শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

কুমিল্লায় র‌্যাব-১১ এর অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

মোঃ জামির হোসেন সরকার, কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:০০ পিএম
কুমিল্লায় র‌্যাব-১১ এর অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

ছবি: সংগৃহীত

কুমিল্লায় মাদকবিরোধী পৃথক দুটি অভিযানে ১৭৪ বোতল বিদেশি মদ, ১৮ ক্যান বিয়ার ও ১৮ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-১১।

র‌্যাব-১১ সূত্র জানায়, গত ১ ফেব্রুয়ারি রাতে র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন জগন্নাথপুর ইউনিয়নের গাজীপুর ও অরণ্যপুর এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে সেখান থেকে ১৭৪ বোতল বিদেশি মদ ও ১৮ ক্যান বিয়ার উদ্ধার করা হয়।

অপরদিকে, একই দিন দুপুরে কোতয়ালী মডেল থানাধীন আমড়াতলী ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর এলাকায় পরিচালিত আরেকটি অভিযানে মো. সাকিব (১৯) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার হেফাজত থেকে ১৮ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি ইজিবাইক জব্দ করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃত মো. সাকিব কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী থানার বামইল গ্রামের মো. লিটনের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে জেলার বিভিন্ন স্থানে পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রি করে আসছিলেন।

র‌্যাব-১১ জানায়, মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

মাদিলাহাট ব্যবসায়ী সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন

মো:শাফিকুল ইসলাম ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:১৬ পিএম
মাদিলাহাট ব্যবসায়ী সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন

মাদিলাহাট ব্যবসায়ী সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন-২০২৬ শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে।
গত ০৬ নভেম্বর শুক্রবার সকাল ১০টা হতে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ৪নং বেতদিঘী ইউনিয়ন পরিষদ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

ভোট গণনা শেষে নির্বাচন কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন।

সভাপতি পদে নির্বাচিত:
মোঃ আলাউদ্দিন মাস্টার(আনারস মার্কা) ২০৬ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোঃ রেজেক পেয়েছেন ৬৬ ভোট।

সাধারণ সম্পাদক পদে আতাউর রহমান (চেয়ারমার্কা)১৭৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন।তার প্রতিদ্বন্দ্বী মোঃ মকসেদুল মমিন পেয়েছেন ৯৫ ভোট।

কোষাধ্যক্ষ পদে
মোঃ রাসেল(হাতি মার্কা) ১৫৬ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন।তার প্রতিদ্বন্দ্বী কাইয়ুম উদ্দীন(সূর্যমুখী ফুল মার্কা)পেয়েছেন ১১৫ ভোট।

ভোট শেষে প্রতিক্রিয়ায় নবনির্বাচিত সভাপতি আলাউদ্দিন মাস্টার বলেন,ভোট অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে- সুষ্ঠুভাবে হয়েছে এবং পরিবেশ শান্ত ও সুশৃঙ্খল ছিল।ব্যবসায়ীদের ভালোবাসায় আমি জয়ী হয়েছি।আগামীতে মাদিলাহাট বাজারের উন্নয়ন ও ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষায় আমি সব সময় পাশে থাকবো।

নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দকে অভিনন্দন জানিয়েছেন সাধারণ ব্যবসায়ীরা। তাদের প্রত্যাশা,নতুন কমিটির নেতৃত্বে মাদিলাহাট বাজার আরও উন্নত ও ব্যবসায়ী বান্ধব হয়ে উঠবে।

জিয়া সাইবার ফোর্সের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক পদে শামসুদ্দিন বাবু

সকালের বার্তা ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:১৪ পিএম
জিয়া সাইবার ফোর্সের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক পদে শামসুদ্দিন বাবু

ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শামসুদ্দিন বাবু

জিয়া সাইবার ফোর্সের কেন্দ্রীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার কৃতী সন্তান ও দক্ষিণ কোরিয়া প্রবাসী শামসুদ্দিন বাবু। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির গুরুত্বপূর্ণ এ দায়িত্ব পাওয়ায় তার নিজ এলাকা সিংগাইরের ভূমদক্ষিন গ্রামে শুভাকাঙ্ক্ষী ও পরিচিতজনদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সংগঠনটির কেন্দ্রীয় দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জিয়া সাইবার ফোর্সের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদটি শূন্য হওয়ায় সংগঠনের গঠনতন্ত্র ও প্রচলিত সাংগঠনিক নিয়ম-নীতি অনুসরণ করে সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শামসুদ্দিন বাবুকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।

সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রধান সমন্বয়ক সৈয়দ জুলফিকার মনা ও সভাপতি আব্দুল জলিলের নির্দেশক্রমে এ সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

শামসুদ্দিন বাবু মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার ভূমদক্ষিন গ্রামের বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রবাস জীবনযাপন করছেন। প্রবাসে অবস্থান করেও সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রমে যুক্ত থাকার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে তাকে নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা তৈরি হয়েছে।

এদিকে, সংগঠনটির কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে নবনিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শামসুদ্দিন বাবুকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করার জন্য সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

সরকারি দিঘী দখল করে মাছ চাষের অভিযোগ বিএনপি’র সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের বিরুদ্ধে

সকালের বার্তা ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:০৯ পিএম
সরকারি দিঘী দখল করে মাছ চাষের অভিযোগ বিএনপি’র সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের বিরুদ্ধে

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার ১০ নম্বর মারিয়া ইউনিয়নের যাত্রাগাছি দীঘি সরকারি দিঘী দখলে রেখে মাছ চাষের অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সর্দার মোহাম্মদ হুজুর আলীও সাধারণ সম্পাদক আসলামের বিরুদ্ধে। এবার রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি’র প্রার্থী ডিএম জিয়াউর রহমান এর অনুসারী তারা। তাদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলার সাহস পাচ্ছে না এমনকি উপজেলা প্রশাসন ও ব্যর্থ হচ্ছে সরকারি এ দিঘী উদ্ধারের।

আট মাসের জন্য পাঁচ লাখ টাকায় পুকুরটি লিজ দেওয়ার কথা থাকলেও চুক্তির অর্থ পরিষদে জমা না দিয়েই মাছ চাষ অব্যাহত রাখার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এ নিয়ে পরিষদের পক্ষ থেকে একাধিকবার নোটিশ দেওয়া হলেও দখল ছাড়ছেন না তিনি—এমন দাবি করেছেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। অন্যদিকে, পুকুরটি যথাযথ প্রক্রিয়ায় ইজারা না দেওয়ায় সরকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দিঘী ইউনিয়ন পরিষদের নামে মাছ চাষ করা হয়। পরে তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আশরাফুল ইসলাম আট মাসের জন্য পাঁচ লাখ টাকা চুক্তিতে আসলামের কাছে দিঘী লিজ দেন বলে দাবি করা হয়েছে। তবে ওই চুক্তির অর্থ পরিষদে জমা দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে। এখনো জোর পূর্বক দীঘিটিতে মাছ চাষ করছেন।
ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের অভিযোগ, লিজের টাকা পরিশোধ এবং দিঘী দখল বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য আসলামকে একাধিকবার নোটিশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তিনি টাকা জমা দিচ্ছেন না, দিঘির দখলও ছাড়ছেন না। দলীয় প্রভাব খাটিয়ে পুকুরটি নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখার অভিযোগও করেন তিনি। বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনকে জানানো হলেও এখন পর্যন্ত প্রত্যাশিত প্রতিকার মেলেনি বলে দাবি করেন চেয়ারম্যান।ফলে দিঘির ইজারা, চুক্তির শর্ত এবং রাজস্ব আদায় নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “দিঘী যদি ইউনিয়ন পরিষদের সম্পত্তি হয়ে থাকে, তাহলে নিয়ম মেনেই ইজারা দেওয়া উচিত। কে কোন দলের, সেটি বিবেচ্য নয়। সরকারি সম্পত্তি থেকে আয় হলে সেই টাকা যথাযথভাবে পরিষদের কোষাগারে জমা হওয়া দরকার।”

আরেক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “দিঘির লিজের টাকা দেওয়া হয়েছে কি না, চুক্তি কী ছিল, আর প্রকৃত আয়তন কত—এসব বিষয় পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন। প্রশাসন নথিপত্র যাচাই করে সঠিক সিদ্ধান্ত নিক।”

স্থানীয়দের মতে, দিঘী দখল ও ইজারা নিয়ে তৈরি হওয়া বিরোধের নিরসনে নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। একই সঙ্গে সরকারি সম্পত্তি থেকে রাজস্ব আদায় নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন তারা।

অভিযোগের বিষয়ে মারিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আসলামের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন বন্ধ করে দেন। স্ব শরীরে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তিনি কথা বলতে অপারগতা জানান।

তবে বাগমারা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিজানুর রহমান জানান, এভাবে সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে। প্রকাশ্য দরপত্রের মাধ্যমে ইজারা দেওয়া হলে সরকার রাজস্ব পাবে আমরা সেই প্রক্রিয়াটি করবো। এরইমধ্যে দিঘী উদ্ধারে খুব দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ বিষয়ে বাগমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা( ইউএনও) রিজু তামান্না জানিয়েছেন, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।