দৌলতপুরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্কাউট ইউনিট পরিদর্শন, দক্ষতা ও পরিবেশ সচেতনতায় গুরুত্ব
Screenshot
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্কাউট কার্যক্রমের অগ্রগতি মূল্যায়ন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নির্ধারণে দিনব্যাপী পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ স্কাউটসের জেলা ও আঞ্চলিক পর্যায়ের কর্মকর্তারা।
সোমবার (৩ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এ পরিদর্শনে নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশ স্কাউটস কুষ্টিয়া জেলার জেলা কমিশনার মো. জাকারিয়া। তাঁর সঙ্গে ছিলেন জেলা সম্পাদক আশরাফুল হক, কুষ্টিয়া-মেহেরপুর-চুয়াডাঙ্গা অঞ্চলের উপ-পরিচালক এ কে এম আশিকুজ্জামান এবং জেলা স্কাউট লিডার আব্দুর রহিম।
পরিদর্শনকালে প্রতিনিধিদল খলিশাকুন্ডি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রিফায়েতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পি.এস.এস. মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং ফিলিপনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের স্কাউট ইউনিটের বিভিন্ন কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। এ সময় ইউনিট পরিচালনা, প্রশিক্ষণের মান, রেজিস্টার সংরক্ষণ, কুচকাওয়াজ, শৃঙ্খলা এবং শিক্ষার্থীদের সেবামূলক কর্মকাণ্ডের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করা হয়।
কর্মকর্তারা বলেন, একটি আদর্শ ও দায়িত্বশীল প্রজন্ম গড়ে তুলতে স্কাউটিংয়ের বিকল্প নেই। পাঠ্যবইয়ের শিক্ষার পাশাপাশি স্কাউটিং শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব, আত্মনির্ভরশীলতা, দেশপ্রেম, মানবিকতা এবং সমাজসেবার মানসিকতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ কারণে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত ও মানসম্মত স্কাউট কার্যক্রম পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
পরিদর্শন শেষে সংশ্লিষ্ট স্কাউট ইউনিটগুলোর কার্যক্রমের প্রশংসা করে কর্মকর্তারা প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন। পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করতে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দুটি করে ফলজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের গাছ লাগানো, পরিচর্যা করা এবং পরিবেশ রক্ষায় সচেতন ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান অতিথিরা।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দৌলতপুর উপজেলা স্কাউটস কমিশনার শাহরিয়ার জাহান, উপজেলা স্কাউটস সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, সহকারী লিডার ট্রেইনার (এএলটি) বকুল হোসেন, উপজেলা স্কাউট লিডার ও উডব্যাজার মিজানুর রহমান, উডব্যাজার মশিউর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক, স্কাউট লিডার, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং উপজেলা স্কাউটসের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
অতিথিরা বলেন, “আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের নেতৃত্ব দেবে। তাই স্কাউটিংয়ের মাধ্যমে শৃঙ্খলা, দায়িত্ববোধ, মানবিকতা এবং পরিবেশ সচেতনতার চর্চা আরও বিস্তৃত করতে হবে।










