শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩

মিলাদুন নবী—ভালোবাসা, নাকি দ্বীনের মধ্যে নতুন সংযোজন

সকালের বার্তা ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৩৫ পিএম
মিলাদুন নবী—ভালোবাসা, নাকি দ্বীনের মধ্যে নতুন সংযোজন

রাসূলুল্লাহ হযরত মুহাম্মদ ﷺ-এর প্রতি ভালোবাসা প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাঁর জীবন, চরিত্র, সুন্নাহ ও আদর্শ অনুসরণ করা একজন মুমিনের দায়িত্ব। কিন্তু রাসূল ﷺ-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করতে গিয়ে আমরা কি এমন কোনো ধর্মীয় রীতি চালু করতে পারি, যা তিনি নিজে করেননি এবং তাঁর সাহাবায়ে কেরামও করেননি? প্রশ্নটি আবেগের নয়; এটি কোরআন ও সহিহ সুন্নাহর আলোকে বিবেচনার বিষয়।

আজ মুসলিম সমাজে মিলাদুন নবী বা রাসূল ﷺ-এর জন্ম উপলক্ষে নির্দিষ্ট দিনে বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। কেউ এটিকে ভালোবাসা ও শুকরিয়ার প্রকাশ মনে করেন, আবার অনেক আলেম এটিকে বিদআত হিসেবে গণ্য করেন। বিষয়টি নিয়ে মতভেদ থাকলেও সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে আমাদের ফিরে যেতে হবে রাসূল ﷺ-এর সহিহ নির্দেশনার কাছে।
বিদআত সম্পর্কে রাসূল ﷺ-এর সতর্কবাণী
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—
“যে ব্যক্তি আমাদের এই দ্বীনের মধ্যে এমন কিছু নতুন সৃষ্টি করল, যা এর অন্তর্ভুক্ত নয়, তা প্রত্যাখ্যাত।”
—সহিহ বুখারি: ২৬৯৭; সহিহ মুসলিম: ১৭১৮।
আরেক হাদিসে রাসূল ﷺ বলেছেন—
“নিশ্চয়ই সর্বোত্তম কথা হলো আল্লাহর কিতাব এবং সর্বোত্তম পথ হলো মুহাম্মদ ﷺ-এর পথ। আর সবচেয়ে নিকৃষ্ট বিষয় হলো নতুন উদ্ভাবিত বিষয়; প্রত্যেক বিদআতই গোমরাহী।”
—সহিহ মুসলিম: ৮৬৭।
এখানে বিষয়টি অত্যন্ত পরিষ্কার—দ্বীনের মধ্যে এমন কোনো নতুন ইবাদত বা ধর্মীয় রীতি সংযোজন করা যাবে না, যার ভিত্তি রাসূল ﷺ-এর সুন্নাহতে নেই।
রাসূল ﷺ নিজের জন্মদিন কীভাবে স্মরণ করেছেন?
এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দলিল হলো সহিহ মুসলিমের হাদিস।
আবু কাতাদা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল ﷺ-কে সোমবার রোজা রাখার কারণ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন—
“এটি সেই দিন, যেদিন আমি জন্মগ্রহণ করেছি এবং যেদিন আমার ওপর ওহি নাজিল হয়েছে।”
—সহিহ মুসলিম: ১১৬২।
খেয়াল করার বিষয় হলো, রাসূল ﷺ তাঁর জন্মের দিনের কথা স্মরণ করেছেন; কিন্তু তিনি প্রতি বছর জন্মদিন উপলক্ষে কোনো উৎসব, মিছিল, বিশেষ মাহফিল বা ধর্মীয় অনুষ্ঠান করার নির্দেশ দেননি। বরং তাঁর নিজের আমল ছিল সোমবার রোজা রাখা।
যদি জন্মদিনকে প্রতিবছর বিশেষ ধর্মীয় অনুষ্ঠান হিসেবে পালন করা ইসলামের একটি নির্ধারিত আমল হতো, তাহলে রাসূল ﷺ অবশ্যই তাঁর উম্মতকে তা শিক্ষা দিতেন। কিন্তু সহিহ হাদিসে এমন কোনো নির্দেশ আমরা পাই না।
সাহাবায়ে কেরাম কি মিলাদ পালন করেছেন?
রাসূল ﷺ-এর সাহাবায়ে কেরাম ছিলেন তাঁর সবচেয়ে বেশি ভালোবাসার মানুষ। তাঁরা রাসূল ﷺ-এর কথা, কাজ ও সুন্নাহ অনুসরণ করতে নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।
রাসূল ﷺ-এর ইন্তেকালের পর সাহাবায়ে কেরামের মধ্যে আবু বকর (রা.), উমর (রা.), উসমান (রা.), আলী (রা.)—কেউ তাঁর জন্মদিনকে কেন্দ্র করে বার্ষিক মিলাদ অনুষ্ঠান করেননি।
তাবেঈন ও তাবে-তাবেঈনদের যুগেও এমন কোনো নির্ভরযোগ্য সহিহ হাদিস পাওয়া যায় না যে তাঁরা প্রতিবছর নির্দিষ্ট দিনে রাসূল ﷺ-এর জন্ম উপলক্ষে ধর্মীয় অনুষ্ঠান করেছেন।
এখানে একটি মৌলিক প্রশ্ন থেকেই যায়—
যে কাজটি রাসূল ﷺ-এর সবচেয়ে প্রিয় সাহাবীরা করেননি, সেটিকে পরবর্তী সময়ে দ্বীনের বিশেষ আমল হিসেবে আমরা কীভাবে নির্ধারণ করব?
“ভালো কাজ” হলেই কি ইবাদত হিসেবে যোগ করা যায়?
এখানেই মূল বিষয়টি বোঝা জরুরি।
কোরআন তিলাওয়াত ভালো কাজ। দরুদ পাঠ ভালো কাজ। রাসূল ﷺ-এর সীরাত আলোচনা ভালো কাজ। দান-সদকা ভালো কাজ।
কিন্তু কোনো ভালো কাজকে একটি নির্দিষ্ট দিন, নির্দিষ্ট পদ্ধতি ও বিশেষ ধর্মীয় মর্যাদা দিয়ে নিয়মিত ইবাদত হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হলে তার জন্য শরিয়তের দলিল প্রয়োজন।
উদাহরণস্বরূপ, রাসূল ﷺ যদি কোনো ইবাদতের জন্য নির্দিষ্ট সময়, নির্দিষ্ট সংখ্যা বা নির্দিষ্ট পদ্ধতি নির্ধারণ করে দিয়ে থাকেন, তাহলে সেটিই সুন্নাহ। কিন্তু আমরা নিজেরা নতুন করে কোনো সময় বা পদ্ধতি নির্ধারণ করে সেটিকে বিশেষ সওয়াবের ধর্মীয় আমল হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পারি না।
রাসূল ﷺ বলেছেন—
“যে ব্যক্তি এমন কোনো আমল করল, যার ব্যাপারে আমাদের নির্দেশ নেই, তা প্রত্যাখ্যাত।”
—সহিহ মুসলিম: ১৭১৮।
অতএব প্রশ্নটি শুধু এই নয় যে, মিলাদে কী করা হয়। প্রশ্ন হলো—মিলাদকে একটি নির্দিষ্ট ধর্মীয় অনুষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার দলিল কোথায়?
রাসূল ﷺ-এর জন্মতারিখ নিয়েও সতর্কতা প্রয়োজন
অনেকের ধারণা, ১২ রবিউল আউয়ালই রাসূল ﷺ-এর জন্মদিন। কিন্তু সহিহ হাদিসে তাঁর জন্মের নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ নেই।
সহিহ হাদিসে নিশ্চিতভাবে প্রমাণিত হলো—তিনি সোমবার জন্মগ্রহণ করেছেন।
৯ রবিউল আউয়ালকে জন্মতারিখ হিসেবে গ্রহণ করেছেন কিছু সীরাত গবেষক। আবার ১২ রবিউল আউয়ালও বহুল প্রচলিত একটি ঐতিহাসিক মত। কিন্তু ৯ বা ১২ রবিউল আউয়াল—কোনোটিকেই সহিহ হাদিসের অকাট্য দলিল হিসেবে উপস্থাপন করা ঠিক নয়।
১২ রবিউল আউয়াল যদি ইন্তেকালের দিন হয়?
ঐতিহাসিকভাবে ১২ রবিউল আউয়ালকে রাসূল ﷺ-এর ইন্তেকালের দিন হিসেবে ব্যাপকভাবে উল্লেখ করা হয়। আবার এ তারিখ নিয়েও ঐতিহাসিক মতভেদ রয়েছে।
সহিহ হাদিসে নিশ্চিতভাবে প্রমাণিত বিষয় হলো—রাসূল ﷺ সোমবার ইন্তেকাল করেছেন।
তাই কেউ যদি ১২ রবিউল আউয়ালকে তাঁর ইন্তেকালের দিন হিসেবে গ্রহণ করেন, তাহলে একই দিনে আনন্দ-উৎসব করার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক।
রাসূল ﷺ-এর ইন্তেকাল ছিল উম্মাহর জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক ঘটনা। তাই সেই দিনকে কেন্দ্র করে উৎসবের পরিবর্তে তাঁর সীরাত আলোচনা, তাঁর সুন্নাহ স্মরণ, দরুদ পাঠ, দোয়া ও নেক আমলের দিকে মানুষকে আহ্বান করা অধিক অর্থবহ হতে পারে।
তবে ন্যায়সংগতভাবে বলতে হবে—১২ রবিউল আউয়াল তাঁর ইন্তেকালের দিন—এটিও সহিহ হাদিসে সরাসরি নির্ধারিত নয়।
রাসূল ﷺ-এর প্রতি প্রকৃত ভালোবাসা কী?
রাসূল ﷺ-এর প্রতি ভালোবাসা শুধু একটি দিনের অনুষ্ঠান নয়।
আল্লাহ তাআলা বলেন—
“নিশ্চয়ই আল্লাহর রাসূলের মধ্যে তোমাদের জন্য রয়েছে উত্তম আদর্শ।”
—সূরা আল-আহযাব: ২১।
তাই রাসূল ﷺ-এর প্রতি প্রকৃত ভালোবাসা হলো—
তাঁর সুন্নাহ অনুসরণ করা, তাঁর চরিত্র গ্রহণ করা, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ প্রতিষ্ঠা করা, হারাম থেকে বেঁচে থাকা, মানুষের হক আদায় করা, গরিব-দুঃখীর পাশে দাঁড়ানো, সত্য কথা বলা, আমানত রক্ষা করা এবং তাঁর শেখানো তাওহিদ ও ইসলামের পথে জীবন পরিচালনা করা।
রাসূল ﷺ-কে ভালোবাসার দাবি যদি সত্য হয়, তাহলে তাঁর সুন্নাহ আমাদের জীবনে কতটুকু আছে—সেটিই হওয়া উচিত সবচেয়ে বড় পরীক্ষা।
তাহলে মিলাদ কি অবশ্যই বিদআত?
এখানে সতর্ক ও ন্যায়সঙ্গত ভাষা ব্যবহার করা প্রয়োজন।
যদি মিলাদুন নবীকে রাসূল ﷺ-এর জন্ম উপলক্ষে একটি নির্দিষ্ট বার্ষিক ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা বিশেষ ইবাদত হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়, যার নির্দেশ রাসূল ﷺ, সাহাবায়ে কেরাম বা প্রথম যুগের মুসলমানদের কাছ থেকে পাওয়া যায় না, তাহলে এটিকে বিদআত বলার পক্ষে শক্তিশালী শরয়ি যুক্তি রয়েছে।
কারণ রাসূল ﷺ দ্বীনের মধ্যে নতুন কিছু সংযোজনের ব্যাপারে কঠোরভাবে সতর্ক করেছেন।
তবে কেউ যদি কোনো নির্দিষ্ট ধর্মীয় দিবসকে শরিয়ত-নির্ধারিত উৎসব মনে না করে সাধারণভাবে কোরআন তিলাওয়াত, সীরাত আলোচনা, দরুদ, দোয়া বা দান-সদকার আয়োজন করেন, তখন বিষয়টির ফিকহি ব্যাখ্যায় আলেমদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। তাই মতভিন্নতার কারণে পরস্পরকে গালি দেওয়া বা ঈমান নিয়ে প্রশ্ন তোলা উচিত নয়।
আমাদের অবস্থান কী হওয়া উচিত?
দ্বীনের বিষয়ে সবচেয়ে নিরাপদ পথ হলো—যেখানে রাসূল ﷺ-এর সুন্নাহ প্রমাণিত, সেখানে দৃঢ়ভাবে তা অনুসরণ করা; আর যেখানে সুন্নাহর প্রমাণ নেই, সেখানে দ্বীনের নামে নতুন কিছু প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে সতর্ক থাকা।
রাসূল ﷺ-এর জন্মের দিনের সঙ্গে সম্পর্কিত সহিহ আমল আমাদের সামনে আছে—সোমবার রোজা।
তাঁর প্রতি ভালোবাসার সবচেয়ে বড় প্রমাণও আমাদের সামনে আছে—তাঁর সুন্নাহ অনুসরণ।
তাই প্রশ্ন হওয়া উচিত—
আমরা কি শুধু রাসূল ﷺ-এর জন্ম নিয়ে অনুষ্ঠান করব, নাকি তাঁর জীবনাদর্শ নিজেদের জীবনে বাস্তবায়ন করব?
রাসূল ﷺ-এর জন্মের আলোচনা হোক, তাঁর সীরাত আলোচনা হোক, তাঁর ওপর দরুদ পাঠ হোক—কিন্তু সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দু হোক কোরআন ও সহিহ সুন্নাহ।
কারণ রাসূল ﷺ-এর প্রতি সত্যিকারের ভালোবাসা শুধু মুখের দাবি নয়; তাঁর দেখানো পথে জীবন পরিচালনাই সেই ভালোবাসার সবচেয়ে বড় প্রমাণ।

মোঃ মিজানুর রহমান
নির্বাহী সম্পাদক
দৈনিক সকালের বার্তা

চৈতন্যের হাট আবৃরহাট আহমদ কবির সড়কের উদ্বোধন বিএনপি থাকলে দেশের উন্নয়ন হবে সমাবেশে বক্তারা

সকালের বার্তা ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১৫ পিএম
চৈতন্যের হাট আবৃরহাট আহমদ কবির সড়কের উদ্বোধন বিএনপি থাকলে দেশের উন্নয়ন হবে সমাবেশে বক্তারা

‎বহু প্রতিক্ষিত সড়ক চৈতন্যের হাট আবুরহাট সড়কের উদ্বোধন হয়েছে। আজ ১৫ই সেপ্টেম্বর বিকাল ৩ ঘটিকায় চট্টগ্রাম মিরসরাই উপজেলার ৮নং দূর্গাপুর ইউনিয়নের চৈতন্যের হাটে এই উদ্বোধনী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‎ ৮ নং দূর্গাপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক মো: জসিম উদ্দিন, এবং ৮ নং দূর্গাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব এবং বর্তমান উপজেলা বিএনপির সম্মানিত সদস্য আজিজুল হক মেম্বারের যৌথ সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম-১ মিরসরাই আসনের মাননীয় এমপি ও সদস্য, ধর্ম বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সদস্য জনাব, নুরুল আমিন এমপি মহোদয়।

‎এতে আরো উপস্থিত ছিলেন : উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ওলিউল কবির ইকবাল, মিরসরাই উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব গাজী নিজাম উদ্দিন, মিরসরাই উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আজিজুল হক চৌধুরী, মিরসরাই উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক সালাউদ্দিন চেয়ারম্যান,

‎বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক জনাব আফছার চেয়ারম্যান, বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক জনাব জমির উদ্দিন সহ জেলা উপজেলা বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল এবং গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

‎এ সময় সমাবেশে বক্তারা বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারী বিএনপিকে জয়যুক্ত করার পর দেশে উন্নয়নের জোয়ার বয়ে যাচ্ছে, মানুষ এখন শান্তিতে ঘুমাইতে পারতেছে। মিরসরাইতে কোন সড়ক সংস্কার বিহীন থাকবে না, উপজেলার প্রত্যেকটি সড়ক সংস্কারের আওতায় আসবে।

‎এ সময় বক্তব্য এমপি বলেন, আমরা মিরসরাইকে একটি রোল মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। গত ৫ আগষ্টে ভারতে লুকিয়ে থেকে দেশকে অস্থিতিশীল করার পায়তারা করছে নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামীলীগ তারা বলেছে ডিসেম্বরে আসবে এই ডিসেম্বর না কোন ডিসেম্বরে আসতে পারবেনা। আসছে আগামী স্থানীয় নির্বাচনে দল যাকে প্রার্থী দিবে তাকে জয়যুক্ত করার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান এমপি। সড়কের কাজে সকলকে আন্তরিকতা সহিত সহযোগীতা করার আহবান জানান, এমপি নুরুল আমিন এমপি মহোদয়।

‎এতে আরো বক্তব্য রাখেন ছাত্রদলের মিরসরাই বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা ছাত্রদলের মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক জনাব, ফখরুল ইসলাম ভূইয়া, জেলা ছাত্রদলের সম্মানিত সদস্য মো: জিসান, ৮ নং দূর্গাপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের ক্রীড়া পরিচালনা কমিটি সভাপতি তানভীরুল আজিজ তাসিফ সাধারণ সম্পাদক, মো: জিসান সহ জেলা উপজেলার বিএনপি, ছাত্রদল এবং যুবদলের সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা বক্তব্য রাখেন।

‎সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন, মিরসরাই উপজেলা আহবায়ক, আব্দুল আওয়াল।

ধামরাইয়ে বসতবাড়ি দখলের চেষ্টায় দুই ভাইসহ ৩ জন আহতের অভিযোগ

সকালের বার্তা ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৩৯ এএম
ধামরাইয়ে বসতবাড়ি দখলের চেষ্টায় দুই ভাইসহ ৩ জন আহতের অভিযোগ

ঢাকার ধামরাইয়ে বসতবাড়ি দখলের চেষ্টায় বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে ধারালো দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে জলিল, আরিফ, জমির আলী ও জিহাদসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আব্দুল গফুর, তার ভাই আব্দুর সফুর এবং গফুরের দুই ছেলে আওলাদ ও ওয়ারেছ আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে ধামরাই উপজেলার ভাড়ারিয়া ইউনিয়নের কাটাবই এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে।

অভিযোগে বলা হয়, আব্দুল গফুর ও তার ভাই আব্দুর সফুর ক্রয়কৃত জমিতে বসতবাড়ি নির্মাণ করে প্রায় ৩০ বছর ধরে বসবাস ও ভোগদখল করে আসছেন। তবে সম্প্রতি ওই জমির মালিকানা দাবি করে জমির আলীসহ কয়েকজন বিভিন্ন সময় জমিটি দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন বলে অভিযোগ করেন তারা।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ১২ সেপ্টেম্বর জমির আলী, আরিফ, জিহাদসহ কয়েকজন লোকজন নিয়ে ওই বসতবাড়িতে যান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এ সময় তারা করাত, চাপাতি, ছেন ও দা জাতীয় দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে বসতবাড়ির আঙিনায় থাকা কয়েকটি ফলজ গাছ কেটে ফেলে ঘর নির্মাণের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। কেটে ফেলা গাছগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩০ হাজার টাকা বলে দাবি করেছেন অভিযোগকারীরা।

এ সময় আব্দুল গফুর ও তার দুই ছেলে আওলাদ এবং ওয়ারেছ বাধা দিলে তাদের ওপর দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগে বলা হয়েছে। এতে তারা শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতপ্রাপ্ত হন। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আহতদের ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয় এবং সেখানে চিকিৎসা গ্রহণ করেন তারা।

তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত জমির আলী। এ বিষয়ে তার সঙ্গে কথা হলে তিনি দাবি করেন, ওই জমির মালিক তারা। আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে নিয়ে তারা জমিতে গিয়েছিলেন এবং সেখানে কোনো ধরনের হামলার ঘটনা ঘটেনি। পরে তারা সেখান থেকে চলে আসেন বলেও জানান তিনি।

ঘটনার বিষয়ে ধামরাই থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) শাহিনুর ইসলাম বলেন, “বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

স্থানীয়দের দাবি, জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ থাকলে তা আইনগতভাবে নিষ্পত্তি করা প্রয়োজন। বসতবাড়িতে হামলা, গাছপালা কাটা বা জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা হলে এলাকায় উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে। তাই বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

নিউ দারুল ইহসানে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে কুইজ, শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ

সকালের বার্তা ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৩ পিএম
নিউ দারুল ইহসানে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে কুইজ, শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে -এ দুই দিনব্যাপী আয়োজিত ইসলামি কুইজ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মাঝে উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। ইসলামি জ্ঞানচর্চা, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনাদর্শ এবং শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধ গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন নিউ দারুল ইহসান ক্যাডেট স্কুল এন্ড মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মুফতি আবু জাফর।
এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্রাইম টিভি ৭২-এর উপদেষ্টা ও দৈনিক সকালের বার্তা পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমান এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ আব্দুল জলিল।
অনুষ্ঠানে অতিথিরা প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। এ সময় তারা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি ইসলামি জ্ঞান অর্জন, নৈতিক চরিত্র গঠন এবং মহানবী (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণের আহ্বান জানান।
বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার প্রসারে এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জ্ঞানার্জনের আগ্রহ যেমন বাড়ে, তেমনি তাদের মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতার মানসিকতাও তৈরি হয়।
অনুষ্ঠানের শেষে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানানো হয় এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের শিক্ষামূলক ও ইসলামি জ্ঞানভিত্তিক আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।