থেকে মোবাইল ফোন জব্দ করেন। এ সময় পরীক্ষার নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগে তানজিন রহমান রিদু নামে এক শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়।

এরপর ওই শিক্ষার্থী কয়েকজন বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে বিদ্যালয়ে ফিরে প্রধান শিক্ষকের কার্যালয় লক্ষ্য করে দুটি বোমা জাতীয় বস্তু নিক্ষেপ করে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিস্ফোরণের বিকট শব্দে বিদ্যালয়ের ভেতরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়েছেন কি না, সে বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে মোটরসাইকেলটির মালিক হিসেবে কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ও ফিলিপনগর ইউনিয়নে জামায়াত মনোনীত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী খাজা আহমেদের নাম উঠে এসেছে বলে জানিয়েছেন দৌলতপুর থানার ওসি।

অভিযোগের বিষয়ে খাজা আহমেদের বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রশ্ন শুনে ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। পরে একাধিকবার চেষ্টা করেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান জানান, পরীক্ষার হলে নিয়ম ভঙ্গের কারণে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এক শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করে। এরপর বিদ্যালয়ের পাশে দুটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্তে মোটরসাইকেলটির মালিক হিসেবে জামায়াত নেতা খাজা আহমেদের নাম পাওয়া গেছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা হয়নি।

দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অনিন্দ্য গুহ বলেন, ঘটনাটি জানার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমন বিস্ফোরণের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার পেছনের কারণ উদ্‌ঘাটন, জড়িতদের শনাক্ত এবং বিদ্যালয়ে স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেশ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি উঠেছে।

মিরপুরে পুলিশ-শ্রমিক সংঘর্ষে বন্ধ মেট্রো-স্টেশন

সকালের বার্তা ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:০৪ এএম
মিরপুরে পুলিশ-শ্রমিক সংঘর্ষে বন্ধ মেট্রো-স্টেশন

মো: অমিত হাসান ঢাকা, ঢাকা মহানগর প্রতিনিধি

ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে রাজধানীর মিরপুরে পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে পুলিশ ও শ্রমিকদের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটছে। এমন পরিস্থিতিতে যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে মিরপুর-১১ নম্বর মেট্রোরেল স্টেশন।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল থেকে মিরপুর-১১ নম্বর এলাকায় সড়কে নেমে বিক্ষোভ শুরু করেন পোশাক শ্রমিকেরা। মিরপুর-১১ নম্বর মেট্রোরেল স্টেশন বন্ধ রাখার বিষয়টি এমআরটি পুলিশের কন্ট্রোল রুম থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

জানা যায়, সকাল থেকেই মিরপুর-১১ নম্বর সেকশনে পোশাক শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে উত্তেজনা ও সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরিস্থিতি সহিংস রূপ নেওয়ায় মেট্রোরেলের যাত্রী ও স্টেশনের সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে স্টেশনটির কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে মিরপুর-১১ নম্বর স্টেশনে কোনো ট্রেন থামছে না এবং যাত্রী ওঠানামাও করানো হচ্ছে না। তবে মেট্রোরেলের অন্য স্টেশনগুলোতে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে মিরপুর-১১ নম্বর স্টেশনটি পুনরায় চালু করা হবে বলে জানিয়েছে এমআরটি পুলিশ কন্ট্রোল রুম।