শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

স্বজনপ্রীতি ও দলীয়করণের থাবায় রাণীগঞ্জের কৃষি সহায়তা: প্রকৃত কৃষকরা বঞ্চিত, ক্ষোভ

সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি: প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ১০:০৩ পিএম
স্বজনপ্রীতি ও দলীয়করণের থাবায় রাণীগঞ্জের কৃষি সহায়তা: প্রকৃত কৃষকরা বঞ্চিত, ক্ষোভ

সুনামগঞ্জের রাণীগঞ্জে কৃষি সহায়তা বিতরণে ব্যাপক অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও দলীয়করণের অভিযোগ উঠেছে। প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত না করে নিজের পরিবারের সদস্যদের দিয়ে পকেট কমিটি এবং সুবিধাভোগীদের তালিকা ভারী করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক প্রভাবশালী নেতার বিরুদ্ধে। এ নিয়ে সাধারণ কৃষক ও স্থানীয় সচেতন মহলের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রস্তাবিত ২নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি পদপ্রার্থী সাদিকুর রহমান (পিতা: শফিকুর রহমান) নিজের প্রভাব খাটিয়ে সরকারি কৃষি সহায়তা এবং দলীয় পদ নিজের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বণ্টন করেছেন। সাদিকুর রহমানের আপন চাচা একলিমুর রহমান স্থানীয় আওয়ামী লীগের একজন সক্রিয় নেতা। রাজনৈতিক আদর্শ ভিন্ন হওয়া সত্ত্বেও পারিবারিক সুবিধার কারণে তাকেও নানাভাবে পুনর্বাসন ও সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায় সাদিকুর রহমানের আপন ভাই তারেক মিয়া, যিনি পূর্বে যুবলীগের রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। রাতারাতি খোলস বদলে তাকে এখন প্রস্তাবিত ২নং ওয়ার্ড যুবদলের সেক্রেটারি (সাধারণ সম্পাদক) বানানোর পাঁয়তারা চলছে।এছাড়া ক্ষমতার অপব্যবহার ও স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে সাদিকুর রহমান তাঁর নিজের পরিবারের আরও বেশ কয়েকজন সদস্যকে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ও দলীয় কমিটিতে যুক্ত করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

বঞ্চিত প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত, স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, সাম্প্রতিক সময়ে আসা সরকারি কৃষি সহায়তা প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাওয়ার কথা থাকলেও, তারা সম্পূর্ণ সুবিধাবঞ্চিত হয়েছেন। সাদিকুর রহমানের তৈরি করা তালিকায় ঠাঁই পেয়েছে তাঁর নিজের পরিবারের সদস্য, আত্মীয়-স্বজন এবং রাজনৈতিক ডিগবাজি দেওয়া ব্যক্তিরা।

ক্ষুব্ধ এক কৃষক বলেন: আমরা বন্যায়-খরায় ফসল হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছি। অথচ যারা কোনোদিন জমিতে নামেনি, শুধু নেতার আত্মীয় হওয়ায় তারা সরকারি অনুদান পাচ্ছে। এটা মেনে নেওয়া যায় না।তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের দাবি—বিগত সরকারের আমলের মতো এখনো যদি স্বজনপ্রীতি ও হাইব্রিড (সাবেক যুবলীগ-আওয়ামী লীগ) নেতাদের দিয়ে পকেট কমিটি ও সরকারি সুবিধা বণ্টন করা হয়, তবে দলের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হবে।

সচেতন মহল অবিলম্বে এই অনিয়মের সুষ্ঠু তদন্ত এবং স্বজনপ্রীতির তালিকা বাতিল করে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে কৃষি সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার জন্য প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

শ্রমিক অসন্তোষের কারণে পোশাক খাতে দেড় হাজার কোটি টাকার ক্ষতি

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:৫৫ এএম
শ্রমিক অসন্তোষের কারণে পোশাক খাতে দেড় হাজার কোটি টাকার ক্ষতি

ছবিঃ বাংলা ভিশন

শ্রমিক অসন্তোষের আগুনে পুড়ছে পোশাক খাত। সরকারের গঠন করা মজুরি বোর্ড কাজ শুরু করার পরও আন্দোলনের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন-এফবিসিসিআই। এই আন্দোলন শ্রমিকদের স্বতঃস্ফূর্ত নয় এমন দাবি তাদের। অথচ এর জেরে পোশাক খাতের ক্ষতি ছাড়িয়েছে দেড় হাজার কোটি টাকায়। দীর্ঘস্থায়ী অস্থিরতায় নতুন ক্রয়াদেশ হারানোর পাশাপাশি রফতানিতে নিতে ঝুঁকি তৈরি হয়েছে এমন আশঙ্কা অর্থনীতিবিদের।

মজুরি বাড়ানোর দাবিকে ঘিরে রাজপথসহ শিল্পাঞ্চলে আন্দোলন ঘিরে উত্তপ্ত রফতানি আয়ের প্রধান উৎস-তৈরি পোশাক খাত।

নতুন বেতন-ভাতা নির্ধারণে মজুরি বোর্ড কাজ শুরু করার পরেও শ্রমিক অন্তোষের যৌক্তিক কারণ দেখছে না এফবিসিসিআই। এই আন্দোলনের ধরণ ও সহিংসতা দেখে প্রশাসক জানিয়েছেন, এটা শ্রমিকদের দাবি-দাওয়ার স্বাভাবিক প্রতিফলন নয়।

পোশাক শিল্প মালিকদের দাবি, কয়েকদিনের টানা আন্দোলনে পাঁচ শতাধিক কারখানার উৎপাদন বন্ধের ফলে ক্ষতি ছাড়িয়েছে দেড় হাজার কোটি টাকা। সহসাই অসন্তোষ না থামলে নতুন ক্রয়াদেশ বাতিলের পাশাপাশি রপ্তানি কমার শঙ্কা বিশ্লেষকদের। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, পোশাক শিল্পে সংকট মানে শুধু কারখানা মালিকের লোকসান নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে প্রায় ৪০ লাখ শ্রমিকের জীবিকা। তাই অসন্তোষ নিরসনে দ্রুত মজুরি নির্ধারণের তাগিদ বিশ্লেষকদের।

শাকিল ইসলামের হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে গণমিছিল ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

সকালের বার্তা ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:২১ এএম
শাকিল ইসলামের হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে গণমিছিল ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

সজিবুর রহমান নাটোর প্রতিনিধি :

নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার ধারাবারিষা ইউনিয়নে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত গুরুদাসপুর পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব শাকিল ইসলামের হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে গণমিছিল ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (১ নভেম্বর) বিকেলে ধারাবারিষা ইউনিয়নের নয়াবাজারে বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয় সংলগ্ন খোলা মাঠে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ৫ নং ধারাবারিষা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. মনিরুজ্জামান হেনা।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুরুদাসপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, উপজেলা কৃষকদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আনিসুর রহমান, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম বিপ্লব, মশিন্দা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম রফিক, নাজিরপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. শামসুল আলম, চাপিলা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি হাজী রেজাউল করিম, খুবজীপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি দোরাপ আলী সরকার, বিয়াঘাট ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম, চাপিলা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাফর ইকবাল নয়ন, মশিন্দা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. হাবিবুর রহমান খোকন এবং ধারাবারিষা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. শাহিন কাউছার।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন চাপিলা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শামীম আহম্মেদ, উপজেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মো. মাসুদ রানা প্রামাণিক, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আলিম প্রামাণিক, নাজিরপুর ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাকিবুর রহমান রাজা, খুবজীপুর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মো. রাজু আহমেদ, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র সদস্য মো. ইসরাফিল শেখ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. শামীম আহম্মেদ, যুগ্ম আহ্বায়ক রাঙ্গা মোল্লা, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. রিপন শিংসহ বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ধারাবারিষা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি মো. রুবেল হাসান।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ অক্টোবর রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে গুরুদাসপুর উপজেলার চাঁচকৈড় বাজারপাড়া এলাকায় হামলার শিকার হন শাকিল ইসলাম।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, হেলমেট ও মাস্ক পরিহিত দুই যুবক মোটরসাইকেলে এসে তাঁকে লক্ষ্য করে প্রথমে গুলি ছোড়ে। প্রাণভয়ে শাকিল দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে দুর্বৃত্তরা তাঁকে ধাওয়া করে ধরে ফেলে। পরে চাপাতি ও চাইনিজ কুড়াল দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয়রা তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১২ দিন পর, গত ২৬ অক্টোবর দিবাগত রাতে মারা যান শাকিল।
নিহত শাকিল ইসলাম গুরুদাসপুর পৌর সদরের কাচারিপাড়া এলাকার রবিউল করিমের ছেলে। তিনি স্থানীয় ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন।

দোয়া মাহফিলে বক্তারা শাকিল ইসলামের স্মৃতিচারণ করে তাঁর রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের কথা তুলে ধরেন। এ সময় তাঁরা তাঁর অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।
সবশেষে মরহুম শাকিল ইসলামের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে, আরেক দল জুলাই নিয়ে ব্যবসা করছে: ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ

সকালের বার্তা ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:২০ এএম
আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে, আরেক দল জুলাই নিয়ে ব্যবসা করছে: ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ

মোঃ রাজিব মিয়া মুরাদনগর উপজেলা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:

আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ব্যবসা করেছে, আরেকটি দল জুলাই চেতনা নিয়ে ব্যবসা করছে বলে মন্তব্য করেছেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনের সংসদ সদস্য কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ।

সোমবার (২ নভেম্বর) কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের মাঝে ধর্মমন্ত্রীর নিজস্ব তহবিল থেকে অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ধর্মমন্ত্রী বলেন, “আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ব্যবসা করেছে, আরেকটি দল জুলাই চেতনা নিয়ে ব্যবসা করছে। আমরা ব্যবসা করতে চাই না। তারেক রহমান পরিষ্কারভাবে বলে দিয়েছেন, যার যার সম্মান তাকে দিতে হবে। জুলাই চেতনাকে ভিত্তি করে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। একই সঙ্গে যারা মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন, তাদেরও যথাযথ সম্মান জানাতে হবে। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা একজন মুক্তিযোদ্ধা, আমাদের প্রধানমন্ত্রীও একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান।”

নিজের চিকিৎসার প্রসঙ্গ তুলে ধর্মমন্ত্রী বলেন, “আমি এবং আমার পরিবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে কৃতজ্ঞ। তিনি আমার চিকিৎসার জন্য দীর্ঘ ছুটি দিয়েছিলেন।”

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রশংসা করে তিনি বলেন, “তিনি এমন একজন মানুষ, যিনি দেশের জন্য অনেক পরিশ্রম করেন। একদিন অফিস সময়ের পর তাঁর সঙ্গে কথা বলার সময় দেখেছি, তিনি অত্যন্ত ক্লান্ত। কিন্তু তাঁর কথাবার্তায় ক্লান্তির কোনো ছাপ ছিল না। তিনি সব সময় বাংলাদেশের অসহায় ও দরিদ্র মানুষের কথা চিন্তা করেন। তারই প্রতিফলন হিসেবে তিনি কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ড চালুর ব্যবস্থা করেছেন। পাশাপাশি ইমাম, মুয়াজ্জিন ও অন্যান্য ধর্মীয় গুরুদের ভাতার ব্যবস্থাও করেছেন।”

এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়ে ধর্মমন্ত্রী বলেন, আল্লাহ যেন তাঁকে সব ধরনের ষড়যন্ত্র থেকে হেফাজত করেন।

মুরাদনগর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাকিব হাসান খান। সহকারী শিক্ষক শারমিন ফাতেমার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মুরাদনগর, বাঙ্গরা বাজার ও তিতাস সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার এ কে এম কামরুজ্জামান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শফিউল আলম তালুকদার, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ পাভেল খান পাপ্পু, সমাজসেবা কর্মকর্তা বরুণ চন্দ্র দে, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মহিউদ্দিন অঞ্জন ও সদস্যসচিব মোল্লা মুজিবুল হক প্রমুখ।

এ সময় উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।