তারেক জিয়া প্রধানমন্ত্রী হলে জিয়ানগরের উন্নয়নে ঐতিহাসিক ভূমিকা রাখবেন – বিলকিস জাহান শিরিন
কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট বিলকিস জাহান শিরিন বলেছেন, “গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের মধ্য দিয়েই জিয়ানগরের প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব। তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হলে এই জনপদ উন্নয়নের নতুন দিগন্তে প্রবেশ করবে।”
তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে গড়ে ওঠা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সবসময় মানুষের ভোটের অধিকার ও উন্নয়নের রাজনীতি করেছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এই মাঠ থেকেই জিয়ানগর উপজেলাকে ঘোষণা করেছিলেন। অথচ দীর্ঘ সময় ধরে জনগণের প্রত্যাশা উপেক্ষিত থেকেছে।
শনিবার বিকেলে জিয়ানগর উপজেলার সরকারি ইন্দুরকানী কলেজ মাঠে ধানের শীষের নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষে ভোট দিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান।
বিলকিস জাহান শিরিন বলেন, “জিয়ানগর শহীদ জিয়ার নাম বহন করে—এটা কেবল নাম নয়, এটা একটি রাজনৈতিক অঙ্গীকার। এই জনপদকে অবহেলার রাজনীতি থেকে মুক্ত করতে হলে ধানের শীষের বিজয়ের কোনো বিকল্প নেই।”
উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. ফরিদ আহমেদের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আ. রাজ্জাক হাওলাদার ও সাবেক সদস্য সচিব আলমগীর কবির মান্নুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় আরও বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. নজরুল ইসলাম খান, পিরোজপুর-১ আসনের ধানের শীষের সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এস এম সাইদুল ইসলাম কিসমত, সাবেক সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আকন ও কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম দুলাল সহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
ধানের শীষের প্রার্থী অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন বলেন, “ভোটের অধিকার ফিরিয়ে এনে যদি জনগণের রায় প্রতিষ্ঠিত হয়, তাহলে জিয়ানগরে বেড়িবাঁধ, যোগাযোগ ব্যবস্থা, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে দৃশ্যমান উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে।”
তিনি আরও বলেন, “এই নির্বাচন কেবল একজন প্রার্থী নয়, এটি জনগণের অধিকার, গণতন্ত্র ও উন্নয়নের পক্ষে একটি রায়।”
















