মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

কসবায় ছাত্রলীগ নিষিদ্ধের পরও বহাল তবিয়তে আওয়ামী লীগ কর্মী সেলিম: ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে দলীয় আড্ডা, নেপথ্যে কারা?

বিশেষ প্রতিনিধি, কসবা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া): প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০৯ পিএম
কসবায় ছাত্রলীগ নিষিদ্ধের পরও বহাল তবিয়তে আওয়ামী লীগ কর্মী সেলিম: ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে দলীয় আড্ডা, নেপথ্যে কারা?

সংগঠন হিসেবে ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলেও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার বায়েক ইউনিয়নে প্রকাশ্যে ও গোপনে দলীয় কার্যক্রম চালানোর গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বায়েক ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ‘মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ’-এর সভাপতি এবং বাংলাদেশ ছাত্রলীগ আন্তর্জাতিক ইউনিট (লেবানন শাখা)-এর প্রতিষ্ঠাতা সেলিম মিয়ার প্রকাশ্যে চলাফেরা এবং একটি সরকারি কার্যালয়কে রাজনৈতিক আড্ডাস্থলে পরিণত করার ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে চরম অসন্তোষ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করা সত্ত্বেও সেলিম মিয়া ডিজিটাল সেন্টারে নিজের পদের সুবিধা নিয়ে নিয়মিত অফিস করছেন। দাপ্তরিক কাজের অজুহাত দেখিয়ে তিনি সেখানে প্রতিদিন নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের কর্মীদের জড়ো করেন এবং নিয়মিত গোপনে বৈঠক ও আড্ডা পরিচালনা করেন। সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের ওপর আগের মতোই ক্ষমতার প্রভাব দেখানোর অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনকালে সেলিম মিয়া তৎকালীন আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের ঘনিষ্ঠ হিসেবে এলাকায় ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করতেন। সেই ক্ষমতার জোরে তিনি বিরোধী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব—যেমন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সহ একাধিক শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে নিজের ফেসবুক আইডি থেকে অরুচিকর ও ব্যাঙ্গাত্মক পোস্ট ছড়িয়ে দিতেন। তার এই দাপটের কারণে ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ এতদিন ধরে কার্যত জিম্মি ছিলেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগী জানান, গত জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে সেলিম মিয়ার ভূমিকা ছিল অত্যন্ত আক্রমণাত্মক। আন্দোলন দমন করতে তিনি ছাত্রলীগের একদল ক্যাডার নিয়ে কসবায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় অংশ নেন এবং অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে মহড়া দেন। পাশাপাশি লেবানন শাখা ছাত্রলীগের বিতর্কিত সদস্যদের সাথেও তার নিয়মিত যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গেছে।

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর নিজেকে বাঁচাতে সেলিম মিয়া কৌশল বদলেছেন বলে জানা গেছে। গ্রেফতার ও শাস্তি এড়াতে তিনি বর্তমানে স্থানীয় কয়েকজন স্বার্থান্বেষী বিএনপি নেতার সাথে আঁতাত করার চেষ্টা করছেন এবং গোপনে বিএনপির বিভিন্ন দলীয় প্রোগ্রামে যোগ দেওয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছেন।

‘দৈনিক সকালের বার্তা’-র বিশেষ অনুসন্ধানে জানা যায়, সেলিম মিয়ার এই অপকর্ম ও ক্যাডার রাজনীতির বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন স্থানীয় ক্ষুব্ধ জনগণ। তবে আশ্চর্যজনকভাবে, অদৃশ্য শক্তির ইশারায় এবং নামমাত্র ‘আপসে’র ভয় দেখিয়ে পরবর্তীতে সেই অভিযোগটি তুলে নিতে বাধ্য করা হয়।

ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা তুলছেন একাধিক প্রশ্ন: একটি নিষিদ্ধ সংগঠনের সক্রিয় সদস্য, যিনি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় যুক্ত ছিলেন তিনি কীভাবে এখনো বহাল তবিয়তে সরকারি প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করছেন? কার আশ্রয়ে ও প্রশ্রয়ে সেলিম এখনো সরকারি প্রতিষ্ঠানে আড্ডা ও রাজনৈতিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন? এর পেছনে কি প্রশাসনের কোনো অসাধু মহলের সায় রয়েছে, নাকি অন্য কোনো সুবিধাভোগী গোষ্ঠীর ছত্রচ্ছায়া?  ইউএনও কার্যালয়ে অভিযোগ জমা হওয়ার পরও কেন তা তদন্ত না করে তুলে নেওয়া হলো এবং কেন তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না?

বায়েক ইউনিয়নের সাধারণ জনগণ ও সচেতন মহল অনতিবিলম্বে এই বিতর্কিত উদ্যোক্তা সেলিম মিয়াকে পদচ্যুত করা এবং তার বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করছেন।

সন্তানের জন্মদিন ও দাদার মৃত্যুবার্ষিকীতে নাগরপুরে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা: প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:০৯ পিএম
সন্তানের জন্মদিন ও দাদার মৃত্যুবার্ষিকীতে নাগরপুরে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

সন্তানের জন্মদিনের আনন্দকে মানবসেবায় উৎসর্গ এবং প্রয়াত দাদার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে টাঙ্গাইলের নাগরপুরে বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হয়েছে।

রবিবার (১ নভেম্বর) বাদ আসর থেকে বাদ এশা পর্যন্ত নাগরপুর বাজারে অবস্থিত মুকতাদির হোমিও চিকিৎসা কেন্দ্রের উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
মুকতাদির হোমিও চিকিৎসা কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. এম. এ. মান্নানের ছোট ছেলে মাহিরের চতুর্থ জন্মবার্ষিকী এবং তাঁর দাদা, বিশিষ্ট হোমিওপ্যাথিক অনুরাগী মরহুম আইয়ূব আলীর ১৬তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এ মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

ক্যাম্পেইনে বিনামূল্যে সাধারণ চিকিৎসা পরামর্শ, ডায়াবেটিস পরীক্ষা (ব্লাড সুগার), রক্তের গ্রুপ নির্ণয়, ওজন পরিমাপ ও ওষুধ বিতরণ করা হয়। এ সময় স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ বিনামূল্যে এসব স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করেন।

কর্মসূচিতে চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন ডা. এম. এ. মান্নান। ব্যক্তিগত জীবনের আনন্দ ও স্মৃতিবিজড়িত দুটি বিশেষ দিনকে কেন্দ্র করে মানুষের কল্যাণে এমন উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে প্রশংসনীয় মানবিক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আয়োজক ডা. এম. এ. মান্নান বলেন, মহান আল্লাহর দেওয়া প্রতিটি নিয়ামতের জন্য শুকরিয়া আদায় করা আমাদের দায়িত্ব। সন্তানের জন্মবার্ষিকীকে মানুষের সেবার মাধ্যমে স্মরণীয় করে রাখা এবং মরহুম দাদার স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে এ আয়োজন করা হয়েছে। মানুষের কল্যাণে কাজ করা এবং অসহায় ও অসুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক, সামাজিক ও মানবিক দায়িত্ব। ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ছোট ছেলে মাহির, বড় ছেলে মুকতাদির এবং ভাতিজি মাছুমার সুস্বাস্থ্য, নেক হায়াত ও সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনা করেন। পাশাপাশি মরহুম দাদা আইয়ূব আলী, নানা আজমত আলী, চাচা কাইয়ূম এবং প্রয়াত দাদি ও নানির রুহের মাগফিরাত কামনায় তিনি সবার কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন।

উল্লেখ্য, মুকতাদির হোমিও চিকিৎসা কেন্দ্র নাগরপুর বাজারে অবস্থিত। প্রতিষ্ঠানটির এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি এবং বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের মাধ্যমে সামাজিক ও মানবিক দায়িত্ব পালন করা।

মিরপুরে এইচএসসিতে শ্রেষ্ঠত্বের শীর্ষে সাগরখালী আদর্শ ডিগ্রী কলেজ

আসাদুল ইসলাম মিরপুর উপজেলা প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:৫৬ এএম
মিরপুরে এইচএসসিতে শ্রেষ্ঠত্বের শীর্ষে সাগরখালী আদর্শ ডিগ্রী কলেজ

এইচএসসি পরীক্ষা-২০২৬-এর ফলাফলে সাফল্য ধরে রেখে আবারও কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছে ঐতিহ্যবাহী সাগরখালী আদর্শ ডিগ্রী কলেজ।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণ করে জানা যায়, এবার কলেজটি থেকে মোট ১৬৬ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। এর মধ্যে পাস করেছে ১০৩ জন শিক্ষার্থী এবং ৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। পাসের হার ৬২ শতাংশ। বস্তুনিষ্ঠ ও গুণগত শিক্ষার ধারাবাহিকতায় উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ফলাফলের দিক থেকে শীর্ষ স্থান ধরে রেখেছে প্রতিষ্ঠানটি।
উল্লেখ্য, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সাগরখালী আদর্শ ডিগ্রী কলেজ এইচএসসি পাবলিক পরীক্ষায় উপজেলার সেরা প্রতিষ্ঠানের তালিকায় ধারাবাহিকভাবে অবস্থান তৈরি করে আসছে। শুধু উপজেলা পর্যায়ই নয়, ইতিপূর্বে ২০০৯, ২০১৬ এবং ২০২৪ সালে কুষ্টিয়া জেলার মধ্যেও প্রথম স্থান অর্জন করার গৌরব দেখিয়েছিল কলেজটি। তারই সুসংহত ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায়ও উপজেলার শীর্ষে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখলো সাগরখালী আদর্শ ডিগ্রী কলেজ।
প্রতিষ্ঠানের এই চমকপ্রদ সাফল্যের বিষয়ে জানতে চাইলে সাগরখালী আদর্শ ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ রবিউল ইসলাম অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন- “আমাদের নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষকমণ্ডলী, কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সম্মানিত সদস্যবৃন্দ, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সর্বস্তরের এলাকাবাসীর আন্তরিক সহযোগিতা ও প্রচেষ্টায় আল্লাহর অশেষ রহমতে এই সাফল্য অর্জিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি ও আগামী দিনে আরও ভালো ফলাফলের জন্য আমি সমগ্র এলাকাবাসীর কাছে দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।”
কলেজের এই ধারাবাহিক সাফল্যের খবরে শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং স্থানীয় সুধীজনদের মাঝে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস দেখা গেছে।

মানিকগঞ্জে ককটেল ফাটিয়ে পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যালয় দখলের অভিযোগ

মোঃ জুয়েল মিয়া (মানিকগঞ্জ) প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:০৫ পিএম
মানিকগঞ্জে ককটেল ফাটিয়ে পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যালয় দখলের অভিযোগ

 

মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডের পৌর টার্মিনালে জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যালয় জোরপূর্বক দখল, ককটেল বিস্ফোরণ, ব্যাপক ভাঙচুর এবং কর্মচারীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আঃ কাদের ও সুমনসহ অজ্ঞাতনামা ৪০ থেকে ৫০ জনকে অভিযুক্ত করে মানিকগঞ্জ সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন মোঃ রাজা মিয়া (৫৬)।

​বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন অনুমোদিত মানিকগঞ্জ জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাজা মিয়া অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের ৪ ডিসেম্বর বিধি অনুযায়ী কমিটি গঠনের পর থেকে তারা নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলেন। তবে শুক্রবার বিকেলে হঠাৎ করে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র—যেমন ককটেল, লোহার রড, চাপাতি, হকিস্টিক ও কাঠের বাটাম নিয়ে অতর্কিতভাবে কার্যালয়ে প্রবেশ করে তা দখলের চেষ্টা চালায়।

​অভিযোগপত্র অনুযায়ী, ঘটনার সময় আঃ কাদের ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে বাসস্ট্যান্ডের পৌর টার্মিনাল এলাকায় তীব্র আতঙ্ক সৃষ্টি করেন। একই সময়ে ২ নম্বর অভিযুক্ত সুমন ধারালো চাপাতি দিয়ে কার্যালয়ের ভেতরে থাকা বিভিন্ন আসবাবপত্র কুপিয়ে ভাঙচুর ও তছনছ করেন। হামলাকারীরা সেখানে দায়িত্বরত কর্মচারীদের বেধড়ক মারধর করে আহত করে। একপর্যায়ে অভিযুক্তরা কার্যালয়টি জোরপূর্বক নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বাইরে থেকে তালা ঝুলিয়ে দেয়। পরবর্তীতে সেখানে কেউ প্রবেশ করলে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকিও দেওয়া হয় বলে ভুক্তভোগী দাবি করেন।

​এ ঘটনায় নিজের ও কার্যালয়ের কর্মচারীদের জীবন নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতার কথা উল্লেখ করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।

​অভিযোগের বিষয়ে জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আব্দুল কাদেরের মতামত চাওয়া হলে তিনি কার্যালয়ে তালা দেওয়ার বিষয়টি জানা নেই বলে জানান।

​মানিকগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মনির হোসেন জানান, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।