শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

কুমিল্লাকে আধুনিক মেট্রোপলিটন নগরীতে রূপান্তর করতে চাই: মনিরুল হক চৌধুরী

মোঃ জামির হোসেন সরকার, কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:২৬ পিএম
কুমিল্লাকে আধুনিক মেট্রোপলিটন নগরীতে রূপান্তর করতে চাই: মনিরুল হক চৌধুরী

ছবি- সংগৃহীত

কুমিল্লা-৬ (আদর্শ সদর, সদর দক্ষিণ, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন ও সেনানিবাস) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী মো. মনিরুল হক চৌধুরী কুমিল্লাকে একটি আধুনিক নগরে পরিণত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্প্রতি বাসসকে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, কুমিল্লা জেলার হৃৎকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত এ আসনের সার্বিক উন্নয়ন এবং নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করাই আমার লক্ষ্য।

ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী মো. মনিরুল হক চৌধুরী বর্তমানে বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য। তিনি ১৯৪৭ সালের ১৬ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন। তিনি পেশায় একজন ব্যবসায়ী।

আপনার এলাকার ভোটারদের জন্য আপনার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি কী?

মনিরুল হক : আমার নির্বাচনি এলাকাকে দুই ভাগে ভাগ করে আমার উন্নয়ন পরিকল্পনা সাজিয়েছি। প্রথমত: কুমিল্লা সদর উপজেলা ও কুমিল্লা মহানগরকে কেন্দ্র করে। অন্যটি সদর দক্ষিণ উপজেলার উন্নয়নকে ঘিরে।

আমি কুমিল্লাকে একটি আধুনিক মেট্রোপলিটন নগরীতে রূপান্তর করতে চাই।

প্রস্তাবিত মেট্রোপলিটন নগরীর সীমানা উত্তরে পাঁচথুবী ও আমড়াতলী ইউনিয়ন পর্যন্ত, পশ্চিমে নাজিরা বাজার, পূর্বে সীমান্ত বিবির বাজার এবং দক্ষিণে বাগমারা বাজার পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। এই এলাকার ভেতরে একটি পূর্ণাঙ্গ মেট্রোপলিটন নগরী গড়ে তোলা হবে। একই সঙ্গে নগরীর পয়োনিষ্কাশন ও পানি সরবরাহ ব্যবস্থা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

প্রশাসনিক কার্যক্রমকে গতিশীল করতে মেট্রোপলিটন প্রশাসন গঠন করা হবে। নগরীর সড়ক ব্যবস্থায় সার্কুলার পরিবহন চালু করে পরিকল্পিত ও সীমিত যানবাহনের মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।

জলাবদ্ধতা নিরসন এবং পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে নাগরিকদের জন্য একটি সুন্দর ও বাসযোগ্য নগর জীবন উপহার দেওয়াই আমার লক্ষ্য।

কুমিল্লার উন্নয়ন নিয়ে আমার একটি বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা রয়েছে। এ পরিকল্পনা নিয়ে ‘আমার স্বপ্ন, আমার কুমিল্লা’ শিরোনামে একটি বই প্রকাশ করেছি। এখানে কুমিল্লাকে ঘিরে আমার ভাবনা ও ভবিষ্যৎ কর্মসূচি তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।

নির্বাচনি আচরণ বিধি পালনে নেতাকর্মীদের প্রতি আপনার নির্দেশনা কী?

মনিরুল হক : নির্বাচনি আচরণবিধি পালনের নেতা-কর্মীদের প্রতি কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত আমার কর্মী-সমর্থকরা কোনো আচরণবিধি লঙ্ঘন করেননি। পোস্টার লাগানোর ক্ষেত্রে আচরণবিধি লঙ্ঘনের আশঙ্কা থাকায় প্রায় এক লাখ টাকা ব্যয়ে সব পোস্টার অপসারণ করা হয়েছে।

জুলাই সনদ বিষয়ক গণভোট নিয়ে আপনার অবস্থান কী?

মনিরুল হক : আমি ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে। নির্বাচনি প্রচারণার পাশাপাশি গণভোটে অংশগ্রহণ ও ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার জন্য প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছি।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একটি অবাধ, সুষ্ঠু, সুন্দর ও নিরপেক্ষ নির্বাচন দেখতে চাই।

আমার বিশ্বাস সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে ধানের শীষ জয়যুক্ত হবে।

এই আসনের অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা হলেন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি)র ওবায়দুল কবির মোহন (তারা মার্কা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ (হাতপাখা), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কাজী দ্বীন মোহাম্মদ (দাঁড়িপাল্লা), বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট (মুক্তিজোট)-এর মো. আমির হোসেন ফরায়েজী (ছড়ি) এবং বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)-এর কামরুন্নাহার সাথী (মই)

উল্লেখ্য, আদর্শ সদর, সদর দক্ষিণ, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন ও সেনানিবাস এলাকা নিয়ে কুমিল্লা ৬ আসন গঠিত। এই আসনের মোট ভোটার সংখ্যা ৬ লাখ ৩১ হাজার ৮৮৬ জন। তাদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ৩ লাখ ১৮ হাজার ৩২৫ জন, নারী ভোটার ৩ লাখ ১৩ হাজার ৫৫৪ জন এবং হিজড়া ভোটার ৭ জন।

মাদিলাহাট ব্যবসায়ী সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন

মো:শাফিকুল ইসলাম ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:১৬ পিএম
মাদিলাহাট ব্যবসায়ী সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন

মাদিলাহাট ব্যবসায়ী সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন-২০২৬ শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে।
গত ০৬ নভেম্বর শুক্রবার সকাল ১০টা হতে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ৪নং বেতদিঘী ইউনিয়ন পরিষদ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

ভোট গণনা শেষে নির্বাচন কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন।

সভাপতি পদে নির্বাচিত:
মোঃ আলাউদ্দিন মাস্টার(আনারস মার্কা) ২০৬ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোঃ রেজেক পেয়েছেন ৬৬ ভোট।

সাধারণ সম্পাদক পদে আতাউর রহমান (চেয়ারমার্কা)১৭৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন।তার প্রতিদ্বন্দ্বী মোঃ মকসেদুল মমিন পেয়েছেন ৯৫ ভোট।

কোষাধ্যক্ষ পদে
মোঃ রাসেল(হাতি মার্কা) ১৫৬ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন।তার প্রতিদ্বন্দ্বী কাইয়ুম উদ্দীন(সূর্যমুখী ফুল মার্কা)পেয়েছেন ১১৫ ভোট।

ভোট শেষে প্রতিক্রিয়ায় নবনির্বাচিত সভাপতি আলাউদ্দিন মাস্টার বলেন,ভোট অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে- সুষ্ঠুভাবে হয়েছে এবং পরিবেশ শান্ত ও সুশৃঙ্খল ছিল।ব্যবসায়ীদের ভালোবাসায় আমি জয়ী হয়েছি।আগামীতে মাদিলাহাট বাজারের উন্নয়ন ও ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষায় আমি সব সময় পাশে থাকবো।

নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দকে অভিনন্দন জানিয়েছেন সাধারণ ব্যবসায়ীরা। তাদের প্রত্যাশা,নতুন কমিটির নেতৃত্বে মাদিলাহাট বাজার আরও উন্নত ও ব্যবসায়ী বান্ধব হয়ে উঠবে।

জিয়া সাইবার ফোর্সের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক পদে শামসুদ্দিন বাবু

সকালের বার্তা ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:১৪ পিএম
জিয়া সাইবার ফোর্সের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক পদে শামসুদ্দিন বাবু

ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শামসুদ্দিন বাবু

জিয়া সাইবার ফোর্সের কেন্দ্রীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার কৃতী সন্তান ও দক্ষিণ কোরিয়া প্রবাসী শামসুদ্দিন বাবু। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির গুরুত্বপূর্ণ এ দায়িত্ব পাওয়ায় তার নিজ এলাকা সিংগাইরের ভূমদক্ষিন গ্রামে শুভাকাঙ্ক্ষী ও পরিচিতজনদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সংগঠনটির কেন্দ্রীয় দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জিয়া সাইবার ফোর্সের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদটি শূন্য হওয়ায় সংগঠনের গঠনতন্ত্র ও প্রচলিত সাংগঠনিক নিয়ম-নীতি অনুসরণ করে সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শামসুদ্দিন বাবুকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।

সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রধান সমন্বয়ক সৈয়দ জুলফিকার মনা ও সভাপতি আব্দুল জলিলের নির্দেশক্রমে এ সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

শামসুদ্দিন বাবু মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার ভূমদক্ষিন গ্রামের বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রবাস জীবনযাপন করছেন। প্রবাসে অবস্থান করেও সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রমে যুক্ত থাকার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে তাকে নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা তৈরি হয়েছে।

এদিকে, সংগঠনটির কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে নবনিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শামসুদ্দিন বাবুকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করার জন্য সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

সরকারি দিঘী দখল করে মাছ চাষের অভিযোগ বিএনপি’র সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের বিরুদ্ধে

সকালের বার্তা ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:০৯ পিএম
সরকারি দিঘী দখল করে মাছ চাষের অভিযোগ বিএনপি’র সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের বিরুদ্ধে

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার ১০ নম্বর মারিয়া ইউনিয়নের যাত্রাগাছি দীঘি সরকারি দিঘী দখলে রেখে মাছ চাষের অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সর্দার মোহাম্মদ হুজুর আলীও সাধারণ সম্পাদক আসলামের বিরুদ্ধে। এবার রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি’র প্রার্থী ডিএম জিয়াউর রহমান এর অনুসারী তারা। তাদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলার সাহস পাচ্ছে না এমনকি উপজেলা প্রশাসন ও ব্যর্থ হচ্ছে সরকারি এ দিঘী উদ্ধারের।

আট মাসের জন্য পাঁচ লাখ টাকায় পুকুরটি লিজ দেওয়ার কথা থাকলেও চুক্তির অর্থ পরিষদে জমা না দিয়েই মাছ চাষ অব্যাহত রাখার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এ নিয়ে পরিষদের পক্ষ থেকে একাধিকবার নোটিশ দেওয়া হলেও দখল ছাড়ছেন না তিনি—এমন দাবি করেছেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। অন্যদিকে, পুকুরটি যথাযথ প্রক্রিয়ায় ইজারা না দেওয়ায় সরকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দিঘী ইউনিয়ন পরিষদের নামে মাছ চাষ করা হয়। পরে তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আশরাফুল ইসলাম আট মাসের জন্য পাঁচ লাখ টাকা চুক্তিতে আসলামের কাছে দিঘী লিজ দেন বলে দাবি করা হয়েছে। তবে ওই চুক্তির অর্থ পরিষদে জমা দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে। এখনো জোর পূর্বক দীঘিটিতে মাছ চাষ করছেন।
ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের অভিযোগ, লিজের টাকা পরিশোধ এবং দিঘী দখল বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য আসলামকে একাধিকবার নোটিশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তিনি টাকা জমা দিচ্ছেন না, দিঘির দখলও ছাড়ছেন না। দলীয় প্রভাব খাটিয়ে পুকুরটি নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখার অভিযোগও করেন তিনি। বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনকে জানানো হলেও এখন পর্যন্ত প্রত্যাশিত প্রতিকার মেলেনি বলে দাবি করেন চেয়ারম্যান।ফলে দিঘির ইজারা, চুক্তির শর্ত এবং রাজস্ব আদায় নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “দিঘী যদি ইউনিয়ন পরিষদের সম্পত্তি হয়ে থাকে, তাহলে নিয়ম মেনেই ইজারা দেওয়া উচিত। কে কোন দলের, সেটি বিবেচ্য নয়। সরকারি সম্পত্তি থেকে আয় হলে সেই টাকা যথাযথভাবে পরিষদের কোষাগারে জমা হওয়া দরকার।”

আরেক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “দিঘির লিজের টাকা দেওয়া হয়েছে কি না, চুক্তি কী ছিল, আর প্রকৃত আয়তন কত—এসব বিষয় পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন। প্রশাসন নথিপত্র যাচাই করে সঠিক সিদ্ধান্ত নিক।”

স্থানীয়দের মতে, দিঘী দখল ও ইজারা নিয়ে তৈরি হওয়া বিরোধের নিরসনে নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। একই সঙ্গে সরকারি সম্পত্তি থেকে রাজস্ব আদায় নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন তারা।

অভিযোগের বিষয়ে মারিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আসলামের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন বন্ধ করে দেন। স্ব শরীরে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তিনি কথা বলতে অপারগতা জানান।

তবে বাগমারা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিজানুর রহমান জানান, এভাবে সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে। প্রকাশ্য দরপত্রের মাধ্যমে ইজারা দেওয়া হলে সরকার রাজস্ব পাবে আমরা সেই প্রক্রিয়াটি করবো। এরইমধ্যে দিঘী উদ্ধারে খুব দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ বিষয়ে বাগমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা( ইউএনও) রিজু তামান্না জানিয়েছেন, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।