শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩

রোয়াইল ইউনিয়ন ভূমি অফিসে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

রোয়াইল ইউনিয়ন ভূমি অফিসে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

মাসুদ রানা, নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৫:০৭ পিএম
রোয়াইল ইউনিয়ন ভূমি অফিসে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

ঢাকার ধামরাই উপজেলার রোয়াইল ইউনিয়ন ভূমি অফিসে অনিয়ম, দুর্নীতি ও বহিরাগতদের প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ উঠেছে। সরকারি ভূমি অফিসে সেবাপ্রত্যাশীদের সরাসরি সরকারি সেবা পাওয়ার কথা থাকলেও সেখানে ইব্রাহিম, জসিম ও সোহেল রানা নামে তিন বহিরাগত ব্যক্তির নিয়মিত উপস্থিতি এবং নামজারি ও রেকর্ড রুমের বিভিন্ন কাজে তাদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

অভিযোগের বিষয়ে সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহের সময় রোয়াইল ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা রেজাউল করিমের কাছে অফিসে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংখ্যা এবং নিয়মিত যাতায়াতকারী বহিরাগতদের বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়। এ সময় তিনি স্টাফের সংখ্যা ও বহিরাগতদের বিষয়ে নির্দিষ্ট তথ্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এমনকি এ বিষয়ে প্রতিবেদককে নিজেই খুঁজে দেখার কথা বলেন বলে জানা গেছে।

একটি সরকারি দপ্তরে অনুমোদিত কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংখ্যা এবং সেখানে দায়িত্ব পালনকারী জনবলের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার কাছ থেকে সুস্পষ্ট তথ্য না পাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। একই সঙ্গে সরকারি অফিসে বহিরাগতদের অবাধ যাতায়াত থাকলে তাদের পরিচয়, দায়িত্ব ও কাজের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ইব্রাহিম, জসিম ও সোহেল রানা দীর্ঘদিন ধরে রোয়াইল ইউনিয়ন ভূমি অফিসে নিয়মিত যাতায়াত করেন এবং ভূমি সংক্রান্ত বিভিন্ন কাজে প্রভাব বিস্তার করেন। বিশেষ করে নামজারি ও রেকর্ড রুমের বিভিন্ন কাজেও তাদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে।

তবে তারা ভূমি অফিসের অনুমোদিত কর্মকর্তা-কর্মচারী কি না, কিংবা সরকারি কোনো দায়িত্বে তাদের নিয়োগ রয়েছে কি না এ বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

যদি তারা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী না হয়ে থাকেন, তাহলে সরকারি ভূমি অফিসের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমে তাদের প্রবেশ ও কাজ করার সুযোগ কীভাবে তৈরি হয়েছে এ প্রশ্নের উত্তর প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয় সেবাপ্রত্যাশীরা।

বিশেষ করে রেকর্ড রুম সরকারি ভূমি-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র সংরক্ষণের একটি সংবেদনশীল স্থান। সেখানে অনুমোদনহীন ব্যক্তিদের প্রবেশাধিকার থাকলে সরকারি নথির নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হওয়া স্বাভাবিক।

অভিযোগ রয়েছে, ভূমি অফিসকেন্দ্রিক বিভিন্ন কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ততার মাধ্যমে ইব্রাহিম, জসিম ও সোহেল রানা বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। তবে তাদের সম্পদের প্রকৃত পরিমাণ, আয়ের উৎস কিংবা সম্পদ বৈধ উপায়ে অর্জিত হয়েছে কি না এসব অভিযোগ স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

তাই অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আয়-ব্যয়, সম্পদ ও ভূমি অফিসকেন্দ্রিক সম্ভাব্য আর্থিক লেনদেনের বিষয়ে প্রশাসনিক তদন্ত প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

নামজারি, খতিয়ান, রেকর্ড সংশোধনসহ ভূমি-সংক্রান্ত সরকারি সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষ যেন সরাসরি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মাধ্যমে সেবা পান এটাই সরকারি ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য। কিন্তু কোনো সরকারি অফিসে বহিরাগত বা মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব তৈরি হলে সাধারণ সেবাপ্রত্যাশীদের হয়রানি ও অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়ের আশঙ্কা তৈরি হয়।

রোয়াইল ইউনিয়ন ভূমি অফিসেও এমন কোনো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

তাদের প্রশ্ন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী থাকার পরও যদি বহিরাগত ব্যক্তিদের মাধ্যমে সরকারি ভূমি-সংক্রান্ত কাজ পরিচালিত হয়ে থাকে, তাহলে তাদের দায়িত্ব ও ক্ষমতার উৎস কী? তারা কার অনুমতিতে অফিসের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হচ্ছেন?

রোয়াইল ইউনিয়ন ভূমি অফিসকে ঘিরে ওঠা অভিযোগগুলো দ্রুত তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাদের মতে, তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা সামনে আসা জরুরি। অভিযোগ সত্য হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে; আর অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে তদন্তের মাধ্যমেই তা পরিষ্কার করা প্রয়োজন।

তদন্তে বিশেষভাবে রোয়াইল ইউনিয়ন ভূমি অফিসের অনুমোদিত কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংখ্যা, বহিরাগতদের পরিচয় ও ভূমিকা, নামজারি ও রেকর্ড রুমে তাদের প্রবেশাধিকার এবং ভূমি-সংক্রান্ত কাজের সঙ্গে তাদের কোনো আর্থিক সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না এসব বিষয় খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।

এ ছাড়া অভিযোগে উল্লিখিত ইব্রাহিম, জসিম ও সোহেল রানা সরকারি কোনো পদে না থাকলে তারা কীভাবে ভূমি অফিসের কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হলেন এবং কার অনুমোদনে অফিসের বিভিন্ন কাজে অংশ নিচ্ছেন এ বিষয়েও প্রশাসনিকভাবে ব্যাখ্যা প্রয়োজন।

সরকারি ভূমি অফিস কোনো ব্যক্তি, বহিরাগত বা কথিত দালালচক্রের প্রভাবের অধীনে পরিচালিত হওয়ার সুযোগ নেই। অভিযোগের সত্যতা থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্মচারী ও বহিরাগতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি সরকারি নথিপত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি।

এ বিষয়ে ধামরাই উপজেলা ভূমি প্রশাসন ও ঢাকা জেলা ভূমি প্রশাসনের বক্তব্য এবং কার্যকর পদক্ষেপের অপেক্ষায় রয়েছেন স্থানীয় সেবাপ্রত্যাশীরা।

তবে প্রতিবেদনে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে অভিযুক্ত ইব্রাহিম, জসিম ও সোহেল রানার বক্তব্য এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন ভূমি কর্মকর্তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।

চৈতন্যের হাট আবৃরহাট আহমদ কবির সড়কের উদ্বোধন বিএনপি থাকলে দেশের উন্নয়ন হবে সমাবেশে বক্তারা

সকালের বার্তা ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১৫ পিএম
চৈতন্যের হাট আবৃরহাট আহমদ কবির সড়কের উদ্বোধন বিএনপি থাকলে দেশের উন্নয়ন হবে সমাবেশে বক্তারা

‎বহু প্রতিক্ষিত সড়ক চৈতন্যের হাট আবুরহাট সড়কের উদ্বোধন হয়েছে। আজ ১৫ই সেপ্টেম্বর বিকাল ৩ ঘটিকায় চট্টগ্রাম মিরসরাই উপজেলার ৮নং দূর্গাপুর ইউনিয়নের চৈতন্যের হাটে এই উদ্বোধনী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‎ ৮ নং দূর্গাপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক মো: জসিম উদ্দিন, এবং ৮ নং দূর্গাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব এবং বর্তমান উপজেলা বিএনপির সম্মানিত সদস্য আজিজুল হক মেম্বারের যৌথ সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম-১ মিরসরাই আসনের মাননীয় এমপি ও সদস্য, ধর্ম বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সদস্য জনাব, নুরুল আমিন এমপি মহোদয়।

‎এতে আরো উপস্থিত ছিলেন : উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ওলিউল কবির ইকবাল, মিরসরাই উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব গাজী নিজাম উদ্দিন, মিরসরাই উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আজিজুল হক চৌধুরী, মিরসরাই উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক সালাউদ্দিন চেয়ারম্যান,

‎বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক জনাব আফছার চেয়ারম্যান, বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক জনাব জমির উদ্দিন সহ জেলা উপজেলা বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল এবং গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

‎এ সময় সমাবেশে বক্তারা বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারী বিএনপিকে জয়যুক্ত করার পর দেশে উন্নয়নের জোয়ার বয়ে যাচ্ছে, মানুষ এখন শান্তিতে ঘুমাইতে পারতেছে। মিরসরাইতে কোন সড়ক সংস্কার বিহীন থাকবে না, উপজেলার প্রত্যেকটি সড়ক সংস্কারের আওতায় আসবে।

‎এ সময় বক্তব্য এমপি বলেন, আমরা মিরসরাইকে একটি রোল মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। গত ৫ আগষ্টে ভারতে লুকিয়ে থেকে দেশকে অস্থিতিশীল করার পায়তারা করছে নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামীলীগ তারা বলেছে ডিসেম্বরে আসবে এই ডিসেম্বর না কোন ডিসেম্বরে আসতে পারবেনা। আসছে আগামী স্থানীয় নির্বাচনে দল যাকে প্রার্থী দিবে তাকে জয়যুক্ত করার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান এমপি। সড়কের কাজে সকলকে আন্তরিকতা সহিত সহযোগীতা করার আহবান জানান, এমপি নুরুল আমিন এমপি মহোদয়।

‎এতে আরো বক্তব্য রাখেন ছাত্রদলের মিরসরাই বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা ছাত্রদলের মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক জনাব, ফখরুল ইসলাম ভূইয়া, জেলা ছাত্রদলের সম্মানিত সদস্য মো: জিসান, ৮ নং দূর্গাপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের ক্রীড়া পরিচালনা কমিটি সভাপতি তানভীরুল আজিজ তাসিফ সাধারণ সম্পাদক, মো: জিসান সহ জেলা উপজেলার বিএনপি, ছাত্রদল এবং যুবদলের সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা বক্তব্য রাখেন।

‎সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন, মিরসরাই উপজেলা আহবায়ক, আব্দুল আওয়াল।

ধামরাইয়ে বসতবাড়ি দখলের চেষ্টায় দুই ভাইসহ ৩ জন আহতের অভিযোগ

সকালের বার্তা ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৩৯ এএম
ধামরাইয়ে বসতবাড়ি দখলের চেষ্টায় দুই ভাইসহ ৩ জন আহতের অভিযোগ

ঢাকার ধামরাইয়ে বসতবাড়ি দখলের চেষ্টায় বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে ধারালো দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে জলিল, আরিফ, জমির আলী ও জিহাদসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আব্দুল গফুর, তার ভাই আব্দুর সফুর এবং গফুরের দুই ছেলে আওলাদ ও ওয়ারেছ আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে ধামরাই উপজেলার ভাড়ারিয়া ইউনিয়নের কাটাবই এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে।

অভিযোগে বলা হয়, আব্দুল গফুর ও তার ভাই আব্দুর সফুর ক্রয়কৃত জমিতে বসতবাড়ি নির্মাণ করে প্রায় ৩০ বছর ধরে বসবাস ও ভোগদখল করে আসছেন। তবে সম্প্রতি ওই জমির মালিকানা দাবি করে জমির আলীসহ কয়েকজন বিভিন্ন সময় জমিটি দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন বলে অভিযোগ করেন তারা।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ১২ সেপ্টেম্বর জমির আলী, আরিফ, জিহাদসহ কয়েকজন লোকজন নিয়ে ওই বসতবাড়িতে যান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এ সময় তারা করাত, চাপাতি, ছেন ও দা জাতীয় দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে বসতবাড়ির আঙিনায় থাকা কয়েকটি ফলজ গাছ কেটে ফেলে ঘর নির্মাণের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। কেটে ফেলা গাছগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩০ হাজার টাকা বলে দাবি করেছেন অভিযোগকারীরা।

এ সময় আব্দুল গফুর ও তার দুই ছেলে আওলাদ এবং ওয়ারেছ বাধা দিলে তাদের ওপর দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগে বলা হয়েছে। এতে তারা শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতপ্রাপ্ত হন। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আহতদের ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয় এবং সেখানে চিকিৎসা গ্রহণ করেন তারা।

তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত জমির আলী। এ বিষয়ে তার সঙ্গে কথা হলে তিনি দাবি করেন, ওই জমির মালিক তারা। আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে নিয়ে তারা জমিতে গিয়েছিলেন এবং সেখানে কোনো ধরনের হামলার ঘটনা ঘটেনি। পরে তারা সেখান থেকে চলে আসেন বলেও জানান তিনি।

ঘটনার বিষয়ে ধামরাই থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) শাহিনুর ইসলাম বলেন, “বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

স্থানীয়দের দাবি, জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ থাকলে তা আইনগতভাবে নিষ্পত্তি করা প্রয়োজন। বসতবাড়িতে হামলা, গাছপালা কাটা বা জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা হলে এলাকায় উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে। তাই বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

নিউ দারুল ইহসানে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে কুইজ, শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ

সকালের বার্তা ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৩ পিএম
নিউ দারুল ইহসানে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে কুইজ, শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে -এ দুই দিনব্যাপী আয়োজিত ইসলামি কুইজ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মাঝে উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। ইসলামি জ্ঞানচর্চা, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনাদর্শ এবং শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধ গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন নিউ দারুল ইহসান ক্যাডেট স্কুল এন্ড মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মুফতি আবু জাফর।
এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্রাইম টিভি ৭২-এর উপদেষ্টা ও দৈনিক সকালের বার্তা পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমান এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ আব্দুল জলিল।
অনুষ্ঠানে অতিথিরা প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। এ সময় তারা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি ইসলামি জ্ঞান অর্জন, নৈতিক চরিত্র গঠন এবং মহানবী (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণের আহ্বান জানান।
বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার প্রসারে এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জ্ঞানার্জনের আগ্রহ যেমন বাড়ে, তেমনি তাদের মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতার মানসিকতাও তৈরি হয়।
অনুষ্ঠানের শেষে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানানো হয় এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের শিক্ষামূলক ও ইসলামি জ্ঞানভিত্তিক আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।