শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদপুরে তারেক রহমানের বিশাল জনসভা: বিভাগ গঠন ও কৃষক কার্ডসহ একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতি

এহসান রানা, ফরিদপুর প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:২৫ পিএম
ফরিদপুরে তারেক রহমানের বিশাল জনসভা: বিভাগ গঠন ও কৃষক কার্ডসহ একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতি

ফরিদপুরের সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপস্থিতিতে বিশাল জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে আয়োজিত এই সমাবেশে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে; সকাল থেকেই জেলা ও আশপাশের অঞ্চল থেকে আসা নেতাকর্মীদের ঢলে পুরো এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

তারেক রহমান তাঁর ভাষণে দেশের উন্নয়ন এবং জনস্বার্থ রক্ষায় বিএনপির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার একটি রূপরেখা তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্যের উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলো নিচে দেওয়া হলো:

তিনি ঘোষণা করেন, বিএনপি সরকার গঠন করলে জনগণের উন্নয়ন ও প্রশাসনিক গতিশীলতার স্বার্থে ফরিদপুরকে পূর্ণাঙ্গ বিভাগে রূপান্তর করা হবে।

এই অঞ্চলের দীর্ঘদিনের অভিশাপ পদ্মা ও সংশ্লিষ্ট নদীগুলোর ভাঙন রোধে দ্রুত এবং কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

কৃষকদের সহজ শর্তে বীজ, সার ও কীটনাশক নিশ্চিত করতে ‘কৃষক কার্ড’ এবং নারীদের স্বাবলম্বী করতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর ঘোষণা দেন।

তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে গ্রাম ও শহরের প্রতিটি ঘরে হেলথকেয়ার কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনার কথা জানান।

পানির সংকট নিরসনে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও ব্রিজ নির্মাণের আশ্বাস প্রদান করেন।

তারেক রহমান তাঁর বক্তব্যে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের কথা স্মরণ করে বলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধারা দেশ স্বাধীন করেছিলেন আর ২০২৪-এ ছাত্র-জনতা সেই স্বাধীনতা রক্ষা করেছে। একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সমালোচনা করে তিনি বলেন:

একটি গুপ্ত দলের নেতা আমাদের মা-বোনদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছে। তাদের ইতিহাস কলঙ্কজনক, যা ১৯৭১ সালেও প্রমাণিত হয়েছিল।”

দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, সুশাসন নিশ্চিত হলে এই অঞ্চলই হবে দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। তিনি তরুণদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার এবং আগামীর বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানান।

জনসভায় বিএনপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা দাবি করেন, ফরিদপুরের এই অভূতপূর্ব জনসমাগমই প্রমাণ করে যে সাধারণ মানুষ রাজনৈতিক পরিবর্তন চায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সতর্ক অবস্থানের মধ্য দিয়ে সভাটি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়। দীর্ঘ সময় পর এমন বড় সমাবেশে নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে।

জনসভায় ফরিদপুর বিভাগীয় ৫ টি জেলার নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুর রহমান

ধামরাই মডেল প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি গঠন

সকালের বার্তা ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২৬ পিএম
ধামরাই মডেল প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি গঠন

সভাপতি সিরাজুল ইসলাম-সাধারণ সম্পাদক জাহিদুর রহমান জাহিদ

ঢাকার ধামরাই মডেল প্রেসক্লাবের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে চ্যানেল এস টিভির ধামরাই প্রতিনিধি মোঃ সিরাজুল ইসলামকে সভাপতি এবং দৈনিক দেশের কণ্ঠ পত্রিকার ধামরাই প্রতিনিধি মোঃ জাহিদুর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ধামরাই মডেল প্রেসক্লাবের সাধারণ সভায় উপস্থিত সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে মৌখিক নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠন করা হয়।

নবগঠিত কমিটির অন্যান্য পদে রয়েছেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ মিজানুর রহমান(মিজান), সহ-সভাপতি মোঃ মোজাম্মেল হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ মশিউজ্জামান মুবীন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মাসুদ রানা, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মনিরুজ্জামান, অর্থ সম্পাদক মোঃ বাবু শেখ, প্রচার সম্পাদক জাহিদুর রহমান , সহ-দপ্তর সম্পাদক মোছাঃ তানজিলা আক্তার, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক রূপা আক্তার ইতি, সহ-মহিলা বিষয়ক সম্পাদক কাজল আক্তার সান্তনা এবং ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মোঃ সুমন উদ্দীন হাওলাদার।

এছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে রয়েছেন মোঃ হাবিবুর রহমান (হাবিব), মোঃ আলামিন, মোঃ জাকির, মোঃ সুমন মিয়া ও মোঃ রাসেল হোসাইন।

সাধারণ সভায় বক্তারা বলেন, ধামরাই মডেল প্রেসক্লাব সাংবাদিকদের পেশাগত ঐক্য, মর্যাদা ও অধিকার রক্ষায় কাজ করবে। একই সঙ্গে ধামরাইয়ের বিভিন্ন সমস্যা, অনিয়ম, দুর্ভোগ ও জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো বস্তুনিষ্ঠভাবে তুলে ধরার পাশাপাশি সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা, সৌহার্দ্য ও ঐক্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।

নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ বলেন, সাংবাদিকতার নীতি ও দায়িত্বশীলতা বজায় রেখে ধামরাইয়ের মানুষের কথা তুলে ধরাই হবে প্রেসক্লাবের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। এজন্য স্থানীয় সাংবাদিকদের পেশাগত মানোন্নয়ন ও পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।

গুরুদাসপুরে সাংবাদিকদের সাথে নবাগত  ওসির মতবিনিময়

সজিবুর রহমান নাটোর প্রতিনিধি: প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৮ পিএম
গুরুদাসপুরে সাংবাদিকদের সাথে নবাগত  ওসির মতবিনিময়
নাটোরের গুরুদাসপুরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছেন থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আঃ হান্নান। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাহমিদা আফরোজ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসাদুল ইসলাম এবং থানার ওসি (তদন্ত) রিয়াজুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময়কালে সাংবাদিকরা গুরুদাসপুরে মাদক, বাল্যবিবাহ, ইভটিজিং, চুরি ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে বিভিন্ন মতামত ও পরামর্শ তুলে ধরেন।
গুরুদাসপুরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাংবাদিকদের পরামর্শ ও সহযোগিতা কামনা করে নবাগত ওসি মোঃ আঃ হান্নান বলেন, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা এবং অপরাধ নির্মূল করা পুলিশের একার পক্ষে সম্ভব নয়। এ ক্ষেত্রে সাংবাদিকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।
তিনি বলেন, মাদক নির্মূল ও অপরাধ দমনে সাংবাদিকরা সবসময় পুলিশের পাশে থেকে সহযোগিতা করবেন—এমনটাই প্রত্যাশা করেন তিনি। মানবিক সমাজ গঠন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং অপরাধ নির্মূলে পুলিশ ও সাংবাদিকদের সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন ইউএনও ফাহমিদা আফরোজ, ওসি (তদন্ত) রিয়াজুল ইসলাম, সাংবাদিক আলী আককাছ, সাজেদুর রহমান, রাশিদুল ইসলাম, আব্দুস সালাম, জুয়েল হাসান টিপু,সজিবুর রহমান সহ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা।
মাদকের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের কথা তুলে ধরে ওসি মোঃ আঃ হান্নান বলেন, তিনি গত ১৫ আগস্ট গুরুদাসপুর থানায় যোগদান করেছেন। যোগদানের পর এ পর্যন্ত ১৩ জন মাদকসেবী ও ৫ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে। ডোপ টেস্টের মাধ্যমে মাদকসেবী শনাক্ত করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে সাজাও দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, কোনো পুলিশ সদস্যের মাদক কারবারিদের সঙ্গে সখ্যতার প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এছাড়া ইভটিজিং প্রতিরোধে বালিকাসহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ের সামনে দুই ঘণ্টা করে বিশেষ নজরদারি, মহাসড়কে রাতের বিশেষ টহল জোরদার, থানার সামনে ডিউটি অফিসারের নম্বর প্রদর্শন এবং নিয়মিত ওপেন হাউজ ডেসহ বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
আগামীতে প্রতি মাসে সাংবাদিকদের সঙ্গে এ ধরনের মতবিনিময় সভা আয়োজন করা হবে বলেও জানান নবাগত ওসি মোঃ আঃ হান্নান।

গড়াইয়ের বুকে নৌকাবাইচ, বৈঠার ছন্দে মাতল কুষ্টিয়া

তানভীর আজাদ কুষ্টিয়া প্রতিনিধি:  প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ পিএম
গড়াইয়ের বুকে নৌকাবাইচ, বৈঠার ছন্দে মাতল কুষ্টিয়া

Screenshot

কুষ্টিয়ার গড়াই নদীতে শুরু হয়েছে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নের ঘোড়াই ঘাট বড় বাজার সংলগ্ন এলাকায় এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

নৌকাবাইচকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই গড়াই নদীর দুই তীরে মানুষের ঢল নামে। নদীর পাড়ে দাঁড়িয়ে হাজারো দর্শক উপভোগ করেন নৌকার দৌড়। বৈঠার ছন্দ আর প্রতিযোগী নৌকার দ্রুতগতিতে পুরো এলাকা পরিণত হয় উৎসবের মিলনমেলায়।

আয়োজকরা জানান, এবারের প্রতিযোগিতায় কুষ্টিয়ার বিভিন্ন এলাকার পাশাপাশি সিরাজগঞ্জ, পাবনা, সৈয়দপুরসহ বিভিন্ন স্থান থেকে প্রতিযোগী দল অংশ নিয়েছে। এখন পর্যন্ত সাতটি নৌকা প্রতিযোগিতায় নিবন্ধন করেছে। দূরদূরান্ত থেকে প্রতিযোগী ও দর্শনার্থীরা আসায় আয়োজনটি আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে।

প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের জন্য রাখা হয়েছে আকর্ষণীয় পুরস্কার। প্রথম স্থান অর্জনকারী দল পাবে Yamaha FZ Version-2 মোটরসাইকেল। দ্বিতীয় পুরস্কার হিসেবে রয়েছে Pulsar 150, তৃতীয় পুরস্কার Hero 100 এবং চতুর্থ পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হবে Walton ফ্রিজ। এছাড়া প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া প্রত্যেক নৌকার জন্য রয়েছে ৩২ ইঞ্চি এলইডি টেলিভিশন।

আয়োজক কমিটির নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া নৌকার দৈর্ঘ্য কমপক্ষে ৫০ হাত হতে হবে। সিঙ্গেল বডি নৌকা প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবে না। প্রতিযোগিতা সংক্রান্ত বিষয়ে কমিটির সর্বশেষ সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে জানানো হয়েছে।

নৌকাবাইচের উদ্বোধনী আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনের সংসদ সদস্য রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা। উদ্বোধক ছিলেন কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক আলহাজ্ব অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ফরিদা ইয়াসমিন।

বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমারখালী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব আনছার আলী প্রামাণিক ও সাধারণ সম্পাদক মো. লুফকর রহমান। অনুষ্ঠানে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের কর্মকর্তা ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

অতিথিদের বক্তব্যের পর আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হয়। এরপর একে একে প্রতিযোগী নৌকাগুলো গড়াইয়ের বুকে ছুটে চলে। নৌকার গতি ও বৈঠার নিখুঁত ছন্দ দেখতে নদীর দুই পাড়ে উপস্থিত দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়।

আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গ্রামবাংলার প্রাচীন নৌকাবাইচের ঐতিহ্য ধরে রাখা এবং নতুন প্রজন্মের কাছে এ সংস্কৃতিকে তুলে ধরতেই এ আয়োজন। প্রতিযোগিতাকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ তৈরি হয়েছে।

নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা কমিটির আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতা পরিচালনা করছেন মুহায়াদ রেজা ফাহিম, পরিচালক, দি চেঞ্জার অব কমার্স।