শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩

‎যুবলীগ থেকে কৃষক লীগ, ভোল পাল্টে এখন ‘বড় মাপের’ সাংবাদিক

নাজমুল হাসান, মাদারীপুর: প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ৪:৪৭ পিএম
‎যুবলীগ থেকে কৃষক লীগ, ভোল পাল্টে এখন ‘বড় মাপের’ সাংবাদিক

‎রাজনীতি আর সাংবাদিকতা—দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন আদর্শ ও পেশাদারিত্বের জায়গা। কিন্তু মাদারীপুরের ডাসার উপজেলায় এই দুই মেরুকে এক সুতোয় গেঁথে এক অভিনব ও বিতর্কিত সাম্রাজ্য গড়ে তোলার অভিযোগ উঠেছে হেমায়েত হোসেন খান নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। একসময় মাঠপর্যায়ের দলীয় রাজনীতিতে সক্রিয় থাকা এই নেতা আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর রাতারাতি খোলস বদলে বনে গেছেন ‘বড় মাপের’ সাংবাদিক ও সম্পাদক। মূলত সম্ভাব্য আইনি ঝামেলা ও মামলা থেকে বাঁচতে গণমাধ্যমকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছেন তিনি। অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে তার রাজনৈতিক ডিগবাজি এবং সাংবাদিকতার নামে অঞ্চলজুড়ে চালানো এক বিশাল অপকর্মের খতিয়ান।

‎​শিক্ষাগত যোগ্যতা ‘আন্ডার-মেট্রিক’, হারিয়েছেন মুহুরীর পদও

‎অনুসন্ধানে জানা যায়, হেমায়েত হোসেন খান একসময় মাদারীপুর জজ কোর্টে আইনজীবীর সহকারী (মুহুরী) হিসেবে কাজ করতেন। তবে প্রচলিত আইন অনুযায়ী আইনজীবীর সহকারী হতে হলে সর্বনিম্ন এসএসসি বা সমমান পাস হওয়া বাধ্যতামূলক। হেমায়েত মেট্রিক পাস করতে না পারায় এবং কোনো বৈধ সার্টিফিকেট দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় আইনি বেড়াজালে শেষ পর্যন্ত আইনজীবীর সহকারীর পদটি হারান। কিন্তু বিস্ময়কর বিষয় হলো, মেট্রিক ফেল করে আদালতের মুহুরীর পদ হারানো সেই ব্যক্তিই এখন দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন বড় মানের সাংবাদিক ও পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে! সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও নেটিজেনরা তার শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। মোহাম্মদ শামীম হোসেন নামের একজন মন্তব্য করেছেন, “ও তো মূর্খ কিসের সাংবাদিক। সাংবাদিক হতে হলে কি কোন শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগেনা?”

‎​রাজনৈতিক খোলস বদল ও রাতারাতি সাংবাদিকতার ‘আলাদিনের চেরাগ’

‎খোঁজ নিয়ে জানা যায়, হেমায়েত হোসেন খান ইতিপূর্বে ডাসার উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দলীয় কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন। পরবর্তীতে ক্ষমতার চাকা ঘোরার সাথে সাথে তিনি ডাসার উপজেলা কৃষক লীগের যুগ্ম আহ্বায়কের গুরুত্বপূর্ণ পদ বাগিয়ে নেন। কিন্তু রাজনৈতিক এই পরিচয়ের আড়ালে গত কয়েক বছরে তার মূল পরিচিতি হয়ে উঠেছে একজন প্রভাবশালী ‘সাংবাদিক’ হিসেবে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এমডি রিয়াদ হোসেন নামের এক ব্যক্তি ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেছেন, “ছেলে করে ছাত্রলীগ, বাবা করে কৃষকলীগ। গরু চোরা এখন হইছে সাংবাদিক।” একইভাবে মো. মিলন নামের একজন ভুক্তভোগী দাবি করেন, “হাসিনার আমলের দোসর হেমায়েত আমাদের কে মিথ্যা মামলা এক নম্বর সাক্ষী ছিল ২০১৭ সালে।”

‎​অপরাধের সাম্রাজ্য ও ‘কার্ড বাণিজ্য’

‎স্থানীয়দের অভিযোগ, শিক্ষাগত যোগ্যতা বা গণমাধ্যমের কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও হেমায়েত হোসেন খান নিজেকে একটি পত্রিকার সম্পাদক ও বড় মাপের সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দেন। যুবলীগ থেকে কৃষক লীগের শীর্ষ পদ, আর হাতে তথাকথিত সাংবাদিকতার পরিচয়পত্র—এই ত্রিমুখী ক্ষমতাবলয় ব্যবহার করে ডাসার ও গোপালপুর এলাকায় একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করছেন তিনি। নিজেই চাঁদাবাজি, ব্ল্যাকমেইলিং ও প্রতারণাসহ নানা অপরাধের সাম্রাজ্য নিয়ন্ত্রণ করছেন বলে ভুক্তভোগীদের দাবি।

 

‎​নিজের অপরাধ ঢাকতে এবং দেশজুড়ে নেটওয়ার্ক বাড়াতে তিনি খুলেছেন ‘প্রতিদিনের ক্রাইম’ নামের একটি অনলাইন পেজ ও পোর্টাল। এখানেই থেমে নেই, মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে সারাদেশ থেকে প্রতিনিধি নিয়োগ দিয়ে পুরোদস্তুর ‘সম্পাদক’ বনে গেছেন তিনি। তার এই কথিত সাংবাদিক সেজে ও ভয় দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার একটি চিত্র ফেসবুকের বিভিন্ন পোস্টে উঠে এসেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ফোন আলাপের থাম্বনেইল, যেখানে লেখা রয়েছে—”কথিত সাংবাদিক হেমায়েত হোসেন খান ওসি, র‍্যাবের ভয় দেখিয়ে টাকা নিলো।” ওই পোস্টগুলোর নিচে রাসেল হাসান নামের একজন লিখেছেন, “আগে ছিল চোর এখন সাংবাদিক।” আবার আরএস রনি হোসাইন মন্তব্য করেছেন, “আগে আছিল চোর তারপর পুলিশের দালাল তারপরে কোডের চামচা এখন আবার সাংবাদিক।” উজ্জল বৈদ্য নামের অপর একজন তার অবস্থান নিশ্চিত করে লিখেছেন, “ওকে এসে ধরেন, ওর বাড়ি মাদারীপুর পাথরিয়ার পার।”

‎​এছাড়া মাদারীপুরের বিভিন্ন এলাকার দোকানপাট থেকে বাকিতে লেনদেন করে সেই টাকাও পরিশোধ করছেন না তিনি।টাকা চাইলে দেওয়া হচ্ছে নিউজ করে দেওয়ার হুমকি। তার এহেন কর্মকাণ্ডে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাধারণ জনতা তীব্র ভাষায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।

 

 

মাদারীপুরের ডাসার উপজেলা মার্কেটের ব্যবসায়ী আল আমিন মিয়া অভিযোগের সুরে বলেন, সাংবাদিক হেমায়েত হোসেন খান, আরো প্রায় তিন/চার বছর আগে আমার দোকান থেকে ১২০০ টাকা বাকি খেয়ে সেই টাকা এখনো দেননি। টাকা চাইলে তিনি সাংবাদিকতার প্রভাব দেখান।

 

জেলার ডাসার উপজেলার ইউনিয়নের মাইজপাড়া এলাকার বাইজিদ হোসেন। তিনি জানান, তাদের পারিবারিক বিষয়ে ঝামেলা চলছিল। হঠাৎ এক ব্যক্তি এসে ভিডিও ধারণ শুরু করে। তার নাম পরিচয় জিজ্ঞেস করলে তিনি জানান, তার নাম সাংবাদিক হেমায়েত হোসেন খান।

ভিডিও ধারণ করার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকতার পরিচয় দিয়ে বলেন,আপনাদের ভিডিও আমাদের কাছে আছে, আমরা যেহেতু এসেছি আমরা নিউজ করবো।অত:পর নিউজ না করার শর্তে দাবি করা হয় ৫ হাজার টাকা।ফ্যামিলির পক্ষ থেকে এক হাজার টাকা দেয়া হলেও নিতে রাজি নন তিনি।

দিতে হবে পুরো ৫০০০ টাকা-ই।

এক পর্যায়ে,পরিবারের সবাই মিলে প্রতিরোধ করে তুললে টাকা না নিয়েই পালিয়ে যান তিনি।

‎​ক্ষুব্ধ পেশাদার সাংবাদিক ও সচেতন মহল

‎নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডাসারের এক প্রবীণ গণমাধ্যমকর্মী তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “সাংবাদিকতা এখন আর মেধা বা নৈতিকতার পেশা নেই। যুবলীগ-কৃষক লীগের পদধারী নেতারা যখন নিজেদের সম্পাদক দাবি করেন এবং টাকার বিনিময়ে কার্ড বিক্রি করেন, তখন পেশাদার সাংবাদিকদের মাঠে কাজ করা কঠিন হয়ে পড়ে। প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরাও এদের রাজনৈতিক পরিচয় আর সাংবাদিকতার ডাবল খোলসের কারণে সমীহ করে চলতে বাধ্য হন।”

‎​রাজনৈতিক ব্যানারে নিজেকে দলীয় কর্মী দাবি করা ব্যক্তি যখন সাংবাদিকতার কার্ডকে ঢাল বানিয়ে বিভিন্ন অপকর্ম পরিচালনা করেন, তখন মাঠপর্যায়ে মূলধারার সাংবাদিকতার ভাবমূর্তি মারাত্মক সংকটে পড়ে।

​এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য অভিযুক্ত হেমায়েত হোসেন খানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

‎ডাসার ও কালকিনি সহ মাদারীপুরের সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের দাবি, এই ছদ্মবেশী ও ভুঁইফোড় সাংবাদিকের শিক্ষাগত যোগ্যতা, কথিত “প্রতিদিন ক্রাইম নামক পত্রিকার সম্পাদক পরিচয় দিয়ে চলার বৈধতা এবং তার আয়ের উৎস নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও তথ্য মন্ত্রণালয়ের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। হেমায়েতের মতো অপসাংবাদিকদের হাত থেকে মাদারীপুরের গণমাধ্যম ও সাধারণ মানুষকে রক্ষা করতে প্রশাসনের নীরবতা ভাঙার জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

নাগরপুর বাজারে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পাশে জামায়াত নেতা ডা.  আব্দুল হামিদ

এম এ মান্নানঃ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:১১ এএম
নাগরপুর বাজারে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পাশে জামায়াত নেতা ডা.  আব্দুল হামিদ

টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার সদর ইউনিয়ন বাজারে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক এমপি প্রার্থী জননেতা ডা. এ কে এম আব্দুল হামিদ।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বিকেলে তিনি নাগরপুর বাজারে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ইয়াসিন সুপার মার্কেট পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের খোঁজখবর নেন এবং অগ্নিকাণ্ডে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে বিস্তারিত অবহিত হন।

পরিদর্শনকালে ডা. এ কে এম আব্দুল হামিদ ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের প্রতি গভীর সহমর্মিতা প্রকাশ করেন। তিনি তাদের দুর্ভোগ ও ক্ষয়ক্ষতির কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের জন্য দোয়া করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন নাগরপুর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা রফিকুল ইসলাম, সেক্রেটারি অধ্যাপক আব্দুস সালাম, চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুর রশিদ মিয়া হারুন, সদর ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মো. ইমরান হোসাইন প্রমূখ।

চৈতন্যের হাট আবৃরহাট আহমদ কবির সড়কের উদ্বোধন বিএনপি থাকলে দেশের উন্নয়ন হবে সমাবেশে বক্তারা

সকালের বার্তা ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১৫ পিএম
চৈতন্যের হাট আবৃরহাট আহমদ কবির সড়কের উদ্বোধন বিএনপি থাকলে দেশের উন্নয়ন হবে সমাবেশে বক্তারা

‎বহু প্রতিক্ষিত সড়ক চৈতন্যের হাট আবুরহাট সড়কের উদ্বোধন হয়েছে। আজ ১৫ই সেপ্টেম্বর বিকাল ৩ ঘটিকায় চট্টগ্রাম মিরসরাই উপজেলার ৮নং দূর্গাপুর ইউনিয়নের চৈতন্যের হাটে এই উদ্বোধনী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‎ ৮ নং দূর্গাপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক মো: জসিম উদ্দিন, এবং ৮ নং দূর্গাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব এবং বর্তমান উপজেলা বিএনপির সম্মানিত সদস্য আজিজুল হক মেম্বারের যৌথ সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম-১ মিরসরাই আসনের মাননীয় এমপি ও সদস্য, ধর্ম বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সদস্য জনাব, নুরুল আমিন এমপি মহোদয়।

‎এতে আরো উপস্থিত ছিলেন : উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ওলিউল কবির ইকবাল, মিরসরাই উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব গাজী নিজাম উদ্দিন, মিরসরাই উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আজিজুল হক চৌধুরী, মিরসরাই উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক সালাউদ্দিন চেয়ারম্যান,

‎বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক জনাব আফছার চেয়ারম্যান, বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক জনাব জমির উদ্দিন সহ জেলা উপজেলা বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল এবং গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

‎এ সময় সমাবেশে বক্তারা বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারী বিএনপিকে জয়যুক্ত করার পর দেশে উন্নয়নের জোয়ার বয়ে যাচ্ছে, মানুষ এখন শান্তিতে ঘুমাইতে পারতেছে। মিরসরাইতে কোন সড়ক সংস্কার বিহীন থাকবে না, উপজেলার প্রত্যেকটি সড়ক সংস্কারের আওতায় আসবে।

‎এ সময় বক্তব্য এমপি বলেন, আমরা মিরসরাইকে একটি রোল মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। গত ৫ আগষ্টে ভারতে লুকিয়ে থেকে দেশকে অস্থিতিশীল করার পায়তারা করছে নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামীলীগ তারা বলেছে ডিসেম্বরে আসবে এই ডিসেম্বর না কোন ডিসেম্বরে আসতে পারবেনা। আসছে আগামী স্থানীয় নির্বাচনে দল যাকে প্রার্থী দিবে তাকে জয়যুক্ত করার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান এমপি। সড়কের কাজে সকলকে আন্তরিকতা সহিত সহযোগীতা করার আহবান জানান, এমপি নুরুল আমিন এমপি মহোদয়।

‎এতে আরো বক্তব্য রাখেন ছাত্রদলের মিরসরাই বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা ছাত্রদলের মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক জনাব, ফখরুল ইসলাম ভূইয়া, জেলা ছাত্রদলের সম্মানিত সদস্য মো: জিসান, ৮ নং দূর্গাপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের ক্রীড়া পরিচালনা কমিটি সভাপতি তানভীরুল আজিজ তাসিফ সাধারণ সম্পাদক, মো: জিসান সহ জেলা উপজেলার বিএনপি, ছাত্রদল এবং যুবদলের সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা বক্তব্য রাখেন।

‎সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন, মিরসরাই উপজেলা আহবায়ক, আব্দুল আওয়াল।

ধামরাইয়ে বসতবাড়ি দখলের চেষ্টায় দুই ভাইসহ ৩ জন আহতের অভিযোগ

সকালের বার্তা ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৩৯ এএম
ধামরাইয়ে বসতবাড়ি দখলের চেষ্টায় দুই ভাইসহ ৩ জন আহতের অভিযোগ

ঢাকার ধামরাইয়ে বসতবাড়ি দখলের চেষ্টায় বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে ধারালো দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে জলিল, আরিফ, জমির আলী ও জিহাদসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আব্দুল গফুর, তার ভাই আব্দুর সফুর এবং গফুরের দুই ছেলে আওলাদ ও ওয়ারেছ আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে ধামরাই উপজেলার ভাড়ারিয়া ইউনিয়নের কাটাবই এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে।

অভিযোগে বলা হয়, আব্দুল গফুর ও তার ভাই আব্দুর সফুর ক্রয়কৃত জমিতে বসতবাড়ি নির্মাণ করে প্রায় ৩০ বছর ধরে বসবাস ও ভোগদখল করে আসছেন। তবে সম্প্রতি ওই জমির মালিকানা দাবি করে জমির আলীসহ কয়েকজন বিভিন্ন সময় জমিটি দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন বলে অভিযোগ করেন তারা।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ১২ সেপ্টেম্বর জমির আলী, আরিফ, জিহাদসহ কয়েকজন লোকজন নিয়ে ওই বসতবাড়িতে যান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এ সময় তারা করাত, চাপাতি, ছেন ও দা জাতীয় দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে বসতবাড়ির আঙিনায় থাকা কয়েকটি ফলজ গাছ কেটে ফেলে ঘর নির্মাণের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। কেটে ফেলা গাছগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩০ হাজার টাকা বলে দাবি করেছেন অভিযোগকারীরা।

এ সময় আব্দুল গফুর ও তার দুই ছেলে আওলাদ এবং ওয়ারেছ বাধা দিলে তাদের ওপর দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগে বলা হয়েছে। এতে তারা শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতপ্রাপ্ত হন। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আহতদের ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয় এবং সেখানে চিকিৎসা গ্রহণ করেন তারা।

তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত জমির আলী। এ বিষয়ে তার সঙ্গে কথা হলে তিনি দাবি করেন, ওই জমির মালিক তারা। আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে নিয়ে তারা জমিতে গিয়েছিলেন এবং সেখানে কোনো ধরনের হামলার ঘটনা ঘটেনি। পরে তারা সেখান থেকে চলে আসেন বলেও জানান তিনি।

ঘটনার বিষয়ে ধামরাই থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) শাহিনুর ইসলাম বলেন, “বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

স্থানীয়দের দাবি, জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ থাকলে তা আইনগতভাবে নিষ্পত্তি করা প্রয়োজন। বসতবাড়িতে হামলা, গাছপালা কাটা বা জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা হলে এলাকায় উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে। তাই বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।