দারোরা ইউনিয়নে উন্নয়ন ও জনসেবায় আলোচনায় চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন খন্দকার
ছবি- ফাইল
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার ১৯ নং দারোরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন খন্দকার স্থানীয়ভাবে একজন মানবিক, বিনয়ী ও জনবান্ধব জনপ্রতিনিধি হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। ইউনিয়নের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও জনসেবামূলক কার্যক্রমে তাঁর ভূমিকা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন খন্দকার সাধারণ মানুষের সঙ্গে আন্তরিক ও শ্রদ্ধাশীল আচরণের জন্য প্রশংসিত। ছোট-বড়, ধনী-গরিব ভেদাভেদ না করে তিনি সবার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং সমস্যা সমাধানে দ্রুত উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করেন। এ কারণে ইউনিয়নবাসীর একটি বড় অংশের কাছে তিনি আস্থার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।
দারোরা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় তাঁর নেতৃত্বে রাস্তা-ঘাট উন্নয়ন, অবকাঠামো নির্মাণ, শিক্ষা সহায়তা এবং সামাজিক উন্নয়নমূলক নানা কার্যক্রম বাস্তবায়িত হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। এসব উদ্যোগ ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলেও মত দিয়েছেন অনেকে।
বিশেষ করে ইউনিয়ন পরিষদে আধুনিক ও ডিজিটাল সেবা কার্যক্রম চালুর বিষয়টি স্থানীয় পর্যায়ে প্রশংসা কুড়িয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, ডিজিটাল সেবার প্রসারের ফলে জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ বিভিন্ন সেবা গ্রহণে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমেছে এবং সেবার গতি ও স্বচ্ছতা বেড়েছে।
স্থানীয় সচেতন মহলের ভাষ্য, একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন খন্দকার শুধু প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনেই সীমাবদ্ধ থাকেননি; বরং ইউনিয়নবাসীর সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রেখে জনকল্যাণমূলক কাজে সম্পৃক্ত থেকেছেন। ফলে ইউনিয়নে একটি ইতিবাচক নেতৃত্বের উদাহরণ তৈরি হয়েছে।
সামনে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় পর্যায়ে নতুন নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনা শুরু হলেও সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা—উন্নয়নের চলমান ধারা যেন ব্যাহত না হয়। স্থানীয়দের মতে, যিনিই আগামীতে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হোন না কেন, তাঁকে জনসেবা, সততা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে ইউনিয়নের উন্নয়নকে আরও এগিয়ে নিতে হবে।
চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন খন্দকার-এর নেতৃত্বে দারোরা ইউনিয়নে যে উন্নয়ন ও সেবামুখী প্রশাসনিক ধারা গড়ে উঠেছে, ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব সেই ধারাকে আরও শক্তিশালী করবে—এমন প্রত্যাশাই ইউনিয়নবাসীর।










