মজুরি বৈষম্যের অবসান চেয়ে বেনাপোল বন্দরে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, এক মাসের আলটিমেটামে কর্মবিরতি স্থগিত
ন্যায্য মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে বেনাপোল স্থলবন্দরে কর্মবিরতি পালন করেছেন ৮৯১ ও ৯২৫ নম্বর হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্যরা। রবিবার (১৪ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বন্দরের প্রধান ফটকের সামনে রাজপথে অবস্থান নিয়ে তারা তাদের দীর্ঘদিনের বঞ্চনার কথা তুলে ধরেন।
আন্দোলনরত শ্রমিকরা জানান, ২০১২ সালে হ্যান্ডলিং চার্জ বাবদ ৩৩ টাকার মধ্যে শ্রমিকরা ১৮ টাকা পেতেন। দীর্ঘ ১৪ বছর পেরিয়ে ২০২৬ সালে এসে সেই চার্জ ৭৮ টাকায় উন্নীত হলেও শ্রমিকদের মজুরি সেই ১৮ টাকাতেই আটকে আছে। তাদের বর্তমান দাবি প্রতি টন পণ্য হ্যান্ডলিংয়ের ক্ষেত্রে ম্যানুয়াল শ্রমিকদের জন্য ৩৫ টাকা এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে ৩০ টাকা মজুরি নির্ধারণ করা।
শ্রমিকদের এই আন্দোলনের মুখে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আলোচনায় বসেন বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা এবং উভয় শ্রমিক ইউনিয়নের শীর্ষ কর্মকর্তারা। দীর্ঘ আলোচনার পর আগামী এক মাসের মধ্যে দাবিগুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দেয় কর্তৃপক্ষ।
তবে শ্রমিক নেতাদের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, নির্ধারিত এই এক মাসের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে বন্দর অচল করে দেওয়াসহ কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবেন তারা। আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও শ্রমিকদের মাঝে চাপা ক্ষোভ এখনো বিরাজ করছে।
এ সময় বক্তব্য দেন বেনাপোল হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন ৯২৫-এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তবিবার রহমান, সাধারণ সম্পাদক সহিদ আলী, ৮৯১ শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মাকসুদুর রহমান রিন্টু প্রমুখ।















