শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

শার্শার বসতপুরে মিথ্যা মামলার ভয় দেখিয়ে হয়রানির অভিযোগ, আতঙ্কে এলাকাবাসী

হুমায়ন কবির মিরাজ, বেনাপোল: প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:০৫ পিএম
শার্শার বসতপুরে মিথ্যা মামলার ভয় দেখিয়ে হয়রানির অভিযোগ, আতঙ্কে এলাকাবাসী
যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া ইউনিয়নের বসতপুর গ্রামে নিরীহ মানুষকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বাসিন্দা আফরোজা খাতুন ওরফে আফরোজা আক্তার মুক্তা নামে এক নরীর বিরুদ্ধে। তার করা একের পর এক মামলার কারণে তার নিজ পরিবারের সদস্যসহ প্রতিবেশীরা আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে আফরোজা খাতুন বিভিন্ন সময়ে এলাকার অসহায় মানুষদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের করেছেন। মসজিদের ইমাম, প্রতিবেশী ও নিজ পরিবারের সদস্যসহ নিজ গ্রামের অন্তত ৯ জনের নামে মামলা করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও তিনি এলাকার বিভিন্ন মানুষের নামে মামলা দিয়ে পরে থানায় বা আদালতে হাজিরা না দিয়ে তাদের হয়রানি করে আসছে। তার মামলায় মসজিদে ইমাম সাহেব বাদ যায়নি।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, মামলা দিয়ে ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে মহল্লার কিছু গরিব ও অসহায় নারীদের দিয়ে জোরপূর্বক রান্নাবান্না ও বাড়ির বিভিন্ন কাজ করিয়ে নেন তিনি। কেউ তার কথা অমান্য করলে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করার হুমকি দেন।
স্থানীয়দের দাবি, আফরোজা খাতুন একাধিক বিয়ে করেছেন এবং বিভিন্ন সময়ে মোটা অঙ্কের কাবিনের টাকা গ্রহণের পর স্বামীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন হয়রানিমূলক মামলা দিয়েছেন।  শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া ইউনিয়নের বসতপুর বাজারপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তার ৪ থেকে ৫টি বিয়ে হলেও বর্তমানে তিনি কোনো স্বামীর সঙ্গে সংসার করছেন না।
এ বিষয়ে কথা হয় আফরোজা খাতুনের দ্বিতীয় স্বামীর নাসির উদ্দীনের সঙ্গে তিনি জানান, ২০০৩ সালে আফরোজার সাথে তার বিয়ে হয় এবং ২০২৩ সালে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। বিবাহিত জীবনে বিভিন্ন কৌশলে তার প্রায় চার বিঘা জমি বিক্রির টাকা আত্মসাৎ করেন আফরোজা। পরে সেই টাকা ফেরত চাইলে তার বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে আদালতে ধর্ষণ চেষ্টার মামলা দায়ের করা হয়। মামলার ভয়ে তারা আর টাকা ফেরত চাইতে সাহস পাননি।,বিভিন্ন কৌশলে তার জমিগুলো বিক্রি করে দেয়। পরে তাকে মানসিক ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করে।এছাড়াও তার বড় ভাইকে  মারধর করে তার নামে চুরি ও ডাকাতির মতো একাধিক মামলা দিয়েছে, যা এখনও আদালতে চলমান।”
প্রতিবেশী এক ভুক্তভোগী নারী অভিযোগ করে বলেন, “তিনি প্রায়ই আমাদের বিভিন্ন ধরনের হুমকি-ধমকি দেন। তার কথার অবাধ্য হলে দা নিয়ে মারতে আসেন এবং বাড়ির দরজা ও টিনের চাল ভেঙে ফেলার হুমকি দেন। আমার পরিবারের কয়েকজন সদস্যের নামে তিনি মিথ্যা মামলা করেছেন। তার অত্যাচারে আমরা সবসময় আতঙ্কে থাকি।”
৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা নারী বলেন, “একদিন রাত সাড়ে ১১টার দিকে তিনি আমার বাড়িতে এসে বিভিন্ন সবজি ও তরকারি রান্না করতে বলেন। আমি অসুস্থ থাকায় রাজি না হওয়ায় পরে আমার ছেলের নামে মামলা করেন।”
স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, এলাকায় প্রায় ১৫০ জন প্রতিবেশীর নামে তিনি বিভিন্ন সময় মামলা করেছেন। তৎকালীন সময়ে প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতাদের প্রভাব ব্যবহার করে এসব কর্মকাণ্ড চালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বর্তমানে তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের নাম ব্যবহার করে পুলিশ প্রশাসনকে বদলির হুমকি দিচ্ছেন বলেও দাবি করেছেন স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আফরোজা আক্তার বলেন, ৯০ সাল থেকে এখনো পর্যন্ত বিষয়টা চলমান। এ বিষয়ে তৎকালীন সময়ে আওয়ামীলিগের সময় নেতৃবৃন্দ এসপি, ডিসি, সবাই যানতো। বর্তমানে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান  নার্গিস বেগম, সাবেরুল হক সাবু শার্শা উপজেলা বিএনপির আবুল হাসান জহির,সম্পাদক নুরুজ্জামান লিটন ও খাইরুজ্জামান মধু বিষয়টিতে অবগত আছে।তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা বলে তিনি দাবী করেন।
এ বিষয়ে নাভারন সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) আরিফ হোসেন বলেন, সম্পত্তি সংক্রান্ত যে অভিযোগগুলো উঠেছে, তার অধিকাংশেরই সুস্পষ্ট ভিত্তি পাওয়া যায়নি। তারপরও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এসব সম্পত্তির দাবি করে যাচ্ছেন। এ ধরনের বিষয় দেওয়ানি আদালতের এখতিয়ারভুক্ত, সেখান থেকেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে। আমরা তদন্তে জেনেছি, মহিলাটী ঝগড়াটে স্বভাবের এবং ইতোমধ্যে প্রায় দেড় শতাধিক মানুষের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আমরা সতর্ক রয়েছি।

মাদিলাহাট ব্যবসায়ী সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন

মো:শাফিকুল ইসলাম ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:১৬ পিএম
মাদিলাহাট ব্যবসায়ী সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন

মাদিলাহাট ব্যবসায়ী সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন-২০২৬ শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে।
গত ০৬ নভেম্বর শুক্রবার সকাল ১০টা হতে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ৪নং বেতদিঘী ইউনিয়ন পরিষদ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

ভোট গণনা শেষে নির্বাচন কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন।

সভাপতি পদে নির্বাচিত:
মোঃ আলাউদ্দিন মাস্টার(আনারস মার্কা) ২০৬ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোঃ রেজেক পেয়েছেন ৬৬ ভোট।

সাধারণ সম্পাদক পদে আতাউর রহমান (চেয়ারমার্কা)১৭৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন।তার প্রতিদ্বন্দ্বী মোঃ মকসেদুল মমিন পেয়েছেন ৯৫ ভোট।

কোষাধ্যক্ষ পদে
মোঃ রাসেল(হাতি মার্কা) ১৫৬ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন।তার প্রতিদ্বন্দ্বী কাইয়ুম উদ্দীন(সূর্যমুখী ফুল মার্কা)পেয়েছেন ১১৫ ভোট।

ভোট শেষে প্রতিক্রিয়ায় নবনির্বাচিত সভাপতি আলাউদ্দিন মাস্টার বলেন,ভোট অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে- সুষ্ঠুভাবে হয়েছে এবং পরিবেশ শান্ত ও সুশৃঙ্খল ছিল।ব্যবসায়ীদের ভালোবাসায় আমি জয়ী হয়েছি।আগামীতে মাদিলাহাট বাজারের উন্নয়ন ও ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষায় আমি সব সময় পাশে থাকবো।

নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দকে অভিনন্দন জানিয়েছেন সাধারণ ব্যবসায়ীরা। তাদের প্রত্যাশা,নতুন কমিটির নেতৃত্বে মাদিলাহাট বাজার আরও উন্নত ও ব্যবসায়ী বান্ধব হয়ে উঠবে।

জিয়া সাইবার ফোর্সের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক পদে শামসুদ্দিন বাবু

সকালের বার্তা ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:১৪ পিএম
জিয়া সাইবার ফোর্সের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক পদে শামসুদ্দিন বাবু

ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শামসুদ্দিন বাবু

জিয়া সাইবার ফোর্সের কেন্দ্রীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার কৃতী সন্তান ও দক্ষিণ কোরিয়া প্রবাসী শামসুদ্দিন বাবু। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির গুরুত্বপূর্ণ এ দায়িত্ব পাওয়ায় তার নিজ এলাকা সিংগাইরের ভূমদক্ষিন গ্রামে শুভাকাঙ্ক্ষী ও পরিচিতজনদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সংগঠনটির কেন্দ্রীয় দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জিয়া সাইবার ফোর্সের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদটি শূন্য হওয়ায় সংগঠনের গঠনতন্ত্র ও প্রচলিত সাংগঠনিক নিয়ম-নীতি অনুসরণ করে সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শামসুদ্দিন বাবুকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।

সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রধান সমন্বয়ক সৈয়দ জুলফিকার মনা ও সভাপতি আব্দুল জলিলের নির্দেশক্রমে এ সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

শামসুদ্দিন বাবু মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার ভূমদক্ষিন গ্রামের বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রবাস জীবনযাপন করছেন। প্রবাসে অবস্থান করেও সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রমে যুক্ত থাকার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে তাকে নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা তৈরি হয়েছে।

এদিকে, সংগঠনটির কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে নবনিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শামসুদ্দিন বাবুকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করার জন্য সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

সরকারি দিঘী দখল করে মাছ চাষের অভিযোগ বিএনপি’র সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের বিরুদ্ধে

সকালের বার্তা ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:০৯ পিএম
সরকারি দিঘী দখল করে মাছ চাষের অভিযোগ বিএনপি’র সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের বিরুদ্ধে

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার ১০ নম্বর মারিয়া ইউনিয়নের যাত্রাগাছি দীঘি সরকারি দিঘী দখলে রেখে মাছ চাষের অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সর্দার মোহাম্মদ হুজুর আলীও সাধারণ সম্পাদক আসলামের বিরুদ্ধে। এবার রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি’র প্রার্থী ডিএম জিয়াউর রহমান এর অনুসারী তারা। তাদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলার সাহস পাচ্ছে না এমনকি উপজেলা প্রশাসন ও ব্যর্থ হচ্ছে সরকারি এ দিঘী উদ্ধারের।

আট মাসের জন্য পাঁচ লাখ টাকায় পুকুরটি লিজ দেওয়ার কথা থাকলেও চুক্তির অর্থ পরিষদে জমা না দিয়েই মাছ চাষ অব্যাহত রাখার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এ নিয়ে পরিষদের পক্ষ থেকে একাধিকবার নোটিশ দেওয়া হলেও দখল ছাড়ছেন না তিনি—এমন দাবি করেছেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। অন্যদিকে, পুকুরটি যথাযথ প্রক্রিয়ায় ইজারা না দেওয়ায় সরকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দিঘী ইউনিয়ন পরিষদের নামে মাছ চাষ করা হয়। পরে তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আশরাফুল ইসলাম আট মাসের জন্য পাঁচ লাখ টাকা চুক্তিতে আসলামের কাছে দিঘী লিজ দেন বলে দাবি করা হয়েছে। তবে ওই চুক্তির অর্থ পরিষদে জমা দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে। এখনো জোর পূর্বক দীঘিটিতে মাছ চাষ করছেন।
ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের অভিযোগ, লিজের টাকা পরিশোধ এবং দিঘী দখল বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য আসলামকে একাধিকবার নোটিশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তিনি টাকা জমা দিচ্ছেন না, দিঘির দখলও ছাড়ছেন না। দলীয় প্রভাব খাটিয়ে পুকুরটি নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখার অভিযোগও করেন তিনি। বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনকে জানানো হলেও এখন পর্যন্ত প্রত্যাশিত প্রতিকার মেলেনি বলে দাবি করেন চেয়ারম্যান।ফলে দিঘির ইজারা, চুক্তির শর্ত এবং রাজস্ব আদায় নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “দিঘী যদি ইউনিয়ন পরিষদের সম্পত্তি হয়ে থাকে, তাহলে নিয়ম মেনেই ইজারা দেওয়া উচিত। কে কোন দলের, সেটি বিবেচ্য নয়। সরকারি সম্পত্তি থেকে আয় হলে সেই টাকা যথাযথভাবে পরিষদের কোষাগারে জমা হওয়া দরকার।”

আরেক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “দিঘির লিজের টাকা দেওয়া হয়েছে কি না, চুক্তি কী ছিল, আর প্রকৃত আয়তন কত—এসব বিষয় পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন। প্রশাসন নথিপত্র যাচাই করে সঠিক সিদ্ধান্ত নিক।”

স্থানীয়দের মতে, দিঘী দখল ও ইজারা নিয়ে তৈরি হওয়া বিরোধের নিরসনে নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। একই সঙ্গে সরকারি সম্পত্তি থেকে রাজস্ব আদায় নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন তারা।

অভিযোগের বিষয়ে মারিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আসলামের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন বন্ধ করে দেন। স্ব শরীরে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তিনি কথা বলতে অপারগতা জানান।

তবে বাগমারা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিজানুর রহমান জানান, এভাবে সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে। প্রকাশ্য দরপত্রের মাধ্যমে ইজারা দেওয়া হলে সরকার রাজস্ব পাবে আমরা সেই প্রক্রিয়াটি করবো। এরইমধ্যে দিঘী উদ্ধারে খুব দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ বিষয়ে বাগমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা( ইউএনও) রিজু তামান্না জানিয়েছেন, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।