বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

নিষ্ঠা ও সফলতার এক অনন্য অধ্যায় সমাপ্ত করে কর্মজীবন থেকে অবসরে হাফেজ মুসান্নিফ আব্দুল্লাহ মুসাব্বিরের পিতা

জান্নাত আক্তার রিয়া, সাভার প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:০৪ এএম
নিষ্ঠা ও সফলতার এক অনন্য অধ্যায় সমাপ্ত করে কর্মজীবন থেকে অবসরে হাফেজ মুসান্নিফ আব্দুল্লাহ মুসাব্বিরের পিতা

নিষ্ঠা ও সফলতার এক অনন্য অধ্যায় সমাপ্ত করে দীর্ঘ চার দশকের বর্ণাঢ্য ও গৌরবোজ্জ্বল কর্মজীবনের ইতি টানলেন এক নিভৃতচারী কর্মবীর, হাফেজ মুসান্নিফ আব্দুল্লাহ মুসাব্বিরের শ্রদ্ধেয় পিতা। গতকাল ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখে নেস্কো (NESCO) কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক অত্যন্ত আবেগঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে তাঁর এই বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়। বিদ্যুৎ খাতের মতো একটি চ্যালেঞ্জিং সেক্টরে জীবনের বড় একটি সময় ব্যয় করে তিনি আজ এক নতুন জীবনে পা রাখলেন।

তাঁর এই দীর্ঘ পথচলা শুরু হয়েছিল ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৬ সালে তৎকালীন বিপিডিবি (BPDB) তে যোগদানের মাধ্যমে। দীর্ঘ সময় সেখানে অত্যন্ত নিষ্ঠা ও একাগ্রতার সাথে দায়িত্ব পালনের পর যখন প্রতিষ্ঠানটি নেস্কোর অন্তর্ভুক্ত হয়, তখনও তিনি তাঁর কর্মদক্ষতার স্বাক্ষর রেখে চলেন। জীবনের ৪০টি বছর তিনি নিরবচ্ছিন্নভাবে দেশের সেবা করেছেন এবং প্রতিটি পর্যায়ে নিজের সততার পরিচয় দিয়েছেন। গতকাল সেই দীর্ঘ যাত্রার সফল সমাপ্তি ঘটল। অফিসের সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের ফুলেল শুভেচ্ছা আর ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে তিনি তাঁর প্রিয় কর্মস্থল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় নেন। এ সময় এক আবেগপ্রবণ পরিবেশের সৃষ্টি হয়, যেখানে দীর্ঘদিনের কর্মসঙ্গীরা তাঁদের প্রিয় মানুষটিকে বিদায় জানাতে গিয়ে স্মৃতিকাতর হয়ে পড়েন।

পিতার এই বিশেষ এবং স্মরণীয় দিনটি উপলক্ষে মাদ্রাসাতু জামিউল উলুম মুসাব্বির-এর প্রধান পরিচালক ও শিক্ষক হাফেজ মুসান্নিফ আব্দুল্লাহ মুসাব্বির তাঁর হৃদয়ের গভীর থেকে অনুভূতি ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, বাবার দীর্ঘ চার দশকব্যাপী এই কর্মজীবন আমার কাছে শুধু একটি চাকরি বা জীবিকা নির্বাহের মাধ্যম নয়, বরং এটি সততা, নিষ্ঠা এবং অসীম ধৈর্যের একটি জীবন্ত পাঠশালা। ১৯৮৬ সাল থেকে শুরু করে আজ ২০২৬ পর্যন্ত প্রতিটি দিন তিনি আমাদের হাতেকলমে শিখিয়েছেন কীভাবে প্রতিকূলতার মাঝেও নিজের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে হয়। তিনি কখনো অন্যায়ের সাথে আপস করেননি এবং নিজের কাজকে ইবাদত হিসেবে গণ্য করেছেন। আজ তিনি যখন সশরীরে কর্মক্ষেত্র থেকে অবসরে যাচ্ছেন, একজন সন্তান হিসেবে আমি নিজেকে অত্যন্ত সৌভাগ্যবান ও গর্বিত মনে করছি। বাবার আগামীর অবসর জীবন যেন ইবাদত, সুস্থতা ও মানসিক প্রশান্তিতে কাটে, এটাই এখন মহান আল্লাহর কাছে আমার একমাত্র প্রার্থনা।

নেস্কো কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এই বিদায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত তাঁর সহকর্মীরা তাঁদের বক্তব্যে বিদায়ী এই মানুষটির অমায়িক ব্যবহার এবং পেশাদারিত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তাঁরা উল্লেখ করেন যে, ১৯৮৬ থেকে ২০২৬ পর্যন্ত এই বিশাল কর্মযজ্ঞে তিনি ছিলেন একজন আদর্শ পথপ্রদর্শক। বিদ্যুৎ খাতের বিভিন্ন সংকটে ও সাফল্যে তাঁর অবদান প্রতিষ্ঠানটি সবসময় কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করবে। বক্তারা বলেন, একজন দক্ষ কর্মী হিসেবে তিনি যেমন সফল ছিলেন, তেমনি একজন ভালো মানুষ হিসেবে সবার কাছে প্রিয় ছিলেন। কর্মজীবন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবসর নিলেও তিনি তাঁর কাজের মাধ্যমে এবং আদর্শের মধ্য দিয়ে সহকর্মীদের হৃদয়ে ও নেস্কো পরিবারের ইতিহাসে চিরকাল অম্লান হয়ে থাকবেন। বিদায় বেলা শেষে সবাই তাঁর দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনা করেন।

সন্তানের জন্মদিন ও দাদার মৃত্যুবার্ষিকীতে নাগরপুরে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা: প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:০৯ পিএম
সন্তানের জন্মদিন ও দাদার মৃত্যুবার্ষিকীতে নাগরপুরে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

সন্তানের জন্মদিনের আনন্দকে মানবসেবায় উৎসর্গ এবং প্রয়াত দাদার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে টাঙ্গাইলের নাগরপুরে বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হয়েছে।

রবিবার (১ নভেম্বর) বাদ আসর থেকে বাদ এশা পর্যন্ত নাগরপুর বাজারে অবস্থিত মুকতাদির হোমিও চিকিৎসা কেন্দ্রের উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
মুকতাদির হোমিও চিকিৎসা কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. এম. এ. মান্নানের ছোট ছেলে মাহিরের চতুর্থ জন্মবার্ষিকী এবং তাঁর দাদা, বিশিষ্ট হোমিওপ্যাথিক অনুরাগী মরহুম আইয়ূব আলীর ১৬তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এ মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

ক্যাম্পেইনে বিনামূল্যে সাধারণ চিকিৎসা পরামর্শ, ডায়াবেটিস পরীক্ষা (ব্লাড সুগার), রক্তের গ্রুপ নির্ণয়, ওজন পরিমাপ ও ওষুধ বিতরণ করা হয়। এ সময় স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ বিনামূল্যে এসব স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করেন।

কর্মসূচিতে চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন ডা. এম. এ. মান্নান। ব্যক্তিগত জীবনের আনন্দ ও স্মৃতিবিজড়িত দুটি বিশেষ দিনকে কেন্দ্র করে মানুষের কল্যাণে এমন উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে প্রশংসনীয় মানবিক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আয়োজক ডা. এম. এ. মান্নান বলেন, মহান আল্লাহর দেওয়া প্রতিটি নিয়ামতের জন্য শুকরিয়া আদায় করা আমাদের দায়িত্ব। সন্তানের জন্মবার্ষিকীকে মানুষের সেবার মাধ্যমে স্মরণীয় করে রাখা এবং মরহুম দাদার স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে এ আয়োজন করা হয়েছে। মানুষের কল্যাণে কাজ করা এবং অসহায় ও অসুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক, সামাজিক ও মানবিক দায়িত্ব। ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ছোট ছেলে মাহির, বড় ছেলে মুকতাদির এবং ভাতিজি মাছুমার সুস্বাস্থ্য, নেক হায়াত ও সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনা করেন। পাশাপাশি মরহুম দাদা আইয়ূব আলী, নানা আজমত আলী, চাচা কাইয়ূম এবং প্রয়াত দাদি ও নানির রুহের মাগফিরাত কামনায় তিনি সবার কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন।

উল্লেখ্য, মুকতাদির হোমিও চিকিৎসা কেন্দ্র নাগরপুর বাজারে অবস্থিত। প্রতিষ্ঠানটির এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি এবং বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের মাধ্যমে সামাজিক ও মানবিক দায়িত্ব পালন করা।

মিরপুরে এইচএসসিতে শ্রেষ্ঠত্বের শীর্ষে সাগরখালী আদর্শ ডিগ্রী কলেজ

আসাদুল ইসলাম মিরপুর উপজেলা প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:৫৬ এএম
মিরপুরে এইচএসসিতে শ্রেষ্ঠত্বের শীর্ষে সাগরখালী আদর্শ ডিগ্রী কলেজ

এইচএসসি পরীক্ষা-২০২৬-এর ফলাফলে সাফল্য ধরে রেখে আবারও কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছে ঐতিহ্যবাহী সাগরখালী আদর্শ ডিগ্রী কলেজ।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণ করে জানা যায়, এবার কলেজটি থেকে মোট ১৬৬ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। এর মধ্যে পাস করেছে ১০৩ জন শিক্ষার্থী এবং ৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। পাসের হার ৬২ শতাংশ। বস্তুনিষ্ঠ ও গুণগত শিক্ষার ধারাবাহিকতায় উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ফলাফলের দিক থেকে শীর্ষ স্থান ধরে রেখেছে প্রতিষ্ঠানটি।
উল্লেখ্য, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সাগরখালী আদর্শ ডিগ্রী কলেজ এইচএসসি পাবলিক পরীক্ষায় উপজেলার সেরা প্রতিষ্ঠানের তালিকায় ধারাবাহিকভাবে অবস্থান তৈরি করে আসছে। শুধু উপজেলা পর্যায়ই নয়, ইতিপূর্বে ২০০৯, ২০১৬ এবং ২০২৪ সালে কুষ্টিয়া জেলার মধ্যেও প্রথম স্থান অর্জন করার গৌরব দেখিয়েছিল কলেজটি। তারই সুসংহত ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায়ও উপজেলার শীর্ষে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখলো সাগরখালী আদর্শ ডিগ্রী কলেজ।
প্রতিষ্ঠানের এই চমকপ্রদ সাফল্যের বিষয়ে জানতে চাইলে সাগরখালী আদর্শ ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ রবিউল ইসলাম অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন- “আমাদের নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষকমণ্ডলী, কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সম্মানিত সদস্যবৃন্দ, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সর্বস্তরের এলাকাবাসীর আন্তরিক সহযোগিতা ও প্রচেষ্টায় আল্লাহর অশেষ রহমতে এই সাফল্য অর্জিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি ও আগামী দিনে আরও ভালো ফলাফলের জন্য আমি সমগ্র এলাকাবাসীর কাছে দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।”
কলেজের এই ধারাবাহিক সাফল্যের খবরে শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং স্থানীয় সুধীজনদের মাঝে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস দেখা গেছে।

মানিকগঞ্জে ককটেল ফাটিয়ে পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যালয় দখলের অভিযোগ

মোঃ জুয়েল মিয়া (মানিকগঞ্জ) প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:০৫ পিএম
মানিকগঞ্জে ককটেল ফাটিয়ে পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যালয় দখলের অভিযোগ

 

মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডের পৌর টার্মিনালে জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যালয় জোরপূর্বক দখল, ককটেল বিস্ফোরণ, ব্যাপক ভাঙচুর এবং কর্মচারীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আঃ কাদের ও সুমনসহ অজ্ঞাতনামা ৪০ থেকে ৫০ জনকে অভিযুক্ত করে মানিকগঞ্জ সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন মোঃ রাজা মিয়া (৫৬)।

​বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন অনুমোদিত মানিকগঞ্জ জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাজা মিয়া অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের ৪ ডিসেম্বর বিধি অনুযায়ী কমিটি গঠনের পর থেকে তারা নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলেন। তবে শুক্রবার বিকেলে হঠাৎ করে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র—যেমন ককটেল, লোহার রড, চাপাতি, হকিস্টিক ও কাঠের বাটাম নিয়ে অতর্কিতভাবে কার্যালয়ে প্রবেশ করে তা দখলের চেষ্টা চালায়।

​অভিযোগপত্র অনুযায়ী, ঘটনার সময় আঃ কাদের ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে বাসস্ট্যান্ডের পৌর টার্মিনাল এলাকায় তীব্র আতঙ্ক সৃষ্টি করেন। একই সময়ে ২ নম্বর অভিযুক্ত সুমন ধারালো চাপাতি দিয়ে কার্যালয়ের ভেতরে থাকা বিভিন্ন আসবাবপত্র কুপিয়ে ভাঙচুর ও তছনছ করেন। হামলাকারীরা সেখানে দায়িত্বরত কর্মচারীদের বেধড়ক মারধর করে আহত করে। একপর্যায়ে অভিযুক্তরা কার্যালয়টি জোরপূর্বক নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বাইরে থেকে তালা ঝুলিয়ে দেয়। পরবর্তীতে সেখানে কেউ প্রবেশ করলে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকিও দেওয়া হয় বলে ভুক্তভোগী দাবি করেন।

​এ ঘটনায় নিজের ও কার্যালয়ের কর্মচারীদের জীবন নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতার কথা উল্লেখ করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।

​অভিযোগের বিষয়ে জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আব্দুল কাদেরের মতামত চাওয়া হলে তিনি কার্যালয়ে তালা দেওয়ার বিষয়টি জানা নেই বলে জানান।

​মানিকগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মনির হোসেন জানান, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।