বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

কায়সার-নিলুফার কলেজে পুরস্কার বিতরণ ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা

সাইফুল ইসলাম, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬, ১১:২৯ পিএম
কায়সার-নিলুফার কলেজে পুরস্কার বিতরণ ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা

ছবি- সকালের বার্তা

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন কায়সার-নিলুফার কলেজের উদ্যোগে বার্ষিক ক্রীড়া, সাহিত্য-সাংস্কৃতিক পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা জাঁকজমকপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১৫ জুন সোমবার কলেজের হলরুমে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডাঃ শাহাদাত হোসেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ড. কিসিঞ্জার চাকমা, উপসচিব ও প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন।

পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও অন্যান্য ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়। পরে সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়।

কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক টিংকু চক্রবর্তী এবং সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক নুসরাত জাহান নূরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন কলেজের অধ্যক্ষ সৈয়দা মোসাম্মৎ সারওয়াত জাহান।

অনুষ্ঠানে বিদায়ী শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষাজীবনের নানা স্মৃতিচারণ ও অনুভূতি ব্যক্ত করেন। এ সময় অতিথিবৃন্দ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন এবং ভবিষ্যৎ জীবনে সাফল্য, সততা ও মানবিক মূল্যবোধের চর্চার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। নবীন ও বিদায়ী শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন। পাশাপাশি দেশাত্মবোধক গান, আবৃত্তি, নৃত্যসহ মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়।
বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার বিভিন্ন ইভেন্টে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয় এবং বিদায়ী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

সবশেষে সভাপতির সমাপনী বক্তব্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে। আনন্দঘন ও প্রাণবন্ত পরিবেশে আয়োজিত এ অনুষ্ঠান শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি করে।

উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন কায়সার-নিলুফার কলেজ চট্টগ্রামের অন্যতম স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। অভিজ্ঞ ও দক্ষ শিক্ষকবৃন্দের তত্ত্বাবধানে পাঠদানের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মেধা, মনন ও সৃজনশীলতা বিকাশে নিয়মিত ক্রীড়া, সাহিত্য, সাংস্কৃতিক ও বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে।

শিক্ষার মানোন্নয়ন, শৃঙ্খলাপূর্ণ পরিবেশ, আধুনিক পাঠদান ব্যবস্থা, সন্তোষজনক ফলাফল এবং শিক্ষার্থীদের সার্বিক বিকাশে প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের জন্য একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম চলমান রয়েছে। যারা মানসম্মত শিক্ষা, নৈতিক মূল্যবোধ, সহশিক্ষা কার্যক্রম এবং একটি সুন্দর শিক্ষাবান্ধব পরিবেশে পড়াশোনা করতে আগ্রহী, তাদের জন্য চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন কায়সার-নিলুফার কলেজ হতে পারে একটি আদর্শ ঠিকানা।

কুষ্টিয়ায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে নারীর মৃত্যু, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে ২।

সকালের বার্তা ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:০৪ এএম
কুষ্টিয়ায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে নারীর মৃত্যু, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে ২।

তানভীর আজাদ কুষ্টিয়া প্রতিনিধি | সকালের বার্তা।

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে বসতবাড়ির জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলার অভিযোগে নাসিমা খাতুন (৪২) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২ নভেম্বর) ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে উপজেলার সদকী ইউনিয়নের বাটিকামারা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।নিহত নাসিমা খাতুন ওই এলাকার শহিদুলের স্ত্রী।

নিহতের পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে বসতবাড়ির জমি নিয়ে স্থানীয় প্রতিপক্ষের সঙ্গে তাঁদের বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে বিভিন্ন সময় হুমকি-ধমকিও দেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার ভোরে মসজিদপাড়া এলাকার জনে শেখের ছেলে মোমিনের নেতৃত্বে ৩০ থেকে ৪০ জনের একটি দল তাঁদের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়।

নিহতের মা আলেয়া খাতুনের অভিযোগ, হামলার সময় নাসিমা খাতুন বাধা দিতে এগিয়ে গেলে অভিযুক্ত আকরাম তাঁকে ধাক্কা দেন। এতে তিনি মাটিতে পড়ে যান। পরে তাঁর পুত্রবধূর চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে তাঁকে উদ্ধার করে কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন নিহতের স্বজনেরা।

কুমারখালী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আমিরুল ইসলাম জানান, নারীর মৃত্যুর ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইতোমধ্যে দুজনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে,ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে তদন্ত চলছে।

পরীক্ষাকেন্দ্র থেকে বহিষ্কারের জেরে বিস্ফোরণের অভিযোগ, তদন্তে আইনশৃঙ্খলা বাহিন।

সকালের বার্তা ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:০৪ এএম
পরীক্ষাকেন্দ্র থেকে বহিষ্কারের জেরে বিস্ফোরণের অভিযোগ, তদন্তে আইনশৃঙ্খলা বাহিন।

তানভীর আজাদ কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি।

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিস্ফোরণের ঘটনায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। এসএসসি নির্বাচনী পরীক্ষা চলাকালে ফিলিপনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কার্যালয় লক্ষ্য করে দুটি বোমা জাতীয় বস্তু নিক্ষেপ ও বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২ নভেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনার সূত্রপাত পরীক্ষার হল থেকে। পুলিশ ও শিক্ষার্থী সূত্রের বরাতে জানা যায়, নির্বাচনী পরীক্ষা চলাকালে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান আসাদ পাঁচ শিক্ষার্থীর কাছ থেকে মোবাইল ফোন জব্দ করেন। এ সময় পরীক্ষার নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগে তানজিন রহমান রিদু নামে এক শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়।

এরপর ওই শিক্ষার্থী কয়েকজন বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে বিদ্যালয়ে ফিরে প্রধান শিক্ষকের কার্যালয় লক্ষ্য করে দুটি বোমা জাতীয় বস্তু নিক্ষেপ করে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিস্ফোরণের বিকট শব্দে বিদ্যালয়ের ভেতরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়েছেন কি না, সে বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে মোটরসাইকেলটির মালিক হিসেবে কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ও ফিলিপনগর ইউনিয়নে জামায়াত মনোনীত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী খাজা আহমেদের নাম উঠে এসেছে বলে জানিয়েছেন দৌলতপুর থানার ওসি।

অভিযোগের বিষয়ে খাজা আহমেদের বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রশ্ন শুনে ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। পরে একাধিকবার চেষ্টা করেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান জানান, পরীক্ষার হলে নিয়ম ভঙ্গের কারণে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এক শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করে। এরপর বিদ্যালয়ের পাশে দুটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্তে মোটরসাইকেলটির মালিক হিসেবে জামায়াত নেতা খাজা আহমেদের নাম পাওয়া গেছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা হয়নি।

দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অনিন্দ্য গুহ বলেন, ঘটনাটি জানার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমন বিস্ফোরণের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার পেছনের কারণ উদ্‌ঘাটন, জড়িতদের শনাক্ত এবং বিদ্যালয়ে স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেশ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি উঠেছে।

মিরপুরে পুলিশ-শ্রমিক সংঘর্ষে বন্ধ মেট্রো-স্টেশন

সকালের বার্তা ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:০৪ এএম
মিরপুরে পুলিশ-শ্রমিক সংঘর্ষে বন্ধ মেট্রো-স্টেশন

মো: অমিত হাসান ঢাকা, ঢাকা মহানগর প্রতিনিধি

ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে রাজধানীর মিরপুরে পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে পুলিশ ও শ্রমিকদের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটছে। এমন পরিস্থিতিতে যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে মিরপুর-১১ নম্বর মেট্রোরেল স্টেশন।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল থেকে মিরপুর-১১ নম্বর এলাকায় সড়কে নেমে বিক্ষোভ শুরু করেন পোশাক শ্রমিকেরা। মিরপুর-১১ নম্বর মেট্রোরেল স্টেশন বন্ধ রাখার বিষয়টি এমআরটি পুলিশের কন্ট্রোল রুম থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

জানা যায়, সকাল থেকেই মিরপুর-১১ নম্বর সেকশনে পোশাক শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে উত্তেজনা ও সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরিস্থিতি সহিংস রূপ নেওয়ায় মেট্রোরেলের যাত্রী ও স্টেশনের সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে স্টেশনটির কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে মিরপুর-১১ নম্বর স্টেশনে কোনো ট্রেন থামছে না এবং যাত্রী ওঠানামাও করানো হচ্ছে না। তবে মেট্রোরেলের অন্য স্টেশনগুলোতে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে মিরপুর-১১ নম্বর স্টেশনটি পুনরায় চালু করা হবে বলে জানিয়েছে এমআরটি পুলিশ কন্ট্রোল রুম।