বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

জামালপুরে তদন্ত ছাড়াই ‘ভুয়া মামলা’ হয়রানির অভিযোগ 

মোহাম্মদ আরমান, স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ২:২১ পিএম
জামালপুরে তদন্ত ছাড়াই ‘ভুয়া মামলা’ হয়রানির অভিযোগ 

ছবি : সংগৃহীত

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় কোনো ধরনের প্রাথমিক তদন্ত ছাড়াই দণ্ড বিধির ৩২৬ ধারায় একটি মামলা করার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, মামলার এজাহারে যে ঘটনার বর্ণনা দেওয়া হয়েছে, বাস্তবে তেমন কোনো ঘটনাই ঘটেনি। এমনকি মামলার বাদীকে যে ধরনের আঘাতের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, তার সপক্ষেও কোনো আলামত পাওয়া যায়নি বলে দাবি পরিবারের। এরপরও মামলাটি করে তাঁদের হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগী পরিবারের। এ ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়েও উঠেছে নানা প্রশ্ন।
পুলিশের ভাষ্য-বাদী বোরকা পড়া থাকায় তাঁর শরীরের আঘাত দেখার সুযোগ হয়নি-এমন অদ্ভুত যুক্তিতে কোনো ধরণের প্রাথমিক তদন্ত ছাড়াই অজানা উদ্দেশেই মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)এ টি এম মাহমুদুল হক মামলাটি দণ্ডবিধির ৩২৬ ধারায় রেকর্ড করেন। এতে মিথ্যা মামলায় হয়রানির শিকার হচ্ছেন ওই পরিবারটি।গত বৃহস্পতিবার (০৬ আগস্ট) বাদী হয়ে মামলাটি করেন মেলান্দহ উপজেলার মুন্সী নাংলা গ্রামের আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী মোছাঃ কল্পনা (৩০)। মামলায় একই গ্রামের মো.আসাদ মিয়া (৪২) ও তাঁর স্ত্রী মোছাঃ সাহারা বেগমকে (৩৭) আসামি করা হয়েছে। মামলায় পুলিশ দণ্ড বিধির ৩২৩, ৩২৬, ৩০৭ ও ৫০৬ ধারার কথা উল্লেখ করেছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে-মামলার আসামিদের কাছ থেকে ২০ শতাংশ জমি বন্ধক নেওয়ার জের ধরে ৩ আগস্টা সকালে আসাদ মিয়া কাঁচি দিয়ে কল্পনার দুই হাতের কব্জি ও গলায় মারাত্মকভাবে আঘাত করেন। এছাড়া সাহারা বেগম রড দিয়ে পিটিয়ে কল্পনার পিঠে, কোমরে ও হাত-পায়ে নীলাফোলা জখম করেন। পরে তাকে উদ্ধার করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় স্বাক্ষীকে দিয়ে মামলার কাগজ পাঠান ওই নারী।সরেজমিনে অনুসন্ধান ও হাসপাতালের নথিতে সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র পাওয়া গেছে। হাসপাতালটির জরুরি বিভাগের নথিতে কল্পনার শরীরে কেবল কিছু নীলাফোলা জখমের উল্লেখ থাকলেও গুরুতর কোনো আঘাতের তথ্য নেই। এছাড়া সার্জারি বিভাগেও তাঁর ভর্তির কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। গত শনিবার কল্পনার বাড়িতে গিয়ে তার দুই হাতের কব্জিতে কোনো আঘাতের চিহ্নও দেখা যায়নি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোনো সদুত্তর না দিয়ে এড়িয়ে যান। তবে তিনি স্বীকার করেন- মূলত গত ২১ জুলাই মামলার আসামি ও তাঁদের স্বজনদের সঙ্গে একটি হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছিল। অথচ পুলিশ কোনো ধরনের প্রাথমিক তদন্ত ছাড়াই দণ্ডবিধির ৩২৬ ধারায় একটি মামলা নেন।স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার সঙ্গে ওই মামলা নিয়ে কথা হয়। তাঁরা জানিয়েছেন- ৩ আগস্ট উভয় পক্ষের মধ্যে ওই এলাকায় ওই ধরণের কোনো ঘটনাই ঘটেনি। 

মামলার বাদী কল্পনার এক প্রতিবেশী ফজলু মিয়া বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন- ওইদিন কোনো ঝামেলা না হওয়ার পরও কীভাবে মামলাটি রেকর্ড হলো, তা এলাকার কারও বোধগম্য নয়।মামলার প্রধান আসামি আসাদ মিয়া বলেন-‘পূর্বের শত্রুতার জের ধরে ২১ জুলাই দুপুরে ওই মামলার বাদী ও তাঁর শ্বশুর আব্দুল আওয়ালসহ অনেকেই আমার বাড়িতে ঢুকে আমাদের মারধর, স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা নিয়ে যান। এ ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ে পুলিশ সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহ করে। ঘটনার সত্যতা থাকায় আমি ২৩ জুলাই থানায় একটি মামলা দায়ের করি। এই মামলার আসামিরা আদালত থেকে জামিনে মুক্ত হওয়ার পর পূর্বের মামলার জের ধরে আমাদের হয়রানি ও চাপ প্রয়োগের উদ্দেশ্যে ওই মিথ্যা ভুয়া মামলাটি করায়। ৩ আগস্ট তাঁদের (মামলার বাদী) সঙ্গে আমাদের কোনো দেখায় হয়নি। মারামারির ঘটনার কোনো সুযোগই নাই। মামলায় বর্ণিত ঘটনা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও কল্পনাপ্রসূত। কোনো ধরণের তদন্ত ছাড়াই পুলিশ মামলাটি নিয়েছেন। যেখানে কোনো ঘটনায় ঘটেনি-সেখানে দণ্ডবিধির ৩২৬ ধারায় মামলাটি পুলিশ নিয়েছে। আমার অনুরোধ ৩ আগস্ট দেখানো ঘটনাটি নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ওই মিথ্যা মামলা থেকে আমাদের মুক্তি দেওয়া হক ।

আরেক আসামি সাহারা বেগম আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন-‘শরীরে কোনো আঘাত না থাকার পরও পুলিশ কীভাবে ৩২৬ ধারায় মামলা নিলো, তা নিয়ে আমরা চিন্তিত। মিথ্যা মামলায় তাদের কারাবাস বা হয়রানি হলে এর ক্ষতিপূরণ কে দেবে?’প্রাথমিক তদন্ত ছাড়া কীভাবে এমন মামলা রেকর্ড হলো, জানতে চাইলে মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ টি এম মাহমুদুল হক বলেন, ভুক্তভোগী নারীটি এসে অনেক চাপ প্রয়োগ করায় আপাতত এফআইআর করা হয়েছে। নারীটি বোরকা পরে আসায় তার শরীরে ক্ষতের চিহ্ন দেখার সুযোগ হয়নি। তবে কারও সুপারিশে মামলা নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরা হবে। এতে ঘটনাটি মিথ্যা হলে বাদীর বিপক্ষে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হবে এবং ব্যবস্থা নেয়া হবে।জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউসূফ আলী বলেন, প্রাথমিক তদন্ত ছাড়া এফআইআর করা পুলিশের চরম গাফিলতি। এক্ষেত্রে একজন নারী পুলিশ সদস্যকে দিয়ে আঘাতের স্থানগুলো পরীক্ষা করা বাধ্যতামূলক ছিল। কোনো মিথ্যা মামলায় বিবাদী পক্ষ হয়রানির শিকার হলে পুলিশ এর দায়ভার এড়াতে পারে না।জামালপুরের পুলিশ সুপার মোছাঃ ফারহানা ইয়াসমিন বলেন, আমি এই বিষয়টি নিয়ে ওসি সাহেবের সাথে কথা বলেছি। মূলত মহিলাটি হাসপাতাল থেকে ভর্তির কাগজ নিয়ে সে ‍ওসি সাহেবকে চাপ প্রয়োগ করে। এরপরে মামলা নেয়া হয়েছে এবং সেই মহিলাকে বলা হয়েছে- ৩২৬ এর সার্টিফিকেট না আসলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। মামলাটি তদন্ত হোক। আমরা হাসপাতালের কাছে সর্টিফিকেট চেয়েছি। হাসপাতাল কি সার্টিফিকেট দিবে, দেখা যাক। মেডিকেল রিপোর্ট হচ্ছে এক্সপার্ট অপিনিয়ন। সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা হবে। মহিলাটি মিথ্যা বলে থাকলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

কুষ্টিয়ায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে নারীর মৃত্যু, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে ২।

সকালের বার্তা ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:০৪ এএম
কুষ্টিয়ায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে নারীর মৃত্যু, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে ২।

তানভীর আজাদ কুষ্টিয়া প্রতিনিধি | সকালের বার্তা।

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে বসতবাড়ির জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলার অভিযোগে নাসিমা খাতুন (৪২) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২ নভেম্বর) ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে উপজেলার সদকী ইউনিয়নের বাটিকামারা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।নিহত নাসিমা খাতুন ওই এলাকার শহিদুলের স্ত্রী।

নিহতের পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে বসতবাড়ির জমি নিয়ে স্থানীয় প্রতিপক্ষের সঙ্গে তাঁদের বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে বিভিন্ন সময় হুমকি-ধমকিও দেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার ভোরে মসজিদপাড়া এলাকার জনে শেখের ছেলে মোমিনের নেতৃত্বে ৩০ থেকে ৪০ জনের একটি দল তাঁদের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়।

নিহতের মা আলেয়া খাতুনের অভিযোগ, হামলার সময় নাসিমা খাতুন বাধা দিতে এগিয়ে গেলে অভিযুক্ত আকরাম তাঁকে ধাক্কা দেন। এতে তিনি মাটিতে পড়ে যান। পরে তাঁর পুত্রবধূর চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে তাঁকে উদ্ধার করে কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন নিহতের স্বজনেরা।

কুমারখালী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আমিরুল ইসলাম জানান, নারীর মৃত্যুর ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইতোমধ্যে দুজনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে,ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে তদন্ত চলছে।

পরীক্ষাকেন্দ্র থেকে বহিষ্কারের জেরে বিস্ফোরণের অভিযোগ, তদন্তে আইনশৃঙ্খলা বাহিন।

সকালের বার্তা ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:০৪ এএম
পরীক্ষাকেন্দ্র থেকে বহিষ্কারের জেরে বিস্ফোরণের অভিযোগ, তদন্তে আইনশৃঙ্খলা বাহিন।

তানভীর আজাদ কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি।

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিস্ফোরণের ঘটনায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। এসএসসি নির্বাচনী পরীক্ষা চলাকালে ফিলিপনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কার্যালয় লক্ষ্য করে দুটি বোমা জাতীয় বস্তু নিক্ষেপ ও বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২ নভেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনার সূত্রপাত পরীক্ষার হল থেকে। পুলিশ ও শিক্ষার্থী সূত্রের বরাতে জানা যায়, নির্বাচনী পরীক্ষা চলাকালে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান আসাদ পাঁচ শিক্ষার্থীর কাছ থেকে মোবাইল ফোন জব্দ করেন। এ সময় পরীক্ষার নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগে তানজিন রহমান রিদু নামে এক শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়।

এরপর ওই শিক্ষার্থী কয়েকজন বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে বিদ্যালয়ে ফিরে প্রধান শিক্ষকের কার্যালয় লক্ষ্য করে দুটি বোমা জাতীয় বস্তু নিক্ষেপ করে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিস্ফোরণের বিকট শব্দে বিদ্যালয়ের ভেতরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়েছেন কি না, সে বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে মোটরসাইকেলটির মালিক হিসেবে কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ও ফিলিপনগর ইউনিয়নে জামায়াত মনোনীত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী খাজা আহমেদের নাম উঠে এসেছে বলে জানিয়েছেন দৌলতপুর থানার ওসি।

অভিযোগের বিষয়ে খাজা আহমেদের বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রশ্ন শুনে ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। পরে একাধিকবার চেষ্টা করেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান জানান, পরীক্ষার হলে নিয়ম ভঙ্গের কারণে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এক শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করে। এরপর বিদ্যালয়ের পাশে দুটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্তে মোটরসাইকেলটির মালিক হিসেবে জামায়াত নেতা খাজা আহমেদের নাম পাওয়া গেছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা হয়নি।

দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অনিন্দ্য গুহ বলেন, ঘটনাটি জানার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমন বিস্ফোরণের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার পেছনের কারণ উদ্‌ঘাটন, জড়িতদের শনাক্ত এবং বিদ্যালয়ে স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেশ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি উঠেছে।

মিরপুরে পুলিশ-শ্রমিক সংঘর্ষে বন্ধ মেট্রো-স্টেশন

সকালের বার্তা ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:০৪ এএম
মিরপুরে পুলিশ-শ্রমিক সংঘর্ষে বন্ধ মেট্রো-স্টেশন

মো: অমিত হাসান ঢাকা, ঢাকা মহানগর প্রতিনিধি

ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে রাজধানীর মিরপুরে পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে পুলিশ ও শ্রমিকদের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটছে। এমন পরিস্থিতিতে যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে মিরপুর-১১ নম্বর মেট্রোরেল স্টেশন।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল থেকে মিরপুর-১১ নম্বর এলাকায় সড়কে নেমে বিক্ষোভ শুরু করেন পোশাক শ্রমিকেরা। মিরপুর-১১ নম্বর মেট্রোরেল স্টেশন বন্ধ রাখার বিষয়টি এমআরটি পুলিশের কন্ট্রোল রুম থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

জানা যায়, সকাল থেকেই মিরপুর-১১ নম্বর সেকশনে পোশাক শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে উত্তেজনা ও সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরিস্থিতি সহিংস রূপ নেওয়ায় মেট্রোরেলের যাত্রী ও স্টেশনের সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে স্টেশনটির কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে মিরপুর-১১ নম্বর স্টেশনে কোনো ট্রেন থামছে না এবং যাত্রী ওঠানামাও করানো হচ্ছে না। তবে মেট্রোরেলের অন্য স্টেশনগুলোতে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে মিরপুর-১১ নম্বর স্টেশনটি পুনরায় চালু করা হবে বলে জানিয়েছে এমআরটি পুলিশ কন্ট্রোল রুম।