“দৌলতখানে কন্যা ধর্ষণের অভিযোগে বাবা পলাতক”
ভোলার দৌলতখান উপজেলার বিচ্ছিন্ন ইউনিয়ন মদনপুরে নিজের ১৫ বছর বয়সী কিশোরী কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক বাবার (৩৭) বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ব্যক্তি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। শুক্রবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভোলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ ইব্রাহিম।
স্থানীয় সূত্র ও কিশোরীর মায়ের দেওয়া তথ্যমতে, অভিযুক্ত ওই ব্যক্তির নির্যাতনের অতিষ্ঠ হয়ে তার স্ত্রী কিছুদিন আগে বাবার বাড়িতে চলে গিয়েছিলেন। সে সময় কিশোরী মেয়েটি তার বাবার কাছেই ছিল। সম্প্রতি মা বাবার বাড়ি থেকে ফিরে এসে মেয়ের শারীরিক পরিবর্তন লক্ষ্য করেন এবং এ বিষয়ে জানতে চান। তখন ভুক্তভোগী কিশোরী তার মায়ের কাছে দীর্ঘদিনের লোমহর্ষক নির্যাতনের বর্ণনা দেয়। কিশোরীর মা জানান, বিষয়টি নিয়ে স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে স্ত্রীকে মারধর করেন। কিশোরীর মায়ের অভিযোগ, অভিযুক্ত বাবা অবৈধ সম্পর্ক গোপন করতে মেয়েকে জোরপূর্বক গর্ভপাতের ওষুধ খাওয়ান। এতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ শুরু হলে গত ৩ মার্চ সন্ধ্যায় কিশোরীকে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সে সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে। ভুক্তভোগীর পরিবারের দাবি, ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর থেকে অভিযুক্তের ভাই ও বড় মেয়ের জামাই স্থানীয় প্রভাবশালীদের মাধ্যমে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এদিকে ঘটনা প্রকাশ পাওয়ার পর থেকেই অভিযুক্ত ব্যক্তি এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে রয়েছেন।
ভোলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ ইব্রাহিম জানান:
“ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ভুক্তভোগী কিশোরীর চিকিৎসার খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।”








