শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩

চিকেন নেক করিডরে ভিনরাজ্যের গাড়িতে কড়া নজরদারি, টাস্কফোর্স গঠনের পথে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার।

সুমন গাঙ্গুলী, পশ্চিমবঙ্গ প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:০০ পিএম
চিকেন নেক করিডরে ভিনরাজ্যের গাড়িতে কড়া নজরদারি, টাস্কফোর্স গঠনের পথে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার।

কলকাতা, ১২ ফেব্রুয়ারি: উত্তরবঙ্গের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ‘চিকেন নেক’ করিডর দিয়ে চলাচলকারী ভিনরাজ্যের গাড়িগুলির উপর নজরদারি বাড়াতে বিশেষ টাস্কফোর্স গঠনের উদ্যোগ নিচ্ছে রাজ্য সরকার। পরিবহণ দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, খুব শীঘ্রই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হতে পারে।
এ-ই করিডর দিয়েই উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন রাজ্যে পণ্যবাহী ও অন্যান্য যানবাহন যাতায়াত করে। বর্তমানে অসম সীমান্তের বারোবিশা ও কোচবিহারের বক্সিহাটে চেকপোস্ট থাকলেও সেখানে মূলত ওভারলোডিং বা আইনভঙ্গ সংক্রান্ত বিষয়গুলি পরীক্ষা করা হয়। দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও জিএসটি সংক্রান্ত নজরদারির ঘাটতির কারণে পরিবেশ দূষণ এবং রাজস্ব ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে প্রশাসনের ধারণা।
এই পরিস্থিতিতে নজরদারি ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে বিশেষ টাস্কফোর্স গঠনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত টাস্কফোর্সে পরিবহণ দপ্তরের আধিকারিকদের পাশাপাশি রাজ্য পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর প্রতিনিধিদেরও অন্তর্ভুক্ত করার কথা ভাবা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রকের সঙ্গে এ বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের
পরিবহণমন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী জানিয়েছেন, “সমস্ত গাড়ি নিয়ম মেনে চলাচল করছে কি না, তা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। ভুটান থেকে বোল্ডার নিয়ে বহু গাড়ি বাংলাদেশ সীমান্তের দিকে যায়। সেগুলি সঠিক নিয়ম মেনে পণ্য বহন করছে কি না এবং প্রযোজ্য কর দিচ্ছে কি না, তা কড়াভাবে নজরদারিতে আনা হবে।”
ওয়েস্ট বেঙ্গল মোটর ভেহিকেলস অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের উত্তরবঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা অঙ্কুর চক্রবর্তী বলেন, নজরদারি বাড়লে দুর্ঘটনার হার কমবে এবং মুখ্যমন্ত্রীর ‘সেভ ড্রাইভ, সেফ লাইফ’ কর্মসূচি আরও কার্যকর হবে। তাঁর মতে, এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় সংস্থারও আরও সক্রিয় হওয়া এবং রাজ্যের সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানো প্রয়োজন।
এদিকে, স্থানীয় ব্যবসায়ী সংগঠনগুলির দাবি, কেন্দ্রীয় উদ্যোগের অপেক্ষা না করে রাজ্য সরকার যেন দ্রুত টাস্কফোর্স গঠন করে। তাঁদের মতে, বাংলার ভৌগোলিক পরিকাঠামো ব্যবহার করে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলি ব্যবসা করলেও রাজ্য পর্যাপ্ত কর পাচ্ছে না, ফলে রাজস্ব ক্ষতি হচ্ছে।
পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পরিবহণ দপ্তর সূত্রে খবর, নিরাপত্তা, পরিবেশ সুরক্ষা এবং রাজস্ব সংরক্ষণ—এই তিনটি বিষয়কে গুরুত্ব দিয়েই বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব এগোচ্ছে। শীঘ্রই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হতে পারে। ( ছবি – ১)পরিবহন মন্ত্রী।
২) চিকেন নেক

On Thu, 12 Feb 2026, 5:33 pm Sokaler Barta, wrote:
https://www.facebook.com/share/p/1ZR3vkE1Z3/

On Thu, Feb 12, 2026, 3:06 PM SUMAN ER LOKGAAN wrote:
কোর্টে মমতা, ভোটে প্রভাব: তৃণমূলের রক্ষা-রাজনীতি সামনে আনল ‘ ব্র্যান্ড মমতা ‘
-সুমন গাঙ্গুলী-

নিজে হাজির হলেন সুপ্রিম কোর্টে। করলেন মানুষের দাবি নিয়ে সওয়াল। দিলেন মাস্টার্স স্ট্রোক। এস আই আর মামলায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই পদক্ষেপে কার্যত আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে মাঠে নেমে পড়ল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের অন্দরমহলের ব্যাখ্যা, রাস্তায়-ঘাটে রাজনীতির গুরুত্ব তাত্ত্বিক বিতর্কের চেয়ে বেশি—এই বার্তাই দিতে চেয়েছেন ‘দিদি’। আর সেই সূত্রেই বিরোধীদের এক কদম পিছনে রেখে এগিয়ে থাকার কৌশল।

তৃণমূল নেতৃত্বের একাংশের মতে, শীর্ষ আদালতে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ একাধিক লক্ষ্য পূরণ করেছে। প্রথমত, বাংলায় বিজেপির বিরুদ্ধে প্রধান মুখ হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবস্থান আরও পোক্ত হল। দ্বিতীয়ত, বিজেপি-বিরোধী ভোট একত্রিত করার পাশাপাশি সিপিএম ও কংগ্রেসকে কোণঠাসা করা গেল—বিশেষ করে আদালতে হাজিরার পর বাম শিবিরের ভিন্ন ভিন্ন প্রতিক্রিয়া সেই ফাঁকটাই সামনে এনেছে। তৃতীয়ত, নানা ইস্যুতে ক্ষুব্ধ হিন্দু মধ্যবিত্তের একাংশ এবং নারী ভোটারদের কাছে নতুন করে আবেদন তৈরি হয়েছে। চতুর্থত, ওয়াকফ সংশোধনী ও নতুন রাজনৈতিক গোষ্ঠীর উত্থান ঘিরে সংখ্যালঘু সমাজে যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছিল, তা প্রশমিত করে আস্থা ফেরানোর চেষ্টা—বিজেপির মেরুকরণের রাজনীতির মাঝেই নিজের মূল ভোটব্যাঙ্ক সুরক্ষিত রাখার বার্তা।

এতেই শেষ নয়। জাতীয় রাজনীতির মঞ্চে তৃণমূলের উচ্চতা বাড়ানোর দিকেও ইঙ্গিত মিলছে। বিজেপি-বিরোধী শিবিরের অন্যান্য অ-বিজেপি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা যেখানে শীর্ষ আদালতে সরাসরি লড়াইয়ে নামেননি, সেখানে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতি তৃণমূলকে আলাদা করে চোখে পড়ার জায়গায় এনে দিয়েছে। পাশাপাশি, দলের ভিতরে যাঁরা নিষ্ক্রিয় বা দ্বন্দ্বে জড়িয়েছিলেন, তাঁদেরও এক ছাতার তলায় আনার ‘ইউনিফাইং মোমেন্ট’ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছে শাসকদল। ২০২৬-এর ভোটের দিকে ইঙ্গিত করে এক তৃণমূল নেতা বলেন, “এই লড়াই আদালতের চার দেওয়ালের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ২০২৬ সালে ভোট হবে কে মানুষের পাশে দাঁড়াল, আর কে দিল্লির নির্দেশে রাজনীতি করল—সেই প্রশ্নে।”

প্রসঙ্গত, রাজ্যের ৭ কোটি ৬২ লক্ষ ভোটারের তালিকা হালনাগাদের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর এখনও পর্যন্ত ৫৮ লক্ষ নাম বাদ গিয়েছে—কারণ হিসেবে উঠে এসেছে স্থানান্তর, ডুপ্লিকেশন বা মৃত্যুর তথ্য। পাশাপাশি, ‘লজিক্যাল ইনকনসিসটেন্সি’ বা ২০০২ সালের এসআইআর লিঙ্কেজ না থাকার অভিযোগে ১ কোটি ২৬ লক্ষ নাগরিককে শুনানির নোটিস পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৬০ লক্ষের শুনানি এখনও বাকি।

এই গোটা প্রক্রিয়া শুরুর সময় বিজেপি প্রথমে নীরব ছিল। ‘ওয়েট অ্যান্ড ওয়াচ’ নীতি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় কটাক্ষ এড়িয়ে চলেছিল তারা। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের শুনানির পর ছবিটা বদলায়। আদালতে বিচারপতিদের মন্তব্য ও মুখ্যমন্ত্রীর দাবি খারিজ হওয়ার অংশ তুলে ধরে ভিডিও ক্লিপ ছড়াতে শুরু করে বিজেপি। শামিক ভট্টাচার্য, সুকান্ত মজুমদার, তরুণজ্যোতি তিওয়ারি থেকে শুভেন্দু অধিকারী—একাধিক বিজেপি নেতা মমতার আদালতকক্ষের আচরণকে ‘রাজনৈতিক নাটক’ বলে কটাক্ষ করেন। ভাষণ, পোশাক, ইংরেজি উচ্চারণ—সব নিয়েই বিদ্রুপের পাশাপাশি অভিযোগ ওঠে, তাঁর শাসনে বাংলায় গণতন্ত্র বিপন্ন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আইনি দিক থেকে এই হাজিরা হয়তো মামলার গতিপথ বদলাবে না। এক রাজনৈতিক বিশ্লেষকের মতে, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক টানাপোড়েন থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কৌশলগত অবস্থান আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংঘাতকে তিনি শুধু আইনি লড়াইয়ে সীমাবদ্ধ রাখছেন না, বরং তা রাজনৈতিক পরিচয় নির্মাণের হাতিয়ার হিসেবেও ব্যবহার করছেন। বিশেষ করে ভোটার তালিকার গরমিলে নোটিস পাওয়া আতঙ্কিত মানুষের সঙ্গে নিজের অবস্থানকে যুক্ত করে তিনি ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটের আবেগী মেরুকরণকে জোরদার করছেন বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

পশ্চিমবঙ্গের বিশিষ্ট রাজনৈতিক বিশ্লেষক বিশ্বজিৎ দাসের কথায়, “একদিকে একা লড়াই করা নেত্রীর ভাবমূর্তি আরও দৃঢ় করে নিজের মূল সমর্থকভিত্তি শক্ত করছেন মমতা। অন্যদিকে, কেন্দ্রের কট্টর হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির বিপরীতে তুলনামূলক কম আক্রমণাত্মক ও সহানুভূতিশীল মুখ তুলে ধরে ‘মমতা ব্র্যান্ড’কে এমন জায়গায় নিয়ে যাচ্ছেন, যাকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করা বিজেপির পক্ষে সহজ নয়।”।

চৈতন্যের হাট আবৃরহাট আহমদ কবির সড়কের উদ্বোধন বিএনপি থাকলে দেশের উন্নয়ন হবে সমাবেশে বক্তারা

সকালের বার্তা ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১৫ পিএম
চৈতন্যের হাট আবৃরহাট আহমদ কবির সড়কের উদ্বোধন বিএনপি থাকলে দেশের উন্নয়ন হবে সমাবেশে বক্তারা

‎বহু প্রতিক্ষিত সড়ক চৈতন্যের হাট আবুরহাট সড়কের উদ্বোধন হয়েছে। আজ ১৫ই সেপ্টেম্বর বিকাল ৩ ঘটিকায় চট্টগ্রাম মিরসরাই উপজেলার ৮নং দূর্গাপুর ইউনিয়নের চৈতন্যের হাটে এই উদ্বোধনী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‎ ৮ নং দূর্গাপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক মো: জসিম উদ্দিন, এবং ৮ নং দূর্গাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব এবং বর্তমান উপজেলা বিএনপির সম্মানিত সদস্য আজিজুল হক মেম্বারের যৌথ সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম-১ মিরসরাই আসনের মাননীয় এমপি ও সদস্য, ধর্ম বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সদস্য জনাব, নুরুল আমিন এমপি মহোদয়।

‎এতে আরো উপস্থিত ছিলেন : উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ওলিউল কবির ইকবাল, মিরসরাই উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব গাজী নিজাম উদ্দিন, মিরসরাই উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আজিজুল হক চৌধুরী, মিরসরাই উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক সালাউদ্দিন চেয়ারম্যান,

‎বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক জনাব আফছার চেয়ারম্যান, বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক জনাব জমির উদ্দিন সহ জেলা উপজেলা বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল এবং গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

‎এ সময় সমাবেশে বক্তারা বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারী বিএনপিকে জয়যুক্ত করার পর দেশে উন্নয়নের জোয়ার বয়ে যাচ্ছে, মানুষ এখন শান্তিতে ঘুমাইতে পারতেছে। মিরসরাইতে কোন সড়ক সংস্কার বিহীন থাকবে না, উপজেলার প্রত্যেকটি সড়ক সংস্কারের আওতায় আসবে।

‎এ সময় বক্তব্য এমপি বলেন, আমরা মিরসরাইকে একটি রোল মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। গত ৫ আগষ্টে ভারতে লুকিয়ে থেকে দেশকে অস্থিতিশীল করার পায়তারা করছে নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামীলীগ তারা বলেছে ডিসেম্বরে আসবে এই ডিসেম্বর না কোন ডিসেম্বরে আসতে পারবেনা। আসছে আগামী স্থানীয় নির্বাচনে দল যাকে প্রার্থী দিবে তাকে জয়যুক্ত করার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান এমপি। সড়কের কাজে সকলকে আন্তরিকতা সহিত সহযোগীতা করার আহবান জানান, এমপি নুরুল আমিন এমপি মহোদয়।

‎এতে আরো বক্তব্য রাখেন ছাত্রদলের মিরসরাই বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা ছাত্রদলের মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক জনাব, ফখরুল ইসলাম ভূইয়া, জেলা ছাত্রদলের সম্মানিত সদস্য মো: জিসান, ৮ নং দূর্গাপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের ক্রীড়া পরিচালনা কমিটি সভাপতি তানভীরুল আজিজ তাসিফ সাধারণ সম্পাদক, মো: জিসান সহ জেলা উপজেলার বিএনপি, ছাত্রদল এবং যুবদলের সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা বক্তব্য রাখেন।

‎সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন, মিরসরাই উপজেলা আহবায়ক, আব্দুল আওয়াল।

ধামরাইয়ে বসতবাড়ি দখলের চেষ্টায় দুই ভাইসহ ৩ জন আহতের অভিযোগ

সকালের বার্তা ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৩৯ এএম
ধামরাইয়ে বসতবাড়ি দখলের চেষ্টায় দুই ভাইসহ ৩ জন আহতের অভিযোগ

ঢাকার ধামরাইয়ে বসতবাড়ি দখলের চেষ্টায় বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে ধারালো দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে জলিল, আরিফ, জমির আলী ও জিহাদসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আব্দুল গফুর, তার ভাই আব্দুর সফুর এবং গফুরের দুই ছেলে আওলাদ ও ওয়ারেছ আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে ধামরাই উপজেলার ভাড়ারিয়া ইউনিয়নের কাটাবই এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে।

অভিযোগে বলা হয়, আব্দুল গফুর ও তার ভাই আব্দুর সফুর ক্রয়কৃত জমিতে বসতবাড়ি নির্মাণ করে প্রায় ৩০ বছর ধরে বসবাস ও ভোগদখল করে আসছেন। তবে সম্প্রতি ওই জমির মালিকানা দাবি করে জমির আলীসহ কয়েকজন বিভিন্ন সময় জমিটি দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন বলে অভিযোগ করেন তারা।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ১২ সেপ্টেম্বর জমির আলী, আরিফ, জিহাদসহ কয়েকজন লোকজন নিয়ে ওই বসতবাড়িতে যান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এ সময় তারা করাত, চাপাতি, ছেন ও দা জাতীয় দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে বসতবাড়ির আঙিনায় থাকা কয়েকটি ফলজ গাছ কেটে ফেলে ঘর নির্মাণের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। কেটে ফেলা গাছগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩০ হাজার টাকা বলে দাবি করেছেন অভিযোগকারীরা।

এ সময় আব্দুল গফুর ও তার দুই ছেলে আওলাদ এবং ওয়ারেছ বাধা দিলে তাদের ওপর দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগে বলা হয়েছে। এতে তারা শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতপ্রাপ্ত হন। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আহতদের ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয় এবং সেখানে চিকিৎসা গ্রহণ করেন তারা।

তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত জমির আলী। এ বিষয়ে তার সঙ্গে কথা হলে তিনি দাবি করেন, ওই জমির মালিক তারা। আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে নিয়ে তারা জমিতে গিয়েছিলেন এবং সেখানে কোনো ধরনের হামলার ঘটনা ঘটেনি। পরে তারা সেখান থেকে চলে আসেন বলেও জানান তিনি।

ঘটনার বিষয়ে ধামরাই থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) শাহিনুর ইসলাম বলেন, “বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

স্থানীয়দের দাবি, জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ থাকলে তা আইনগতভাবে নিষ্পত্তি করা প্রয়োজন। বসতবাড়িতে হামলা, গাছপালা কাটা বা জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা হলে এলাকায় উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে। তাই বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

নিউ দারুল ইহসানে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে কুইজ, শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ

সকালের বার্তা ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৩ পিএম
নিউ দারুল ইহসানে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে কুইজ, শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে -এ দুই দিনব্যাপী আয়োজিত ইসলামি কুইজ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মাঝে উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। ইসলামি জ্ঞানচর্চা, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনাদর্শ এবং শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধ গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন নিউ দারুল ইহসান ক্যাডেট স্কুল এন্ড মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মুফতি আবু জাফর।
এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্রাইম টিভি ৭২-এর উপদেষ্টা ও দৈনিক সকালের বার্তা পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমান এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ আব্দুল জলিল।
অনুষ্ঠানে অতিথিরা প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। এ সময় তারা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি ইসলামি জ্ঞান অর্জন, নৈতিক চরিত্র গঠন এবং মহানবী (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণের আহ্বান জানান।
বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার প্রসারে এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জ্ঞানার্জনের আগ্রহ যেমন বাড়ে, তেমনি তাদের মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতার মানসিকতাও তৈরি হয়।
অনুষ্ঠানের শেষে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানানো হয় এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের শিক্ষামূলক ও ইসলামি জ্ঞানভিত্তিক আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।