রায়তলা ও ভাগলপুরকে মাদকমুক্ত করার উদ্যোগ: মাঠে নেমেছেন আজিজ আহমেদ জুয়েল
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার রায়তলা ও ভাগলপুর গ্রামকে সম্পূর্ণ মাদক মুক্ত করতে এবং তরুণ সমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে এক ব্যতিক্রমি ও কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন এলাকার কৃতি সন্তান এবং মুরাদনগর উপজেলা যুগ্ন আহ্বায়ক আজিজ আহমেদ জুয়েল। মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে তিনি নিজে মাদক ব্যবসায়ীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে এই চূড়ান্ত সতর্কবার্তা পৌঁছে দিচ্ছেন।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে রায়তলা ও ভাগলপুর এলাকায় মাদক কারবারিদের তৎপরতায় যুবসমাজ ধ্বংসের মুখে পতিত হচ্ছে। এই ভয়াবহ পরিস্থিতি রুখতে মাঠে নেমেছেন স্থানীয় তরুণ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
বাড়ি বাড়ি গিয়ে সচেতনতামূলক প্রচারণা ও হুঁশিয়ারি দেওয়ার সময় আজিজ আহমেদ জুয়েল বলেন, “আমাদের প্রিয় যুবসমাজ মাদকের ছোবলে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, যা আমরা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারি না। মাদক ব্যবসায়ীদের স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই—আপনারা অবিলম্বে সাবধান হয়ে যান। হয় মাদক ব্যবসা ছাড়ুন, না হয় রায়তলা ও ভাগলপুরের মাটি ছাড়ুন।” তিনি আরও জানান, এই হুঁশিয়ারির পরেও যদি কেউ মাদক ব্যবসা বন্ধ না করে, তবে গ্রামের সর্বস্তরের মানুষকে সাথে নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মাদকের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা এই সামাজিক আন্দোলনে যুবসমাজের পাশাপাশি এলাকার শীর্ষস্থানীয় সমাজসেবক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ একাত্মতা প্রকাশ করে মাঠে নেমেছেন। এই মহৎ উদ্যোগে সার্বক্ষণিক সাথে আছেন:
আলমগীর মেম্বার
আজিজ আহমেদ জুয়েল (যুগ্ন আহ্বায়ক, মুরাদনগর উপজেলা)
বশির আহমেদ সরকার
সোহাগ মিয়া
প্রফেসর দুলাল মিয়া
মকবুল হুজুর
জাকির সরকার
জাহিদুল সরকার সহ স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ।
মাদক ধরিয়ে দিলেই বিশেষ পুরস্কারের ঘোষণা:
মাদক নির্মূল অভিযানকে আরও বেগবান করতে এক অভিনব ঘোষণা দিয়েছেন আজিজ আহমেদ জুয়েল। তিনি ঘোষণা করেন, আজ থেকে রায়তলা ও ভাগলপুর গ্রামের কোথাও কোনো মাদক ব্যবসায়ী বা মাদকের চালান ধরিয়ে দিতে পারলে, সেই সচেতন নাগরিককে বিশেষ পুরস্কারে পুরস্কৃত করা হবে।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, এই উদ্যোগের ফলে এলাকায় মাদক কারবারিদের দৌরাত্ম্য অনেকাংশে কমে আসবে এবং একটি সুন্দর, সুস্থ ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠিত হবে।


















