মানবসেবায় এক বছর: বাঁধনের উদ্যোগে ফ্রি ব্লাড গ্রুপিং ক্যাম্প
বাঁধন শেরপুর সরকারি কলেজ ইউনিটের ১ বছর পূর্তি উপলক্ষে বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ও সদস্য সংগ্রহ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) সকাল ১১টায় এ কর্মসূচির উদ্বোধন করে বাধন শেরপুর সরকারি কলেজ ইউনিট, বিভাগীয় জোন-১।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেরপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আব্দুর রউফ এবং উপাধ্যক্ষ মো. আক্রাম হোছাইন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাঁধন পরিবারের শিক্ষক উপদেষ্টা ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মুমিনুল ইসলাম এবং দর্শন বিভাগের প্রভাষক সবুজ আলম, ইংরেজী বিভাগের প্রভাষক মোস্তাফিজুর রহমান।
বাঁধন শেরপুর সরকারি কলেজ পরিবারের আহ্বায়ক ফয়সল আহমেদ, যুগ্ম আহ্বায়ক সাবিকুন্নাহার ইতিমুনি, সদস্য সচিব মাহমুদুল হাসান বিদ্যুৎসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নেন রাকিব হাসান রকি (সভাপতি, আনন্দমোহন কলেজ ইউনিট, ময়মনসিংহ), সাব্বির হোসেন রাফি (সভাপতি, গুরুদয়াল সরকারি কলেজ ইউনিট, কিশোরগঞ্জ) এবং সানজিদা সোহেলিয়া (বাঁধন কর্মী, আনন্দমোহন কলেজ ইউনিট, ময়মনসিংহ)।
সংগঠনের আহ্বায়ক ফয়সল আহমেদ বলেন, আজ আমাদের জন্য একটি বিশেষ দিন- বাঁধন শেরপুর সরকারি কলেজ ইউনিটের ১ বছর পূর্তি। এই এক বছরে আমরা শিক্ষার্থীদের মাঝে রক্তদানের গুরুত্ব ছড়িয়ে দিতে কাজ করেছি। আজকের এই বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ও সদস্য সংগ্রহ কর্মসূচির মাধ্যমে আমরা আরও নতুন মুখকে যুক্ত করতে পেরেছি। আমরা বিশ্বাস করি, একজন সচেতন রক্তদাতা মানেই একটি সম্ভাব্য জীবন রক্ষা। ভবিষ্যতেও আমরা মানবসেবার এই পথচলা অব্যাহত রাখব এবং সবার সহযোগিতা কামনা করছি
প্রধান অতিথি প্রফেসর মো. আব্দুর রউফ বলেন, “বাঁধন শেরপুর সরকারি কলেজ ইউনিটের এ উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। রক্তদান একটি মহৎ মানবিক কাজ, যা মানুষের জীবন বাঁচাতে সরাসরি ভূমিকা রাখে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে এমন সামাজিক ও মানবিক মূল্যবোধ গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। আমি আশা করি, এই সংগঠন ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে এবং আরও বেশি শিক্ষার্থীকে মানবসেবায় উদ্বুদ্ধ করবে। ভালো কাজে কলেজ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবসময় সহযোগিতা থাকবে। আমি বাঁধনের সার্বিক সাফল্য কামনা করছি
কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করা হয় এবং নতুন সদস্য সংগ্রহ করা হয়। অনুষ্ঠানে কলেজের শিক্ষার্থী ও বর্তমান সদস্যদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়।













