বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

কুমিল্লার বুড়িচংয়ে কাভার্ডভ্যান ভর্তি ২মন গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার 

মোঃ জামির হোসেন সরকার, কুমিল্লা  প্রকাশিত: বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:০৯ পিএম
কুমিল্লার বুড়িচংয়ে কাভার্ডভ্যান ভর্তি ২মন গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার 
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় র‍্যাব-১১ এর অভিযানে ২ মন (প্রায় ৮০ কেজি) গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি কাভার্ডভ্যান জব্দ করা হয়।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‍্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লার উপ-পরিচালক ও কোম্পানি অধিনায়ক মেজর সাদমান ইবনে আলম।
তিনি জানান, বুধবার ভোর রাতে র‍্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুড়িচং থানাধীন মোকাম ইউনিয়নের কালাকচুয়া এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে মোঃ আবির (৩০) ও মোঃ সজিব (২২) নামের দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়।
র‍্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃত আবির ঝিনাইদহ জেলার শৈলকোপা থানার কাঁচেরকোল গ্রামের মোঃ আনোয়ার হোসেনের ছেলে এবং সজিব কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার ঝাকুনিপাড়া গ্রামের মোঃ শিপনের ছেলে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পাইকারি ও খুচরা দামে বিক্রি করে আসছিল বলে স্বীকার করেছে।
র‍্যাব-১১ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে তাদের ধারাবাহিক অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে বুড়িচং থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে, আরেক দল জুলাই নিয়ে ব্যবসা করছে: ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ

সকালের বার্তা ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:২০ এএম
আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে, আরেক দল জুলাই নিয়ে ব্যবসা করছে: ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ

মোঃ রাজিব মিয়া মুরাদনগর উপজেলা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:

আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ব্যবসা করেছে, আরেকটি দল জুলাই চেতনা নিয়ে ব্যবসা করছে বলে মন্তব্য করেছেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনের সংসদ সদস্য কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ।

সোমবার (২ নভেম্বর) কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের মাঝে ধর্মমন্ত্রীর নিজস্ব তহবিল থেকে অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ধর্মমন্ত্রী বলেন, “আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ব্যবসা করেছে, আরেকটি দল জুলাই চেতনা নিয়ে ব্যবসা করছে। আমরা ব্যবসা করতে চাই না। তারেক রহমান পরিষ্কারভাবে বলে দিয়েছেন, যার যার সম্মান তাকে দিতে হবে। জুলাই চেতনাকে ভিত্তি করে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। একই সঙ্গে যারা মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন, তাদেরও যথাযথ সম্মান জানাতে হবে। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা একজন মুক্তিযোদ্ধা, আমাদের প্রধানমন্ত্রীও একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান।”

নিজের চিকিৎসার প্রসঙ্গ তুলে ধর্মমন্ত্রী বলেন, “আমি এবং আমার পরিবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে কৃতজ্ঞ। তিনি আমার চিকিৎসার জন্য দীর্ঘ ছুটি দিয়েছিলেন।”

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রশংসা করে তিনি বলেন, “তিনি এমন একজন মানুষ, যিনি দেশের জন্য অনেক পরিশ্রম করেন। একদিন অফিস সময়ের পর তাঁর সঙ্গে কথা বলার সময় দেখেছি, তিনি অত্যন্ত ক্লান্ত। কিন্তু তাঁর কথাবার্তায় ক্লান্তির কোনো ছাপ ছিল না। তিনি সব সময় বাংলাদেশের অসহায় ও দরিদ্র মানুষের কথা চিন্তা করেন। তারই প্রতিফলন হিসেবে তিনি কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ড চালুর ব্যবস্থা করেছেন। পাশাপাশি ইমাম, মুয়াজ্জিন ও অন্যান্য ধর্মীয় গুরুদের ভাতার ব্যবস্থাও করেছেন।”

এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়ে ধর্মমন্ত্রী বলেন, আল্লাহ যেন তাঁকে সব ধরনের ষড়যন্ত্র থেকে হেফাজত করেন।

মুরাদনগর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাকিব হাসান খান। সহকারী শিক্ষক শারমিন ফাতেমার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মুরাদনগর, বাঙ্গরা বাজার ও তিতাস সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার এ কে এম কামরুজ্জামান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শফিউল আলম তালুকদার, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ পাভেল খান পাপ্পু, সমাজসেবা কর্মকর্তা বরুণ চন্দ্র দে, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মহিউদ্দিন অঞ্জন ও সদস্যসচিব মোল্লা মুজিবুল হক প্রমুখ।

এ সময় উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

সুন্দরগঞ্জে ২০টি অবৈধ জাল জব্দ

সকালের বার্তা ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:২০ এএম
সুন্দরগঞ্জে ২০টি অবৈধ জাল জব্দ

খায়রুল আলম নয়ন

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি:

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে নিষিদ্ধ চায়না-দুয়ারী ও কারেন্ট জালের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ২০টি জাল জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় এক ব্যক্তিকে ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সোমবার (২ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার তারাপুর ইউনিয়নের ‘ধর মানষের ছড়া’ নামক জলমহালে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে আনুমানিক ১ হাজার ২’শ মিটার দৈর্ঘ্যের ১৯টি চায়না-দুয়ারী জাল এবং ১০০ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়।

এছাড়াও মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন, ১৯৫০-এর ৫ ধারা অনুযায়ী অভিযুক্ত এক ব্যক্তিকে ১ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আহরাব আল আকাশ।

এ বিষয়ে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা কৃষিবিদ মাধব রায় বলেন, “মৎস্যসম্পদ রক্ষা ও প্রাকৃতিক জলজ পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার বন্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। কেউ অবৈধ জাল ব্যবহার করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আবাসিক ও ঘনবসতিতে কাঠখড়ির ইটভাটা গুরুদাসপুরে যত্রতত্র ইটভাটার দৌরাত্মে কৃষিজমি ও জনজীবনে মারাত্মক হুমক

সকালের বার্তা ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:২০ এএম
আবাসিক ও ঘনবসতিতে কাঠখড়ির ইটভাটা গুরুদাসপুরে যত্রতত্র ইটভাটার দৌরাত্মে কৃষিজমি ও জনজীবনে মারাত্মক হুমক

সজিবুর রহমান  নাটোর প্রতিনিধি:

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নাটোরের গুরুদাসপুরে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ও লাইসেন্সবিহীন ইটভাটার দৌরাত্ম থামছেই না। আবাসিক ও ঘনবসতি এলাকায় যত্রতত্রভাবে এসব ইটভাটা গড়ে উঠেছে। ফলে স্থানীয় জনজীবন, কৃষিজমি, পরিবেশ, পাকাসড়কের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রশাসনের অভিযান ও জরিমানা কারা সত্ত্বেও অবৈধ ইটভাটাগুলোর কার্যক্রম স্থায়ীভাবে বন্ধ করা যাচ্ছে না।
সরেজমিনে দেখা গেছে, নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে গড়ে ওঠা ইটভাটাগুলোর চিমনির উচ্চতা কম হওয়ায় নির্গত ধোঁয়ায় দূষিত হচ্ছে পরিবেশ। ফলে শ্বাষকষ্টসহ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে এলাকার মানুষ। আশপাশের জমিগুলোতে মারাত্মক ফসলহানি ঘটছে। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষার্থী, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ঘনবসতির মানুষেরা চরম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছে। ইট ও মাটি বহনকারী ট্রাক্টর-ট্রলির দাপটে নষ্ট হচ্ছে পাকা সড়ক। তিন ফসলি জমি কেটে ইট তৈরির মাটি সরবরাহ করা হচ্ছে। ইটভাটায় পোড়ানো হচ্ছে কাঠখড়ি। এসব ইটভাটা অনুমোদেনের কোন কাগজ দেখাতে পারেননি স্বত্বাধিকারীরা।
ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৩/২০১৯ সংশোধন অনুযায়ী- কৃষি জমি, বনভূমি ও আবাসিক এলাকার কাছে ভাটা স্থাপন ও জ্বালানী হিসেবে কাঠ বা কয়লা ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এছাড়া কৃষিজমি, পুকুর বা নদী, খাল ও জলাভূমি থেকে মাটি কেটে ইটের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করা আইনত দন্ডনীয় অপরাধ।
উপজেলা কৃষি অফিসের দেওয়া তথ্যমতে, গত বছর পুকুর খননের কারণে ১২০ হেক্টর তিন ফসলি জমিতে কমে গেছে। এসব জমিতে ধান, পাট, গম, সরিষাসহ বিভিন্ন সবজির আবাদ হতো। ফলে ধানের আবাদ কমেছে প্রায় ১০০ টন। সর্বশেষ ২০২৪ সালের শেষের দিকে সেনাবাহিনীর সহায়তায় পরিচালিত এক অভিযানে উপজেলার ৯টি অবৈধ ইটভাটাকে ২৮ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
অনুসন্ধানে জানা যায়, পৌর সদর ও ইউনিয়ন পর্যায়ে মোট ১১টি ইটভাটা রয়েছে। এরমধ্যে মাত্র দুইটি ভাটার লাইসেন্স আছে। আবাসিক এলাকার ৫টি ইটভাটার মধ্যে চাঁচকৈড়ের মোশাররফ হোসেনের মেসার্স এমবিপি ব্রিক্স, আব্দুস সালাম সবুজের মেসার্স একেবি ব্রিক্স, জহুরুল সোনারের মেসার্স এমডিআর ব্রিক্স, জাহাঙ্গীর সোনারের মেসার্স এমডিএস ব্রিক্স, আমজাদ-মফিজের মেসার্স এএমবি ব্রিক্স তাদের ইটভাটা কার্যক্রম চালাচ্ছেন।
আবার উপজেলার সাহাপুরে রয়েছে আজাহার প্রামাণিকের মেসার্স এইচবিবি ব্রিক্স, আজাহার বালুর মেসার্স এইচআরবি ব্রিকস, কাদের হাজীর মেসার্স এইচকেবি ব্রিকস, মজনু সরদারের মেসার্স এমএসবি ব্রিক্স, হাজীর হাটে জাহিদুল ইসলামের মেসার্স এমডিপি ব্রিক্স, চন্দ্রপুরের রেজাউল হাসান রানার মেসার্স আরআরবি ব্রিকস। নিয়ম বহির্ভূতভাবে তিন ফসলি জমি ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় গড়ে উঠেছে এসব ইটভাটা।
স্থানীয় সচেতন মহলের মাসুদ রানা, জবতুল্লাহ মন্ডল, জাহের প্রামাণিক, সুজাউদ্দৌলা সুজন, কৃষক রফিকুল ইসলাম ও শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতি বছরই ইটভাটায় জরিমানা করা হয়। প্রশাসনের “দায়সারা” অভিযানের পর ভাটাগুলো আবার চালু হয়ে যায়। স্থায়ীভাবে এই দৌরাত্ম্য বন্ধ করতে ভাটাগুলো পুরোপুরি গুঁড়িয়ে দিয়ে কঠোর আইনি ব্যবস্থা জরুরী হয়ে পড়েছে।’
উপজেলা ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি মোশাররফ হোসেন বলেন- ‘ইটভাটার ভ্যাট, আয়কর, ট্রেডলাইসেন্স, কলকারখানাসহ বিএসটিআই ও ফায়ার সার্ভিসের লাইসেন্স আছে। কিন্তু পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র কারোরই নেই। তবে দুটি ভাটার লাইসেন্স আছে। পর্যায়ক্রমে বন্ধ করতে হলে ইটভাটা মালিকদের জানাতে হবে।’
মেসার্স আরআরবি ব্রিকসের রেজাউল হাসান রানা ও মেসার্স এমডিপি ব্রিক্সের জাহিদুল ইসলাম বলেন, আমরা নিময় মেনে ইটভাটা পরিচালনা করছি, ছাড়পত্রও আছে। কোনো সমস্যা নেই।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাহমিদা আফরোজ বলেন, ‘ইটভাটার জন্য নির্দিষ্ট আইন আছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র বা লাইসেন্স বিহীন ইটভাটার বিরুদ্ধে বিধি অনুসারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।