বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

গফরগাঁওয়ে চাচার ২০ শতাংশ  জমি কৌশলে লিখে নেয় ভাতিজা

বিশেষ প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:১৮ এএম
গফরগাঁওয়ে চাচার ২০ শতাংশ  জমি কৌশলে লিখে নেয় ভাতিজা

ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলার চরমছলন্দ গ্রামের মাইজপাড়া এলাকায় প্রভাবখাটিয়ে রইছ উদ্দিন (৭০) নামের এক ব্যক্তির বসতবাড়ীর ২০ শতাংশ জমি লিখে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তারই ভাতিজা রফিকুল ইসলাম ভুট্টুর বিরুদ্ধে। এঘটনায় স্থানীয় এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যেও নানা উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। রইছ উদ্দিন এবং রফিকুল ইসলাম ভুট্টো আপন চাচা-ভাতিজা।

জানা গেছে, বিগত কয়েকবছর আগে জমির খতিয়ানে উল্লেখিত ৮৩২৭ এর একটি দাগ নম্বরে চাচা রইছ উদ্দিনের নামে ৩৬ শতাংশ জায়গা রেকর্ড হয়। পরে সেখানে রেকর্ড ভেঙে জমির অংশ দাবি করেন ভাতিজা রফিকুল ইসলাম ভুট্টো। তাদের মধ্যে জমিজমার পৈত্রিক সুত্রে এই জমির মালিকানার অংশ দাবী করে দীর্ঘদিন ধরেই কৌশলে সুযোগ খুজছিলপন খুজছিলেন রফিকুল ইসলাম (ভুট্টো)।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাইজপাড়া এলাকার মৃত আপ্তর আলীর ছেলে রইছ উদ্দিন (৭০) একজন সহজ সরল ও বয়সের ভাড়ে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধি নামেও পরিচিত। খোকন ও বিল্লাল নামে তার দুই ছেলে রয়েছে। তার ছেলে খোকন মিয়া প্রবাসে থাকার সুযোগে চাচাকে রেকর্ড ভাঙ্গার কথা বলে গফরগাঁও উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার অফিসে নিয়ে যান ভাতিজা রফিকুল ইসলাম। পরে কৌশলে তার কাছ থেকে ২০ শতাংশ জমি লিখে নেয় সে। এরই মধ্যে বসতবাড়ি আঙ্গিনা থেকে জোরপূর্বক বাঁশ এবং গাছও কেটে নেয় সে।

রইছ উদ্দিন বলেন সেখানে আগে দলিল রেডি করে রেখেছিলেন রফিকুল। আমি যাওয়া মাত্রই তরিগড়ি করে আমার কাছ থেকে টিপসই রেখে দেয় এবং কাজ হয়েগেছে বলে বাড়িতে নিয়ে আসে। জমি বিক্রি বা বদলের রেজিষ্ট্রেশন করার নিয়ম অনুযায়ী উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার অফিসারের সামনে দু’পক্ষের স্বীকারোক্তির বিষয় থাকলেও দলিল লেখকের সহযোগিতায় আগে থেকেই ম্যনেজ করে রাখেন রফিকুল ইসলাম।

এব্যাপারে রফিকুল ইসলামের সাথে কথা বলতে গেলে প্রথমে ক্যামেরা দেখে সাংবাদিকদের উপর চড়াও হন। একাধিক চেষ্টার পর তিনি স্বীকার করেন প্রতারণা লিখে নেওয়া বসতভিটায় চাচাকে দয়া করে থাকতে দিয়েছেন। চাচা মৃত্যুর আগপর্যন্ত থাকতে পারবেন বলেও পরিষ্কার করেন রফিকুল ইসলাম।

বিষয়টি এলাকার লোকজনে মধ্যে জানাজানি হলে শালিসের মাধ্যম সমাধানের জন্য বহুবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয় এলাকাবাসী। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে জামাল মিয়া (৪৫) নামে এক প্রতিবেশি বলেন, আমরা রইছ উদ্দিনের কাছ থেকে তার ভাতিজা রফিকুল ইসলামের জালিয়াতি করে জমি লিখে নেওয়ার বিষয়টি শুনেছি এবং তা সমাধানের ব্যাপারে দীর্ঘদিন চেষ্টা করেছি। রফিকুল ইসলাম ভুট্টোর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের নিয়ে শালিস আয়োজন করা হলে তারা উপস্থিত থাকেন না। তবে এব্যাপারে একই বক্তব্য পাওয়া গেছে স্থানীয় আবুল কালাম, মইছ উদ্দিন ও নিজাম উদ্দিনের কাছ থেকেও

চরআলগী ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের পরিচালক নজরুল ইসলাম বলেন, রইছ উদ্দিনের কাছ থেকে প্রতারনা করে জমি লিখে নেওয়ার খবর শুনে আমরা একাধিকবার সমাধান করার চেষ্টা করেছি। কিন্ত অভিযুক্তরা (রফিকুল ইসলাম) কাউকে পাত্তা দেয় না এবং শালিসের দিন উপস্থিত থাকেন না।

এব্যাপারে চারআলগী ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মোঃ ছানোয়ার হোসেনের কাছে জানতে চাইলে ভুক্তভোগীকে মামলা করার পরামর্শ দেন তিনি। দীর্ঘদিনের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে বিষয়টি সমাধানের জন্য প্রশাসনের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন এলাকাবাসী।

সন্তানের জন্মদিন ও দাদার মৃত্যুবার্ষিকীতে নাগরপুরে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা: প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:০৯ পিএম
সন্তানের জন্মদিন ও দাদার মৃত্যুবার্ষিকীতে নাগরপুরে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

সন্তানের জন্মদিনের আনন্দকে মানবসেবায় উৎসর্গ এবং প্রয়াত দাদার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে টাঙ্গাইলের নাগরপুরে বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হয়েছে।

রবিবার (১ নভেম্বর) বাদ আসর থেকে বাদ এশা পর্যন্ত নাগরপুর বাজারে অবস্থিত মুকতাদির হোমিও চিকিৎসা কেন্দ্রের উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
মুকতাদির হোমিও চিকিৎসা কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. এম. এ. মান্নানের ছোট ছেলে মাহিরের চতুর্থ জন্মবার্ষিকী এবং তাঁর দাদা, বিশিষ্ট হোমিওপ্যাথিক অনুরাগী মরহুম আইয়ূব আলীর ১৬তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এ মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

ক্যাম্পেইনে বিনামূল্যে সাধারণ চিকিৎসা পরামর্শ, ডায়াবেটিস পরীক্ষা (ব্লাড সুগার), রক্তের গ্রুপ নির্ণয়, ওজন পরিমাপ ও ওষুধ বিতরণ করা হয়। এ সময় স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ বিনামূল্যে এসব স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করেন।

কর্মসূচিতে চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন ডা. এম. এ. মান্নান। ব্যক্তিগত জীবনের আনন্দ ও স্মৃতিবিজড়িত দুটি বিশেষ দিনকে কেন্দ্র করে মানুষের কল্যাণে এমন উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে প্রশংসনীয় মানবিক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আয়োজক ডা. এম. এ. মান্নান বলেন, মহান আল্লাহর দেওয়া প্রতিটি নিয়ামতের জন্য শুকরিয়া আদায় করা আমাদের দায়িত্ব। সন্তানের জন্মবার্ষিকীকে মানুষের সেবার মাধ্যমে স্মরণীয় করে রাখা এবং মরহুম দাদার স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে এ আয়োজন করা হয়েছে। মানুষের কল্যাণে কাজ করা এবং অসহায় ও অসুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক, সামাজিক ও মানবিক দায়িত্ব। ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ছোট ছেলে মাহির, বড় ছেলে মুকতাদির এবং ভাতিজি মাছুমার সুস্বাস্থ্য, নেক হায়াত ও সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনা করেন। পাশাপাশি মরহুম দাদা আইয়ূব আলী, নানা আজমত আলী, চাচা কাইয়ূম এবং প্রয়াত দাদি ও নানির রুহের মাগফিরাত কামনায় তিনি সবার কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন।

উল্লেখ্য, মুকতাদির হোমিও চিকিৎসা কেন্দ্র নাগরপুর বাজারে অবস্থিত। প্রতিষ্ঠানটির এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি এবং বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের মাধ্যমে সামাজিক ও মানবিক দায়িত্ব পালন করা।

মিরপুরে এইচএসসিতে শ্রেষ্ঠত্বের শীর্ষে সাগরখালী আদর্শ ডিগ্রী কলেজ

আসাদুল ইসলাম মিরপুর উপজেলা প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:৫৬ এএম
মিরপুরে এইচএসসিতে শ্রেষ্ঠত্বের শীর্ষে সাগরখালী আদর্শ ডিগ্রী কলেজ

এইচএসসি পরীক্ষা-২০২৬-এর ফলাফলে সাফল্য ধরে রেখে আবারও কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছে ঐতিহ্যবাহী সাগরখালী আদর্শ ডিগ্রী কলেজ।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণ করে জানা যায়, এবার কলেজটি থেকে মোট ১৬৬ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। এর মধ্যে পাস করেছে ১০৩ জন শিক্ষার্থী এবং ৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। পাসের হার ৬২ শতাংশ। বস্তুনিষ্ঠ ও গুণগত শিক্ষার ধারাবাহিকতায় উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ফলাফলের দিক থেকে শীর্ষ স্থান ধরে রেখেছে প্রতিষ্ঠানটি।
উল্লেখ্য, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সাগরখালী আদর্শ ডিগ্রী কলেজ এইচএসসি পাবলিক পরীক্ষায় উপজেলার সেরা প্রতিষ্ঠানের তালিকায় ধারাবাহিকভাবে অবস্থান তৈরি করে আসছে। শুধু উপজেলা পর্যায়ই নয়, ইতিপূর্বে ২০০৯, ২০১৬ এবং ২০২৪ সালে কুষ্টিয়া জেলার মধ্যেও প্রথম স্থান অর্জন করার গৌরব দেখিয়েছিল কলেজটি। তারই সুসংহত ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায়ও উপজেলার শীর্ষে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখলো সাগরখালী আদর্শ ডিগ্রী কলেজ।
প্রতিষ্ঠানের এই চমকপ্রদ সাফল্যের বিষয়ে জানতে চাইলে সাগরখালী আদর্শ ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ রবিউল ইসলাম অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন- “আমাদের নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষকমণ্ডলী, কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সম্মানিত সদস্যবৃন্দ, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সর্বস্তরের এলাকাবাসীর আন্তরিক সহযোগিতা ও প্রচেষ্টায় আল্লাহর অশেষ রহমতে এই সাফল্য অর্জিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি ও আগামী দিনে আরও ভালো ফলাফলের জন্য আমি সমগ্র এলাকাবাসীর কাছে দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।”
কলেজের এই ধারাবাহিক সাফল্যের খবরে শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং স্থানীয় সুধীজনদের মাঝে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস দেখা গেছে।

মানিকগঞ্জে ককটেল ফাটিয়ে পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যালয় দখলের অভিযোগ

মোঃ জুয়েল মিয়া (মানিকগঞ্জ) প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:০৫ পিএম
মানিকগঞ্জে ককটেল ফাটিয়ে পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যালয় দখলের অভিযোগ

 

মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডের পৌর টার্মিনালে জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যালয় জোরপূর্বক দখল, ককটেল বিস্ফোরণ, ব্যাপক ভাঙচুর এবং কর্মচারীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আঃ কাদের ও সুমনসহ অজ্ঞাতনামা ৪০ থেকে ৫০ জনকে অভিযুক্ত করে মানিকগঞ্জ সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন মোঃ রাজা মিয়া (৫৬)।

​বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন অনুমোদিত মানিকগঞ্জ জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাজা মিয়া অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের ৪ ডিসেম্বর বিধি অনুযায়ী কমিটি গঠনের পর থেকে তারা নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলেন। তবে শুক্রবার বিকেলে হঠাৎ করে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র—যেমন ককটেল, লোহার রড, চাপাতি, হকিস্টিক ও কাঠের বাটাম নিয়ে অতর্কিতভাবে কার্যালয়ে প্রবেশ করে তা দখলের চেষ্টা চালায়।

​অভিযোগপত্র অনুযায়ী, ঘটনার সময় আঃ কাদের ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে বাসস্ট্যান্ডের পৌর টার্মিনাল এলাকায় তীব্র আতঙ্ক সৃষ্টি করেন। একই সময়ে ২ নম্বর অভিযুক্ত সুমন ধারালো চাপাতি দিয়ে কার্যালয়ের ভেতরে থাকা বিভিন্ন আসবাবপত্র কুপিয়ে ভাঙচুর ও তছনছ করেন। হামলাকারীরা সেখানে দায়িত্বরত কর্মচারীদের বেধড়ক মারধর করে আহত করে। একপর্যায়ে অভিযুক্তরা কার্যালয়টি জোরপূর্বক নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বাইরে থেকে তালা ঝুলিয়ে দেয়। পরবর্তীতে সেখানে কেউ প্রবেশ করলে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকিও দেওয়া হয় বলে ভুক্তভোগী দাবি করেন।

​এ ঘটনায় নিজের ও কার্যালয়ের কর্মচারীদের জীবন নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতার কথা উল্লেখ করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।

​অভিযোগের বিষয়ে জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আব্দুল কাদেরের মতামত চাওয়া হলে তিনি কার্যালয়ে তালা দেওয়ার বিষয়টি জানা নেই বলে জানান।

​মানিকগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মনির হোসেন জানান, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।