মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

সরকারের ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নস্যাতের অপচেষ্টা! লামায় রেঞ্জ কর্মকর্তা আলতাফের প্রচ্ছদে বেপরোয়া কাঠ পাচার সিন্ডিকেট

সকালের বার্তা ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:২৯ পিএম
সরকারের ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নস্যাতের অপচেষ্টা! লামায় রেঞ্জ কর্মকর্তা আলতাফের প্রচ্ছদে বেপরোয়া কাঠ পাচার সিন্ডিকেট

পরিবেশের ভারসাম্য সংরক্ষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় সারা দেশে আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের এক যুগান্তকারী ও দূরদর্শী কর্মসূচি গ্রহণ করেছে সরকার। তবে পার্বত্য বান্দরবানের লামা বন বিভাগে একশ্রেণির দায়িত্বজ্ঞানহীন কর্মকর্তা-কর্মচারীর অসদাচরণ, অনিয়ম ও কাঠ পাচারকারী চক্রের সক্রিয়তার কারণে সরকারের এই প্রশংসনীয় উদ্যোগ মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।

অভিযোগ উঠেছে, লামা বন বিভাগের ডলুছড়ি রেঞ্জাধীন সরই সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে অবাধে নিধন ও পাচার করা হচ্ছে শতবর্ষী প্রাকৃতিক গর্জন গাছ (মাদার ট্রি)। ডলুছড়ি রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা (রেঞ্জার) এ কে এম আলতাফ হোসেন এবং সরই বিট কর্মকর্তা মিজানুর রহমানের প্রত্যক্ষ যোগসাজশে কতিপয় অসাধু কাঠ ব্যবসায়ীর অনৈতিক বাণিজ্যের কারণে সরকারি বনভূমি দ্রুত সংকুচিত হচ্ছে। এর ফলে পার্বত্য অঞ্চলের প্রাকৃতিক পরিবেশ অপূরণীয় ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে এবং ক্ষুণ্ন হচ্ছে সরকারের ভাবমূর্তি।

সম্প্রতি সরই ইউনিয়নের আমতলী সংরক্ষিত বনভূমিতে সরেজমিনে অনুসন্ধানে গিয়ে পরিবেশ বিনাশের এক আশঙ্কাজনক চিত্র পরিলক্ষিত হয়। বনের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন স্থানে নিধনকৃত অর্ধশতাধিক গর্জন গাছের মোথা (গোড়া) পড়ে থাকতে দেখা যায়। গহীন অরণ্যে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে কেটে রাখা বিপুল পরিমাণ বিশাল আকৃতির কাঠের গুঁড়ি। বাস্তুসংস্থানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এসব ‘মাদার ট্রি’ অবৈধভাবে বিক্রি করে কোটি কোটি টাকার কারবার পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, লামা অঞ্চল থেকে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে অবৈধ কাঠ পরিবহনের প্রধান পথ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে ডলুছড়ি রেঞ্জ এলাকা। এই চক্রের অন্যতম নিয়ন্ত্রক হিসেবে অভিযুক্ত বিট কর্মকর্তা মিজানুর রহমান। বন বিভাগের বিদ্যমান বিধিমালা অনুযায়ী জোত পারমিটের আওতায় কাঠ লোড করার সময় সংশ্লিষ্ট বন কর্মকর্তার সরেজমিনে উপস্থিত থেকে সার্বিক কার্যক্রম তদারকি করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু বাস্তবে এই নিয়ম অনুসরণের কোনো প্রতিফলন দেখা যায় না।

অভিযোগ রয়েছে, ডলুছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তা এ কে এম আলতাফ হোসেন দফতরে বসেই পারমিটপ্রতি নির্ধারিত অর্থের বিনিময়ে অনৈতিক সুযোগ-সুবিধা প্রদান করেন। এর সুবাদে গভীর রাতে বেআইনিভাবে ট্রাকে কাঠ লোড করা হয়। পরদিন সকালে আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে পরিবহন পারমিটে (টিপি) স্বাক্ষর করে উক্ত অবৈধ কাঠকে বৈধতা দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে এসব চোরাই কাঠের চালান লামার ফাইতং, আজিজনগর ও সরই সড়ক দিয়ে অবাধে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পৌঁছে যায়।

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, একদিকে বর্তমান সরকার পরিবেশ রক্ষা ও সবুজ বেষ্টনী গড়ে তুলতে শত কোটি টাকা ব্যয়ে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে; অন্যদিকে বন বিভাগের দায়িত্বে থাকা রক্ষকদের একাংশের পরোক্ষ মদদে ধ্বংস হচ্ছে শতাব্দীর প্রাচীন বনাঞ্চল। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের রাজস্ব ফাঁকি ও অসদাচরণের কারণে সরকারের জনকল্যাণমুখী ভাবমূর্তি চরম প্রশ্নের মুখে পড়ছে।

বনাঞ্চল রক্ষা ও সরকারি রাজস্ব ক্ষতি রোধে ডলুছড়ি ও সরই এলাকার বাসিন্দা এবং পরিবেশপ্রেমী নাগরিকরা গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা অবিলম্বে রেঞ্জ কর্মকর্তা এ কে এম আলতাফ হোসেন এবং বিট কর্মকর্তা মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে বিভাগীয় উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে কঠোর প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জোরালো দাবি জানিয়েছেন। একইসঙ্গে কোনো অশুভ চক্রান্তের অংশ হিসেবে সরকারি অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত কর্মসূচি নস্যাতে তারা লিপ্ত রয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীরা।

এলাকাবাসীর মতে, বনভূমির এই অসাধু চক্রকে দ্রুত অপসারণ ও আইনের আওতায় আনা না হলে পার্বত্য বান্দরবানের প্রাকৃতিক পরিবেশ ও ঐতিহ্যবাহী প্রাকৃতিক বনাঞ্চল অচিরেই বিলুপ্তির পথে ধাবিত হবে।

সন্তানের জন্মদিন ও দাদার মৃত্যুবার্ষিকীতে নাগরপুরে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা: প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:০৯ পিএম
সন্তানের জন্মদিন ও দাদার মৃত্যুবার্ষিকীতে নাগরপুরে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

সন্তানের জন্মদিনের আনন্দকে মানবসেবায় উৎসর্গ এবং প্রয়াত দাদার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে টাঙ্গাইলের নাগরপুরে বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হয়েছে।

রবিবার (১ নভেম্বর) বাদ আসর থেকে বাদ এশা পর্যন্ত নাগরপুর বাজারে অবস্থিত মুকতাদির হোমিও চিকিৎসা কেন্দ্রের উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
মুকতাদির হোমিও চিকিৎসা কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. এম. এ. মান্নানের ছোট ছেলে মাহিরের চতুর্থ জন্মবার্ষিকী এবং তাঁর দাদা, বিশিষ্ট হোমিওপ্যাথিক অনুরাগী মরহুম আইয়ূব আলীর ১৬তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এ মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

ক্যাম্পেইনে বিনামূল্যে সাধারণ চিকিৎসা পরামর্শ, ডায়াবেটিস পরীক্ষা (ব্লাড সুগার), রক্তের গ্রুপ নির্ণয়, ওজন পরিমাপ ও ওষুধ বিতরণ করা হয়। এ সময় স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ বিনামূল্যে এসব স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করেন।

কর্মসূচিতে চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন ডা. এম. এ. মান্নান। ব্যক্তিগত জীবনের আনন্দ ও স্মৃতিবিজড়িত দুটি বিশেষ দিনকে কেন্দ্র করে মানুষের কল্যাণে এমন উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে প্রশংসনীয় মানবিক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আয়োজক ডা. এম. এ. মান্নান বলেন, মহান আল্লাহর দেওয়া প্রতিটি নিয়ামতের জন্য শুকরিয়া আদায় করা আমাদের দায়িত্ব। সন্তানের জন্মবার্ষিকীকে মানুষের সেবার মাধ্যমে স্মরণীয় করে রাখা এবং মরহুম দাদার স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে এ আয়োজন করা হয়েছে। মানুষের কল্যাণে কাজ করা এবং অসহায় ও অসুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক, সামাজিক ও মানবিক দায়িত্ব। ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ছোট ছেলে মাহির, বড় ছেলে মুকতাদির এবং ভাতিজি মাছুমার সুস্বাস্থ্য, নেক হায়াত ও সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনা করেন। পাশাপাশি মরহুম দাদা আইয়ূব আলী, নানা আজমত আলী, চাচা কাইয়ূম এবং প্রয়াত দাদি ও নানির রুহের মাগফিরাত কামনায় তিনি সবার কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন।

উল্লেখ্য, মুকতাদির হোমিও চিকিৎসা কেন্দ্র নাগরপুর বাজারে অবস্থিত। প্রতিষ্ঠানটির এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি এবং বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের মাধ্যমে সামাজিক ও মানবিক দায়িত্ব পালন করা।

মিরপুরে এইচএসসিতে শ্রেষ্ঠত্বের শীর্ষে সাগরখালী আদর্শ ডিগ্রী কলেজ

আসাদুল ইসলাম মিরপুর উপজেলা প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:৫৬ এএম
মিরপুরে এইচএসসিতে শ্রেষ্ঠত্বের শীর্ষে সাগরখালী আদর্শ ডিগ্রী কলেজ

এইচএসসি পরীক্ষা-২০২৬-এর ফলাফলে সাফল্য ধরে রেখে আবারও কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছে ঐতিহ্যবাহী সাগরখালী আদর্শ ডিগ্রী কলেজ।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণ করে জানা যায়, এবার কলেজটি থেকে মোট ১৬৬ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। এর মধ্যে পাস করেছে ১০৩ জন শিক্ষার্থী এবং ৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। পাসের হার ৬২ শতাংশ। বস্তুনিষ্ঠ ও গুণগত শিক্ষার ধারাবাহিকতায় উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ফলাফলের দিক থেকে শীর্ষ স্থান ধরে রেখেছে প্রতিষ্ঠানটি।
উল্লেখ্য, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সাগরখালী আদর্শ ডিগ্রী কলেজ এইচএসসি পাবলিক পরীক্ষায় উপজেলার সেরা প্রতিষ্ঠানের তালিকায় ধারাবাহিকভাবে অবস্থান তৈরি করে আসছে। শুধু উপজেলা পর্যায়ই নয়, ইতিপূর্বে ২০০৯, ২০১৬ এবং ২০২৪ সালে কুষ্টিয়া জেলার মধ্যেও প্রথম স্থান অর্জন করার গৌরব দেখিয়েছিল কলেজটি। তারই সুসংহত ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায়ও উপজেলার শীর্ষে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখলো সাগরখালী আদর্শ ডিগ্রী কলেজ।
প্রতিষ্ঠানের এই চমকপ্রদ সাফল্যের বিষয়ে জানতে চাইলে সাগরখালী আদর্শ ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ রবিউল ইসলাম অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন- “আমাদের নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষকমণ্ডলী, কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সম্মানিত সদস্যবৃন্দ, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সর্বস্তরের এলাকাবাসীর আন্তরিক সহযোগিতা ও প্রচেষ্টায় আল্লাহর অশেষ রহমতে এই সাফল্য অর্জিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি ও আগামী দিনে আরও ভালো ফলাফলের জন্য আমি সমগ্র এলাকাবাসীর কাছে দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।”
কলেজের এই ধারাবাহিক সাফল্যের খবরে শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং স্থানীয় সুধীজনদের মাঝে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস দেখা গেছে।

মানিকগঞ্জে ককটেল ফাটিয়ে পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যালয় দখলের অভিযোগ

মোঃ জুয়েল মিয়া (মানিকগঞ্জ) প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:০৫ পিএম
মানিকগঞ্জে ককটেল ফাটিয়ে পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যালয় দখলের অভিযোগ

 

মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডের পৌর টার্মিনালে জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যালয় জোরপূর্বক দখল, ককটেল বিস্ফোরণ, ব্যাপক ভাঙচুর এবং কর্মচারীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আঃ কাদের ও সুমনসহ অজ্ঞাতনামা ৪০ থেকে ৫০ জনকে অভিযুক্ত করে মানিকগঞ্জ সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন মোঃ রাজা মিয়া (৫৬)।

​বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন অনুমোদিত মানিকগঞ্জ জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাজা মিয়া অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের ৪ ডিসেম্বর বিধি অনুযায়ী কমিটি গঠনের পর থেকে তারা নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলেন। তবে শুক্রবার বিকেলে হঠাৎ করে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র—যেমন ককটেল, লোহার রড, চাপাতি, হকিস্টিক ও কাঠের বাটাম নিয়ে অতর্কিতভাবে কার্যালয়ে প্রবেশ করে তা দখলের চেষ্টা চালায়।

​অভিযোগপত্র অনুযায়ী, ঘটনার সময় আঃ কাদের ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে বাসস্ট্যান্ডের পৌর টার্মিনাল এলাকায় তীব্র আতঙ্ক সৃষ্টি করেন। একই সময়ে ২ নম্বর অভিযুক্ত সুমন ধারালো চাপাতি দিয়ে কার্যালয়ের ভেতরে থাকা বিভিন্ন আসবাবপত্র কুপিয়ে ভাঙচুর ও তছনছ করেন। হামলাকারীরা সেখানে দায়িত্বরত কর্মচারীদের বেধড়ক মারধর করে আহত করে। একপর্যায়ে অভিযুক্তরা কার্যালয়টি জোরপূর্বক নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বাইরে থেকে তালা ঝুলিয়ে দেয়। পরবর্তীতে সেখানে কেউ প্রবেশ করলে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকিও দেওয়া হয় বলে ভুক্তভোগী দাবি করেন।

​এ ঘটনায় নিজের ও কার্যালয়ের কর্মচারীদের জীবন নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতার কথা উল্লেখ করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।

​অভিযোগের বিষয়ে জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আব্দুল কাদেরের মতামত চাওয়া হলে তিনি কার্যালয়ে তালা দেওয়ার বিষয়টি জানা নেই বলে জানান।

​মানিকগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মনির হোসেন জানান, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।