৭৪ লাখ টাকাসহ জামায়াত নেতা আটক: অর্থের উৎস নিয়ে জুলকারনাইন সায়েরের প্রশ্ন
সৈয়দপুর বিমানবন্দরে নগদ ৭৪ লাখ টাকাসহ ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির বেলাল উদ্দীন আটক হওয়ার ঘটনায় ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে। নির্বাচনের মাত্র একদিন আগে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ বহনের উদ্দেশ্য এবং উৎসের স্বচ্ছতা নিয়ে সরব হয়েছেন কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি এই বিষয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্থাপন করেন।
জুলকারনাইন সায়ের তার পোস্টে উল্লেখ করেন যে, দেশের অভ্যন্তরীণ রুটে অর্থ বহনে আইনি নিষেধাজ্ঞা না থাকলেও এই ঘটনার প্রেক্ষাপট ভিন্ন। তার উত্থাপিত মূল পয়েন্টগুলো হলো:
বিপুল পরিমাণ এই অর্থের উৎস কোথায় এবং কোন মাধ্যমে এটি তার কাছে এলো, তা জনসমক্ষে প্রকাশ করা জরুরি। যদি এটি ব্যবসা বা ব্যক্তিগত উপার্জনের টাকা হয়, তবে অবশ্যই তার স্বচ্ছ ডকুমেন্টেশন বা মানিট্রেইল থাকতে হবে।
নির্বাচনের ঠিক আগের দিন একজন রাজনৈতিক দলের জেলা পর্যায়ের শীর্ষ নেতা কেন এই নগদ অর্থ বহন করছিলেন, তা অত্যন্ত রহস্যজনক।
এই অর্থ বহন করা ‘নির্বাচনী আচরণবিধিমালা, ২০২৫’-এর ২২(৩) বিধির লঙ্ঘন কি না, তা স্পষ্ট করার জন্য তিনি নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ইতোমধ্যে টাকার গণনা শেষ করে ৭৪ লাখ টাকা নিশ্চিত করেছে। বেলাল উদ্দীন ঢাকা থেকে ঠাকুরগাঁও যাওয়ার পথে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে আটক হন। বর্তমানে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং এই অর্থের বৈধতা যাচাইয়ে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো কাজ করছে।
রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে যে, এই অর্থ নির্বাচনের মাঠে কোনো বিশেষ প্রভাব বিস্তারের জন্য ব্যবহার করার পরিকল্পনা ছিল কি না। তবে জামায়াতের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।



















