মিরসরাইয়ে প্রধান শিক্ষকের নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ, ভয়ে স্কুলে আসা বন্ধ
মিরসরাইয়ে বামন সুন্দর উচ্চ বিদ্যালয়ের এর প্রধান শিক্ষক নাজমুল কবিরের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগ উঠেছে এমনকি ছাত্রীদের উপবৃত্তির টাকাও দিতোনা এই শিক্ষক। বিভিন্ন সময়ে স্কুলে আসেন না প্রধান শিক্ষক নাজমুল কবির। এমন চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার বামনসুন্দর ফকির আহম্মদ উচ্চ বিদ্যালয়ে।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব এর অবস্থা করুন কম্পিউটার গুলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকতে দেখা যায়। আশপাশের মানুষের কাছ থেকে এই প্রধান শিক্ষক মানুষের কাছ থেকে অনেক টাকা পয়সা পাওয়ার অভিযোগ উঠে। প্রধান শিক্ষক না থাকায় সহকারী শিক্ষক দিয়ে চলছে এই স্কুলের কার্যক্রম।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে, বামনসুন্দর ফকির আহম্মদ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা জানান, এই স্কুলের প্রধান শিক্ষক না থাকায় সহকারী শিক্ষিকার দায়িত্বে আছি। তিনি দীর্ঘদিন যাবত অনুপস্থিত আছেন ঠিকমত স্কুলে আসেননা। তার অনুপস্থিততে স্কুলের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
সহকারী শিক্ষক জানান, প্রধান শিক্ষক নজরুল কবির ঠিকমত স্কুলে যাওয়া আসা করেন না। ঐ সার ভালোমত ৫ দিনও স্কুলে উপস্থিত থাকেন না। টাকার ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন ঐ স্যারের কাছে আমিও টাকা পাই আমারও লেনদেন আছে ৫ লাখ টাকা কিন্তু তিনি কোনরকম চিন্তা নাই। এ সময় তিনি বলেন, ঐ স্যারের কাছে অনেক মানুষে টাকা পাবে তিনি টাকার দেওয়ার ভয়ে স্কুলে আসেনা।
শিক্ষার্থীরা জানান, আমাদের স্কুলের প্রধান শিক্ষক ঠিকমত স্কুলে আসেনা। আমাদের ক্লাসও নেয়না কম্পিউটারের যে ল্যাব আছে আমাদেরকে সেখানে কম্পিউটার ব্যবহার করতে দেয়না। আমাদের পড়ালেখার সমস্যা হচ্ছে। আমরা চাই আমাদের পড়ালেখা ঠিকমত চলুক। ঠিকমত কম্পিউটার ব্যবহার করতে চান বলে জানান শিক্ষার্থীরা।
ভুক্তভোগী জানান, গত ২০০১ সালের পর এই স্কুলের অবকাঠামোর দিক দিয়ে আর সংস্কার হয়নি, স্কুলের টেবিল চেয়ার, সিলিং ফ্যান এবং শোচাগার গুলোও আজ পর্যন্ত সংস্কার করা হয়নি। এত বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আর আজ এমন অবস্থা যা অত্যান্ত দু:খজনক বলে জানান এই ভুক্তভোগী।















