বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

বান্দরবানে জেলা পরিষদের ক্রীড়া প্রকল্প বাস্তবায়নে নানান ধরনের অভিযোগ

আব্দুল্লাহ আল সাঈদ , বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:৪৯ পিএম
বান্দরবানে জেলা পরিষদের ক্রীড়া প্রকল্প বাস্তবায়নে নানান ধরনের অভিযোগ

জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাই এর মহৎ উদ্দেশ্যের অন্যতম একটি উদাহরন ক্রীড়া।অন্তর্বর্তীকালীন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহনের পরপরই তিনি ক্রীড়াকে এগিয়ে নিতে একগুচ্ছ পরিকল্পনা গ্রহন করেন।এরই ধারাবাহিকতায় স্থানীয় খেলোয়াড়দের দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচিসহ বিভিন্নভাবে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সরাসরি ক্রীড়াকে এগিয়ে নিতে অনবদ্য ভূমিকা পালন করেছিন।তবে শেষ সময়ে এসে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাই এবং অন্তর্বর্তীকালীন জেলা পরিষদকে বিতর্কের মুখে ফেলছে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের দায়িত্বশীল কর্তারা।

জানা যায়,শেষ সময়ে এসে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ এর বিশেষ বরাদ্দে গৃহীত ক্রীড়া প্রকল্প তড়িঘড়ি করে বাস্তবায়নের অভিযোগ উঠেছে।সংশ্লিষ্ট স্কিমের অর্থ লোকদেখানো কিছু কর্মসূচিতে ব্যয় করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।অন্তর্বর্তীকালীন জেলা পরিষদের এমন সিদ্ধান্ত ঘিরে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন আর বিতর্ক সাথে শুরু হয়েছে সমালোচনা।

অনুসন্ধানে জানা যায়,ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাত্র একদিন আগে প্রকল্পের কর্মসূচির অর্থের চেক দ্রুততার সঙ্গে অগ্রিম তুলে নেয়া হয়।সরকারি স্কিমের অর্থ ব্যয়ে আহ্বায়কের একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের কোনো বিধান রয়েছে কি না এবং তিন বছরের একটি প্রকল্প কেনও এত দ্রুত বাস্তবায়নের প্রয়োজন হয়ে উঠলো তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।তিন বছরের ক্রীড়া কর্মসূচি মাত্র দশদিনে সীমাবদ্ধ করার বিষয়টিও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, খেলোয়াড় বাছাই,স্থান নির্বাচন, সময়সীমা নির্ধারণসহ প্রায় সব সিদ্ধান্তই এককভাবে নেওয়া হয়েছে।এতে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় ক্রীড়া সংগঠকদের অনেকেই। তাদের মতে,কোনো নিয়ম-কানুন অনুসরণ না করে এমন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করলে খেলোয়াড়দের দক্ষতা উন্নয়ন নিশ্চিত হবে না বরং বরাদ্দ অর্থ অপচয় হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পরিকল্পিত ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার অভাবে ক্রীড়ার মানোন্নয়ন সম্ভব নয় বলেও তারা মন্তব্য করেন। তড়িঘড়ি প্রকল্প বাস্তবায়নের পেছনে অসৎ উদ্দেশ্য থাকতে পারে বলেও সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

এ বিষয়ে জেলা পরিষদের নির্বাহী প্রকৌশলী পরাক্রম চাকমা মুঠোফোনে জানান, “প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত আমাদের এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে না,আমরা কেবল এক্সিকিউশনের কাজটা করছি।”

অন্যদিকে জেলা পরিষদ সদস্য ও ক্রীড়া বিষয়ক কনভেনিং কমিটির আহ্বায়ক উবাথোয়াই মার্মা বলেন, “তড়িঘড়ি করে কিছু করা হচ্ছে এমন নয়। জুলাই এ অর্থবছর শুরু হওয়ার পর থেকেই এই প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। চেয়ারম্যানের সরাসরি তদারকিতে সব সদস্যকে নিয়ে কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।” বরাদ্দকৃত অর্থের পরিমাণ জানতে চাইলে তিনি বলেন,এটা দেখে জানাতে পারবো।তবে বাজেট এখনো চূড়ান্ত হয়নি।ফুটবল প্রশিক্ষণে জেলা ক্রীড়া সংস্থা বা জেলা ফুটবল এসোসিয়েশন এর সম্পৃক্ততা নেই যেহেতু এই সংস্থাগুলো পরিষদের অন্তর্ভুক্ত কোনও প্রতিষ্ঠান না।ফুটবল ইভেন্ট ব্যাতিত আর কোন কোন ইভেন্ট কে প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হচ্ছে কিনা এবিষয়ে জানতে চাইলে তিনি প্রতিবেদককে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কে ফোন দিয়ে জিজ্ঞাসা করতে বলেন।তবে আপাতত শুধুমাত্র ফুটবল প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চলবে বলেও তিনি মুঠোফোনে জানান।

এদিকে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের কার্যালয়ের পিএস টু চেয়ারম্যান ও নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবুল মনসুর বলেন, “বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত নই, চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে যোগাযোগ করলে বিস্তারিত জানা যাবে।”

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ২৯ জুন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান থানজামা লুসাই–এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ১০ম পরিষদের ৮ম মাসিক সভায় জেলার ক্রীড়া খাতের মানোন্নয়নে করণীয় নির্ধারণ এবং নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সে সময় বাজেট সংকট থাকায় প্রাথমিকভাবে একটি সাত সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়,এতে জেলা ফুটবল এসোসিয়েশন আহ্বায়ক জাবেদ রেজা,ফুটবল খেলোয়াড় সমিতির সভাপতি মো.ইসলাম কোম্পানী,জেলা ক্রিকেট আম্পায়ার এসোসিয়েশন সাধারন সম্পাদক আবু তাহের টিপুসহ ৭ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের একটি কমিটি রেজুলেশন আকারে দাপ্তরিক কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়।

তবে অভিযোগ উঠেছে,২০২৫ সালের ২৯ জুন গঠিত কমিটির অধিকাংশ সদস্যই জানেন না জেলা পরিষদের আর্থিক সহযোগিতায় কোনো প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ইতোমধ্যে উপজেলা পর্যায়ে শুরু হয়েছে কি না।বিশেষ করে থানচি ও আলীকদম উপজেলায় ফুটবল প্রশিক্ষণ শুরু হওয়ার বিষয়ে অনেকেই অবগত নন বলে জানিয়েছেন।

সংশ্লিষ্টদের মতে,জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাই একটি মহৎ উদ্দেশ্যে কমিটি গঠন করলেও বাস্তবে আহ্বায়ক ছাড়া অন্য সদস্যদের সম্পৃক্ততা না থাকা প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

কুষ্টিয়ায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে নারীর মৃত্যু, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে ২।

সকালের বার্তা ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:০৪ এএম
কুষ্টিয়ায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে নারীর মৃত্যু, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে ২।

তানভীর আজাদ কুষ্টিয়া প্রতিনিধি | সকালের বার্তা।

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে বসতবাড়ির জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলার অভিযোগে নাসিমা খাতুন (৪২) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২ নভেম্বর) ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে উপজেলার সদকী ইউনিয়নের বাটিকামারা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।নিহত নাসিমা খাতুন ওই এলাকার শহিদুলের স্ত্রী।

নিহতের পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে বসতবাড়ির জমি নিয়ে স্থানীয় প্রতিপক্ষের সঙ্গে তাঁদের বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে বিভিন্ন সময় হুমকি-ধমকিও দেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার ভোরে মসজিদপাড়া এলাকার জনে শেখের ছেলে মোমিনের নেতৃত্বে ৩০ থেকে ৪০ জনের একটি দল তাঁদের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়।

নিহতের মা আলেয়া খাতুনের অভিযোগ, হামলার সময় নাসিমা খাতুন বাধা দিতে এগিয়ে গেলে অভিযুক্ত আকরাম তাঁকে ধাক্কা দেন। এতে তিনি মাটিতে পড়ে যান। পরে তাঁর পুত্রবধূর চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে তাঁকে উদ্ধার করে কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন নিহতের স্বজনেরা।

কুমারখালী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আমিরুল ইসলাম জানান, নারীর মৃত্যুর ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইতোমধ্যে দুজনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে,ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে তদন্ত চলছে।

পরীক্ষাকেন্দ্র থেকে বহিষ্কারের জেরে বিস্ফোরণের অভিযোগ, তদন্তে আইনশৃঙ্খলা বাহিন।

সকালের বার্তা ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:০৪ এএম
পরীক্ষাকেন্দ্র থেকে বহিষ্কারের জেরে বিস্ফোরণের অভিযোগ, তদন্তে আইনশৃঙ্খলা বাহিন।

তানভীর আজাদ কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি।

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিস্ফোরণের ঘটনায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। এসএসসি নির্বাচনী পরীক্ষা চলাকালে ফিলিপনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কার্যালয় লক্ষ্য করে দুটি বোমা জাতীয় বস্তু নিক্ষেপ ও বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২ নভেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনার সূত্রপাত পরীক্ষার হল থেকে। পুলিশ ও শিক্ষার্থী সূত্রের বরাতে জানা যায়, নির্বাচনী পরীক্ষা চলাকালে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান আসাদ পাঁচ শিক্ষার্থীর কাছ থেকে মোবাইল ফোন জব্দ করেন। এ সময় পরীক্ষার নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগে তানজিন রহমান রিদু নামে এক শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়।

এরপর ওই শিক্ষার্থী কয়েকজন বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে বিদ্যালয়ে ফিরে প্রধান শিক্ষকের কার্যালয় লক্ষ্য করে দুটি বোমা জাতীয় বস্তু নিক্ষেপ করে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিস্ফোরণের বিকট শব্দে বিদ্যালয়ের ভেতরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়েছেন কি না, সে বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে মোটরসাইকেলটির মালিক হিসেবে কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ও ফিলিপনগর ইউনিয়নে জামায়াত মনোনীত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী খাজা আহমেদের নাম উঠে এসেছে বলে জানিয়েছেন দৌলতপুর থানার ওসি।

অভিযোগের বিষয়ে খাজা আহমেদের বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রশ্ন শুনে ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। পরে একাধিকবার চেষ্টা করেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান জানান, পরীক্ষার হলে নিয়ম ভঙ্গের কারণে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এক শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করে। এরপর বিদ্যালয়ের পাশে দুটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্তে মোটরসাইকেলটির মালিক হিসেবে জামায়াত নেতা খাজা আহমেদের নাম পাওয়া গেছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা হয়নি।

দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অনিন্দ্য গুহ বলেন, ঘটনাটি জানার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমন বিস্ফোরণের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার পেছনের কারণ উদ্‌ঘাটন, জড়িতদের শনাক্ত এবং বিদ্যালয়ে স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেশ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি উঠেছে।

মিরপুরে পুলিশ-শ্রমিক সংঘর্ষে বন্ধ মেট্রো-স্টেশন

সকালের বার্তা ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:০৪ এএম
মিরপুরে পুলিশ-শ্রমিক সংঘর্ষে বন্ধ মেট্রো-স্টেশন

মো: অমিত হাসান ঢাকা, ঢাকা মহানগর প্রতিনিধি

ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে রাজধানীর মিরপুরে পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে পুলিশ ও শ্রমিকদের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটছে। এমন পরিস্থিতিতে যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে মিরপুর-১১ নম্বর মেট্রোরেল স্টেশন।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল থেকে মিরপুর-১১ নম্বর এলাকায় সড়কে নেমে বিক্ষোভ শুরু করেন পোশাক শ্রমিকেরা। মিরপুর-১১ নম্বর মেট্রোরেল স্টেশন বন্ধ রাখার বিষয়টি এমআরটি পুলিশের কন্ট্রোল রুম থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

জানা যায়, সকাল থেকেই মিরপুর-১১ নম্বর সেকশনে পোশাক শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে উত্তেজনা ও সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরিস্থিতি সহিংস রূপ নেওয়ায় মেট্রোরেলের যাত্রী ও স্টেশনের সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে স্টেশনটির কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে মিরপুর-১১ নম্বর স্টেশনে কোনো ট্রেন থামছে না এবং যাত্রী ওঠানামাও করানো হচ্ছে না। তবে মেট্রোরেলের অন্য স্টেশনগুলোতে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে মিরপুর-১১ নম্বর স্টেশনটি পুনরায় চালু করা হবে বলে জানিয়েছে এমআরটি পুলিশ কন্ট্রোল রুম।