বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩

মাদারীপুরে ২৪৩ বছরের ঐতিহ্য কুন্ডুবাড়ির মেলা

নাজমুল হাসান,মাদারীপুর প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৩১ পিএম
মাদারীপুরে ২৪৩ বছরের ঐতিহ্য কুন্ডুবাড়ির মেলা

ছবি- সকালের বার্তা

​মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলায় দীপাবলি ও কালীপূজা উপলক্ষে আয়োজিত হচ্ছে ঐতিহাসিক কুন্ডুবাড়ির মেলা। ১৭৮৩ সালে দীননাথ ও মহেশ কুন্ডুর হাত ধরে শুরু হওয়া এই মেলা এ বছর ২৪৩ বছরে পদার্পণ করেছে। সময়ের সাথে সাথে এটি কেবল হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসব নয়, বরং দক্ষিণবঙ্গের সব ধর্মের মানুষের এক বিশাল মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে।

★​মেলার বিশেষত্ব ও আকর্ষণ:
★​বিশাল পরিধি: ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকা জুড়ে এই মেলা বসে।
★​কাঠের আসবাবপত্র: মেলাটি মূলত টেকসই ও সুন্দর নকশার কাঠের আসবাবপত্রের জন্য দেশজুড়ে বিখ্যাত।
★​পণ্যের বৈচিত্র্য: হস্তশিল্প, মাটির তৈজসপত্র, বাঁশ-বেতের সামগ্রী এবং শিশুদের বিনোদনের জন্য নাগরদোলা মেলার প্রধান আকর্ষণ।
★​অর্থনৈতিক প্রভাব: দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ব্যবসায়ীরা এখানে পসরা সাজান। এটি স্থানীয় অর্থনীতি ও গ্রামীণ কারিগরদের আয়ের একটি বড় উৎস।

মেলার আয়োজকরা জানান, হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব দীপাবলি ও কালীপূজা। এই পূজার আয়োজন ঘিরে ১৭৮৩ সালে ভুরঘাটা এলাকার দীননাথ কুন্ডু ও মহেশ কুন্ডু এই মেলার প্রবর্তন করেন। তাই কুন্ডুদের বংশের নামানুসারে এই মেলার নামকরণ করা হয় কুন্ডুবাড়ির মেলা। সেই সময় দীপাবলির পরের দিন এই অঞ্চলের বিভিন্ন কালী প্রতিমা জড়ো করা হতো। এর মধ্যে যাদের প্রতিমা সেরা হতো, তাদের পুরস্কার দেওয়া হতো। সেই সময় চিত্তবিনোদনের জন্য পুতুলনাচ, কবিগান, জারিগান, পালাগান, নৌকা বাইচের আয়োজন করা হতো। কালের বিবর্তনে পালাগান, জারিগান, নৌকাবাইচ বন্ধ থাকলেও নাগরদোলার আয়োজন এখনো রয়েছে। বংশপরম্পরায় প্রতি বছর এই মেলার আয়োজন করা হয়ে থাকে। কালকিনি পৌর এলাকার গোপালপুরের কুন্ডু বাড়িতে এ মেলার সূচনা হয়। দীপাবলি ও কালীপূজা ঘিরে ধর্মীয় আয়োজন হিসেবে শুরু হলেও সময়ের পরিক্রমায় এটি এখন বৃহৎ লোকজ উৎসবে পরিণত হয়েছে। এখন শুধু প্রতিমা প্রদর্শনীর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের মিলনমেলা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে মেলা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকাজুড়ে মেলা বসে প্রতি বছর। শুধু কুন্ডুবাড়ি নয়, ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের গোপালপুর থেকে ভুরঘাটা পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে বসে শত শত দোকান। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে দোকানিরা বিভিন্ন পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসেন। কাঠের বিভিন্ন ধরনের আসবাবপত্রের জন্য এই মেলা বিখ্যাত। মেলায় মাদারীপুর ছাড়াও ফরিদপুর, রাজবাড়ী, গোপালগঞ্জ, শরীয়তপুর, বরিশাল, খুলনা, বাগেরহাট, মাগুরা, যশোর, নড়াইলসহ দেশের বিভিন্ন জেলার ব্যবসায়ীরা মাটির, বাঁশের ও কাঠের তৈরি বিভিন্ন মালামাল বিক্রির জন্য নিয়ে আসেন। এখন ফার্নিচারের চাহিদাও রয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

কুন্ডুবাড়ি মন্দির কমিটির সদস্যরা জানিয়েছেন, কালীপূজার পরের দিন থেকেই মূলত মেলার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। তবে পূজার কয়েকদিন আগে থেকেই মেলার প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন ব্যবসায়ীরা। তারা কাঠের আসবাবপত্র, মাটির তৈজস, বাঁশ ও বেতের তৈরি পণ্যসহ নানা ধরনের গ্রামীণ সামগ্রী নিয়ে পসরা সাজান। পূজার আগ থেকেই ক্রেতা-বিক্রেতাদের আসা-যাওয়া শুরু হয়। মেলার দিনগুলোতে কুন্ডু বাড়ি এলাকা রূপ নেয় জনসমুদ্রে। দূর-দূরান্ত থেকে হাজারো মানুষ এই মেলায় অংশ নিতে আসেন।

মেলার সময় পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরতে আসা দর্শনার্থীদের উপস্থিতিতে মুখর থাকে পুরো এলাকা। বেচাকেনাও চলে জমজমাট। বিশেষ করে কাঠের তৈরি আসবাবপত্র মেলার অন্যতম আকর্ষণ। এখানকার তৈরি কাঠের খাট, আলমারি, চেয়ার-টেবিলসহ বিভিন্ন গৃহস্থালি ক্রেতাদের কাছে সমাদৃত। পাওয়া যায় নানা ধরনের হস্তশিল্প, খেলনা, মাটির পণ্য, গ্রামীণ ব্যবহার্য সামগ্রী এবং খাদ্যদ্রব্য। শিশু-কিশোরদের জন্য থাকে নাগরদোলা, খেলাধুলা ও বিনোদনের আয়োজন। সবমিলিয়ে মেলা পরিণত হয় প্রাণবন্ত উৎসবে। এটি এখন কেবল বাণিজ্যিক কার্যক্রমের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই বরং অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। গ্রামীণ কারিগর ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বড় বাজার হিসেবেও ধরা দিয়েছে। যেখানে তারা সরাসরি ক্রেতাদের কাছে তাদের পণ্য বিক্রি করতে পারেন। অনেকের জন্য মেলাটি বছরের অন্যতম আয়ের উৎস।

স্থানীয় লোকজন বলছেন, মেলাটি দক্ষিণবঙ্গের সর্ববৃহৎ। দেখার জন্য দূর-দূরান্ত থেকে আসেন অনেকে। এত বড় মেলা চোখে না দেখলে বিশ্বাস হবে না অনেকের। এখানে সব ধরনের জিনিসপত্র পাওয়া যায়।

৩৫ বছর ধরে মেলায় আসবাবপত্র বিক্রি করে আসছেন সমীর দাশ। তিনি বলেন, ‘ক্রেতাদের চাহিদা বুঝে বিভিন্ন ডিজাইনের আসবাবপত্র মেলায় নিয়ে যাই। অনেক কাঠের দোকান বসে মেলায়। সবারই টার্গেট থাকে কম দামে বেশি পণ্য বিক্রি করার। এজন্য বিক্রিও বেশি হয়। প্রতিদিন বহু মানুষ জিনিসপত্র কিনতে আসেন।’

মেলার আয়োজন নিয়ে কুন্ডুবাড়ির সদস্য বলরাম কুন্ডু বলেন, ‘বাপ-দাদার আমল থেকে দেখে আসছি এখানে মেলা হয়। তবে ঠিক কবে থেকে শুরু হয়েছিল, তা আমাদের জানা নেই। বাপ-দাদারা করে গেছেন তাই আমরাও করছি। পূজা উপলক্ষে প্রতি বছর কার্তিক মাসে মেলার আয়োজন করা হয়। গত ২০ অক্টোবর ১৫টি শর্ত দিয়ে দুই দিনের জন্য মেলার অনুমতি দিয়েছিল জেলা প্রশাসন। আগে সাধারণত পাঁচ-ছয় দিনব্যাপী মেলা হতো। এখন সরকার যে কয়দিনের অনুমতি দেয়, সে কয়দিনই মেলা হয়।’

কালকিনির ভূরঘাটা কুন্ডুবাড়ি কালীমন্দিরের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি স্বপন কুমার কুন্ডু বলেন, ‘কুন্ডুবাড়ির মেলা আমাদের পূর্বপুরুষদের ঐতিহ্য বহন করে আসছে। হিন্দু-মুসলিম সবার সহযোগিতা ও অংশগ্রহণে এটি বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের মিলনমেলায় পরিণত হয়। এটি শুধু ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, বরং সংস্কৃতি ও সামাজিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আমরা চাই এই ঐতিহ্য প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে পড়ুক।’

চৈতন্যের হাট আবৃরহাট আহমদ কবির সড়কের উদ্বোধন বিএনপি থাকলে দেশের উন্নয়ন হবে সমাবেশে বক্তারা

সকালের বার্তা ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১৫ পিএম
চৈতন্যের হাট আবৃরহাট আহমদ কবির সড়কের উদ্বোধন বিএনপি থাকলে দেশের উন্নয়ন হবে সমাবেশে বক্তারা

‎বহু প্রতিক্ষিত সড়ক চৈতন্যের হাট আবুরহাট সড়কের উদ্বোধন হয়েছে। আজ ১৫ই সেপ্টেম্বর বিকাল ৩ ঘটিকায় চট্টগ্রাম মিরসরাই উপজেলার ৮নং দূর্গাপুর ইউনিয়নের চৈতন্যের হাটে এই উদ্বোধনী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‎ ৮ নং দূর্গাপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক মো: জসিম উদ্দিন, এবং ৮ নং দূর্গাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব এবং বর্তমান উপজেলা বিএনপির সম্মানিত সদস্য আজিজুল হক মেম্বারের যৌথ সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম-১ মিরসরাই আসনের মাননীয় এমপি ও সদস্য, ধর্ম বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সদস্য জনাব, নুরুল আমিন এমপি মহোদয়।

‎এতে আরো উপস্থিত ছিলেন : উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ওলিউল কবির ইকবাল, মিরসরাই উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব গাজী নিজাম উদ্দিন, মিরসরাই উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আজিজুল হক চৌধুরী, মিরসরাই উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক সালাউদ্দিন চেয়ারম্যান,

‎বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক জনাব আফছার চেয়ারম্যান, বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক জনাব জমির উদ্দিন সহ জেলা উপজেলা বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল এবং গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

‎এ সময় সমাবেশে বক্তারা বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারী বিএনপিকে জয়যুক্ত করার পর দেশে উন্নয়নের জোয়ার বয়ে যাচ্ছে, মানুষ এখন শান্তিতে ঘুমাইতে পারতেছে। মিরসরাইতে কোন সড়ক সংস্কার বিহীন থাকবে না, উপজেলার প্রত্যেকটি সড়ক সংস্কারের আওতায় আসবে।

‎এ সময় বক্তব্য এমপি বলেন, আমরা মিরসরাইকে একটি রোল মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। গত ৫ আগষ্টে ভারতে লুকিয়ে থেকে দেশকে অস্থিতিশীল করার পায়তারা করছে নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামীলীগ তারা বলেছে ডিসেম্বরে আসবে এই ডিসেম্বর না কোন ডিসেম্বরে আসতে পারবেনা। আসছে আগামী স্থানীয় নির্বাচনে দল যাকে প্রার্থী দিবে তাকে জয়যুক্ত করার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান এমপি। সড়কের কাজে সকলকে আন্তরিকতা সহিত সহযোগীতা করার আহবান জানান, এমপি নুরুল আমিন এমপি মহোদয়।

‎এতে আরো বক্তব্য রাখেন ছাত্রদলের মিরসরাই বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা ছাত্রদলের মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক জনাব, ফখরুল ইসলাম ভূইয়া, জেলা ছাত্রদলের সম্মানিত সদস্য মো: জিসান, ৮ নং দূর্গাপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের ক্রীড়া পরিচালনা কমিটি সভাপতি তানভীরুল আজিজ তাসিফ সাধারণ সম্পাদক, মো: জিসান সহ জেলা উপজেলার বিএনপি, ছাত্রদল এবং যুবদলের সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা বক্তব্য রাখেন।

‎সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন, মিরসরাই উপজেলা আহবায়ক, আব্দুল আওয়াল।

ধামরাইয়ে বসতবাড়ি দখলের চেষ্টায় দুই ভাইসহ ৩ জন আহতের অভিযোগ

সকালের বার্তা ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৩৯ এএম
ধামরাইয়ে বসতবাড়ি দখলের চেষ্টায় দুই ভাইসহ ৩ জন আহতের অভিযোগ

ঢাকার ধামরাইয়ে বসতবাড়ি দখলের চেষ্টায় বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে ধারালো দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে জলিল, আরিফ, জমির আলী ও জিহাদসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আব্দুল গফুর, তার ভাই আব্দুর সফুর এবং গফুরের দুই ছেলে আওলাদ ও ওয়ারেছ আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে ধামরাই উপজেলার ভাড়ারিয়া ইউনিয়নের কাটাবই এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে।

অভিযোগে বলা হয়, আব্দুল গফুর ও তার ভাই আব্দুর সফুর ক্রয়কৃত জমিতে বসতবাড়ি নির্মাণ করে প্রায় ৩০ বছর ধরে বসবাস ও ভোগদখল করে আসছেন। তবে সম্প্রতি ওই জমির মালিকানা দাবি করে জমির আলীসহ কয়েকজন বিভিন্ন সময় জমিটি দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন বলে অভিযোগ করেন তারা।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ১২ সেপ্টেম্বর জমির আলী, আরিফ, জিহাদসহ কয়েকজন লোকজন নিয়ে ওই বসতবাড়িতে যান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এ সময় তারা করাত, চাপাতি, ছেন ও দা জাতীয় দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে বসতবাড়ির আঙিনায় থাকা কয়েকটি ফলজ গাছ কেটে ফেলে ঘর নির্মাণের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। কেটে ফেলা গাছগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩০ হাজার টাকা বলে দাবি করেছেন অভিযোগকারীরা।

এ সময় আব্দুল গফুর ও তার দুই ছেলে আওলাদ এবং ওয়ারেছ বাধা দিলে তাদের ওপর দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগে বলা হয়েছে। এতে তারা শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতপ্রাপ্ত হন। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আহতদের ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয় এবং সেখানে চিকিৎসা গ্রহণ করেন তারা।

তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত জমির আলী। এ বিষয়ে তার সঙ্গে কথা হলে তিনি দাবি করেন, ওই জমির মালিক তারা। আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে নিয়ে তারা জমিতে গিয়েছিলেন এবং সেখানে কোনো ধরনের হামলার ঘটনা ঘটেনি। পরে তারা সেখান থেকে চলে আসেন বলেও জানান তিনি।

ঘটনার বিষয়ে ধামরাই থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) শাহিনুর ইসলাম বলেন, “বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

স্থানীয়দের দাবি, জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ থাকলে তা আইনগতভাবে নিষ্পত্তি করা প্রয়োজন। বসতবাড়িতে হামলা, গাছপালা কাটা বা জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা হলে এলাকায় উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে। তাই বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

নিউ দারুল ইহসানে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে কুইজ, শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ

সকালের বার্তা ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৩ পিএম
নিউ দারুল ইহসানে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে কুইজ, শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে -এ দুই দিনব্যাপী আয়োজিত ইসলামি কুইজ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মাঝে উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। ইসলামি জ্ঞানচর্চা, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনাদর্শ এবং শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধ গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন নিউ দারুল ইহসান ক্যাডেট স্কুল এন্ড মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মুফতি আবু জাফর।
এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্রাইম টিভি ৭২-এর উপদেষ্টা ও দৈনিক সকালের বার্তা পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমান এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ আব্দুল জলিল।
অনুষ্ঠানে অতিথিরা প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। এ সময় তারা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি ইসলামি জ্ঞান অর্জন, নৈতিক চরিত্র গঠন এবং মহানবী (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণের আহ্বান জানান।
বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার প্রসারে এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জ্ঞানার্জনের আগ্রহ যেমন বাড়ে, তেমনি তাদের মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতার মানসিকতাও তৈরি হয়।
অনুষ্ঠানের শেষে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানানো হয় এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের শিক্ষামূলক ও ইসলামি জ্ঞানভিত্তিক আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।