সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে শহীদ হাফিজের ২৮তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত, হত্যাকারীদের বিচার দাবি
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে উপজেলা যুবদলের অন্যতম সহ-সভাপতি শহীদ হাফিজুর রহমান হাফিজের ২৮তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বক্তারা হাফিজ হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সুনামগঞ্জ-৩ (জগন্নাথপুর-শান্তিগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ বলেন, বর্তমানে দেশে গণতান্ত্রিক ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তাই নতুন করে তদন্ত করে শহীদ হাফিজকে যারা নির্মমভাবে হত্যা করেছে, তাদের অবশ্যই বিচারের আওতায় আনতে হবে। তিনি বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত কেউই রেহাই পাবে না।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের আগে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে যে কর্মসূচির কথা বলেছিলেন, তার অনেকগুলোই বাস্তবায়নের পথে রয়েছে। ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, খাল-বিল ও নদী-নালা খনন এবং কৃষকদের জন্য স্মার্ট কৃষি কার্ড প্রদানসহ বিভিন্ন উদ্যোগ ইতোমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে।
কয়ছর আহমেদ বলেন, জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জবাসী তাকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করে সংসদে পাঠিয়েছেন। এজন্য তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং জনগণের পরামর্শ নিয়ে এই দুই উপজেলাকে আধুনিক রূপে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় জগন্নাথপুর বাজারের ইকড়ছই মাদ্রাসা পয়েন্টে জগন্নাথপুর উপজেলা ও পৌর যুবদলের আয়োজনে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ও জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি আবুল হাশিম ডালিম। অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে পরিচালনা করেন উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক জুবেদ আলী লখন ও পৌর যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক শামিম আহমেদ।
অনুষ্ঠানে জেলা ও উপজেলা বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল এবং ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সভা শেষে শহীদ হাফিজুর রহমান হাফিজের আত্মার মাগফিরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পরিচালনা করেন জগন্নাথপুর সদর মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা আজমল হোসেন জামি। এ সময় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া এবং দেশের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিহত সকল শহীদের জন্য দোয়া করা হয়। পাশাপাশি দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং নেতৃবৃন্দের সুস্বাস্থ্য কামনা করা হয়।


















