মিরসরাইয়ে ট্রেন পিকাপ সংঘর্ষ দুমড়ে মুচড়ে গেল পিকাপ চালক অক্ষত ১ ঘন্টা পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক এক পাশ দিয়ে চলছে ট্রেন
মিরসরাইয়ে ট্রেন পিকাপ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ৭ জুন সকাল সাড়ে ৯ টার সময় ঢাকা-চট্টগ্রাম রেল রুটের জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের মধ্যম সোনাপাহাড় এলাকার দরবার টিলা নামক স্থানে এই দূর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদোশীরা জানায়, সকালে বালুবাহী একটি পিকাপ রেল লাইন পার হওয়ার সময় রেল লাইনের উপর আটকে যায় এ সময় চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা সিলেটগামী ৭১৯ পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের সাথে পিকাপের সাথে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় পিকপটি দুমড়ে মুচড়ে যায় পিকাপের চালক অক্ষত থাকেন। দূর্ঘটনার পর প্রায় ১ ঘন্টা বন্ধ থাকে ট্রেন চলাচল।
ঢাকা-চট্টগ্রামের রেল রুটের অরক্ষিত গেইট। নেই গেইটম্যান। আর তাতেই ঘটে দূর্ঘটনা। এই রুট দিয়ে প্রতিদিন চলছে ট্রেন। গেইটম্যান না থাকায় জীবনের ঝুকি নিয়ে পারাপার হচ্ছেন শত শত মানুষ। অবৈধ বালু ব্যবসায়ীদের কারণে এই রুট দিয়ে চলছে পিকাপ। এই এলাকার জন্য কতটা নিরাপদ এই অরক্ষিত গেইট।
৭ জুন সকালে ঠিক তেমনি পাহাড় থেকে বালু নিয়ে আসার সময় পিকাপটি রেল লাইনের উপর আটকে গেলে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা সিলেটগামী ৭১৯ পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের সাথে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় পিকাপটি দুমড়ে মুচড়ে গেলেও অক্ষত থাকেন চালক। দূর্ঘটনার পর ১ ঘন্টার মত বন্ধ থাকে ট্রেন চলাচল। এই ঘটনায় কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
দূুর্ঘটনার পর জনমনে প্রশ্ন জাগে কতটা নিরাপদ এই গেইট। মধ্যম সোনাপাহাড় এলাকার শত শত মানুষ এই স্থান দিয়ে প্রতিদিন চলাচল। কিন্তু অরক্ষিত গেইট এবং গেইটম্যান না থাকায়
জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে এখানকার মানুষদের৷
স্থানীয়রা জানায়, গেইটটি অরক্ষিত এখানে কোন গেইটম্যান নাই। এই স্থান দিয়ে শত শত মানুষ এক পাশ থেকে অন্য পাশে যায়। এখানে যদি গেইটম্যান থাকতো যদি সিগন্যাল দেওয়া থাকতো তাহলে আজ এই দূর্ঘটনাটি ঘটত না।
দূর্ঘটনার পর ১ ঘন্টা বন্ধ থাকে ট্রেন চলাচল। লাইন স্বাভাবিক হলে এক লেন দিয়ে চলে ট্রেন। প্রায় ৪ ঘন্টা পর স্বাভাবিক হয় ট্রেন চলাচল।

















