জামালপুর-১ আসনে বিএনপির বড় ব্যবধানে জয়, তিনজনের জামানত বাজেয়াপ্ত
Oplus_131072
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষে জামালপুর-১ (বকশীগঞ্জ-দেওয়ানগঞ্জ) আসনের ফলাফল ঘিরে চলছে নানা আলোচনা। বিশেষ করে কে কত ভোট পেলেন এবং কারা জামানত রক্ষা করতে পারলেন—তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিশ্লেষণ চলছে।
এই আসনে মোট পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, বিএনপির কেন্দ্রীয় কোষাধ্যক্ষ এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৬৫৬ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী নাজমুল হক সাঈদী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৯৭ হাজার ৮২০ ভোট।
অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক চারবারের উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুর রউফ তালুকদার হাতপাখা প্রতীকে পান ৪ হাজার ১২১ ভোট। জাতীয় পার্টির প্রার্থী একেএম ফজলুল হক লাঙল প্রতীকে পান ৯৩১ ভোট এবং গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী রফিকুল ইসলাম ট্রাক প্রতীকে পান মাত্র ২২৬ ভোট।
নির্বাচনী বিধান অনুযায়ী, কোনো প্রার্থীকে জামানত ফেরত পেতে হলে মোট বৈধ ভোটের অন্তত এক-অষ্টমাংশ অর্জন করতে হয়। এ আসনে বৈধ ভোটের সংখ্যা ছিল ২ লাখ ৭৬ হাজার ৭৫৪। সে হিসেবে জামানত টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন ছিল কমপক্ষে ৩৪ হাজার ৫৯৪ ভোট। বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থী ছাড়া অন্য তিনজন ওই সীমায় পৌঁছাতে পারেননি। ফলে তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আনোয়ারুল হক জানিয়েছেন, এবারের নির্বাচনে প্রত্যেক প্রার্থীকে ৫০ হাজার টাকা করে জামানত জমা দিতে হয়েছে। নির্ধারিত ভোটের হার পূরণে ব্যর্থ হলে সেই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা হয়।
উল্লেখ্য, জামালপুর-১ আসনে ১২৮টি কেন্দ্রে মোট ৪ লাখ ৩১ হাজার ৭০৭ জন ভোটার ছিলেন। ভোট দিয়েছেন ২ লাখ ৮০ হাজার ৯৪৬ জন। এর মধ্যে বৈধ ভোট পড়েছে ২ লাখ ৭৬ হাজার ৭৫৪টি। ভোটের হার ছিল ৬৫ দশমিক ০৮ শতাংশ।













