পাংশায় সংঘর্ষে নিহতের ঘটনায় ৩৪৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার হয়নি কেউ।
রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে একজন নিহত হওয়ার ঘটনায় ৪৯ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত আরও প্রায় ৩০০ জনকে আসামি করে পাংশা মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ জুন) নিহত জামিন বিশ্বাসের ছেলে রিপন বিশ্বাস বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা আকমল হোসেন টিক্কাকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এ নিয়ে মোট আসামির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৪৯ জনে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, জমি সংক্রান্ত বিরোধ এবং এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গত ২১ জুন উপজেলার কশবামাজাইল ইউনিয়নের দড়ি বাংলাট গ্রাম এবং পাট্টা ইউনিয়নের ঢেঁপা-মাজাইল গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৮ জন আহত হন।
আহতদের মধ্যে গুরুতর আহত জামিন বিশ্বাসকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই রাতেই তিনি মারা যান। নিহত জামিন বিশ্বাস পাট্টা ইউনিয়নের ঢেঁপা-মাজাইল গ্রামের বাসিন্দা এবং মো. হোসেন আলী বিশ্বাসের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সংঘর্ষের পর এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। জামিন বিশ্বাসের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর কয়েকটি বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ রয়েছে।
বর্তমানে দড়ি বাংলাট, বড় বাংলাট ও পারকুল এলাকার অনেক পুরুষ সদস্য এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে রয়েছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। ফলে এলাকায় এখনও আতঙ্ক ও উদ্বেগ বিরাজ করছে।
এ বিষয়ে পাংশা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মঈনুল ইসলাম বলেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহতের ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে এবং আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।


















