শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

কুমিল্লায় টিসিবি পণ্য বিক্রিতে ওজনে কারচুপি; ডিলারকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

মোঃ জামির হোসেন সরকার, কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:৪৮ পিএম
কুমিল্লায় টিসিবি পণ্য বিক্রিতে ওজনে কারচুপি; ডিলারকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

কুমিল্লায় টিসিবির বিক্রিত পণ্যে ওজন কারচুপি হওয়ার অভিযোগে নগরীর ফারুক স্টোর নামে এক এজেন্টকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। চিনি, চাল ও খেজুরে প্রতি কেজিতে ১০০ থেকে ২০০ গ্রাম অন্য কম দেয়ায় হাতেনাতে ধরা পরার পর এ জরিমানা করেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কুমিল্লার সহকারী-পরিচালক মোঃ কাওসার মিয়া।
বৃহস্পতিবার দূপুর ১ টায় নগরীর রেইসকোর্স এলাকায় ফারুক স্টোরের সত্ত্বাধিকারী পারভিন আক্তারের অধীনস্থ টিসিবি পণ্য বিতরণের ট্রাকে গিয়ে সরাসরি এই চিত্র ধরা পরে এবং সেখানে উপস্থিত ভোক্তারা এই অভিযোগ করেন। সেখানে ডিজিটাল স্কেলের সাহায্যে ওজন মাপা হলেও প্রতিটা পণ্যে দেওয়া হচ্ছে নির্দিষ্ট পরিমান কম প্রতিয়মান হয়।
রমজান উপলক্ষে টিসিবি মোট পাঁচ জাতীয় পণ্য দিয়ে আসছে, যার মধ্যে আছে চিনি ১ কেজি, মশুর ডাল ২ কেজি, বুট ১ কেজি, তেল ২ কেজি, ২ কেজি সয়াবিন তেলে ১০০ গ্রাম ও খেজুর ৫০০ গ্রাম। এখানে সকল গ্রাহকেরই প্রতিটি পণ্যেই একই চিত্র দেখা গেছে।

পণ্যের ওজন কম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ পেলে সেখান থেকে তিন-চারজন গ্রাহকের মালামাল ওজন করে দেখা যায় প্রতিটা পণ্যের মাঝে নির্দিষ্ট পরিমান কম দেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে টিসিবির ডিলার পারভিন আক্তার বলেন, আমরা ইচ্ছাকৃত কোন পণ্যে মাপ কম দেইনি৷ মাপের সময় হয়তো ভুলে কম হয়ে গেছে। আমি এই কাজে নিয়োজিত সকলকে বলে দিয়েছি আর কোন মাপে যেন ভুল না হয়।
কুমিল্লাতে প্রতিদিন ৫টা ট্রাকে করে এ টিসিবি পণ্য সেল দেওয়া হয়। যার মধ্যে প্রতিটি ট্রাকে থাকে ৪০০ জনের বরাদ্ধ। এতে মোট ২০০০ পরিবারকে প্রতিদিন এ সহায়তা দিয়ে আসছে সরকার। সরকারি ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন ই দেওয়া হয় এসব পণ্য।
জনপ্রতি সব মিলিয় পাচ্ছে ৬ কেজি নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি। এখানে প্রতিজনকে দেওয়া হচ্ছে ৬০০ গ্রাম কম। সে হিসেবে প্রতিটি গাড়িতে ৪০০ জনকে দেওয়া হচ্ছে ২৪০ কেজি। যার মাধ্যমে কমপক্ষে প্রতি গাড়িতে প্রায় চব্বিশ হাজার টাকা সমমূল্যের পণ্য কম দেওয়া হচ্ছে। এভাবে কুমিল্লায় ৫ টি ট্রাকসেলে লক্ষাধিক টাকার অনিয়ম হচ্ছে।
অনিয়মের খবর শুনে কুমিল্লা জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ কর্তৃপক্ষ টিম নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে ওজনের কারচুপি দেখতে পেয়ে ফারুক স্টোরের সত্ত্বাধিকারীকে দশ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
কুমিল্লা জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক কাউছার মিয়া বলেন, এসব টিসিবি পণ্য সরকারের পক্ষ থেকে গরীব মানুষদের দেওয়া হয়। কিন্ত কিছু অসাধু ব্যাবসায়ী এখানে ওজনে কম দিয়ে নিজেদের পকেট ভারি করে। আমরা এমন একটি তথ্য পেয়ে ঘটনাস্থলে আসি এবং দেখতে পাই ফারুক স্টোর কর্তৃপক্ষ প্রতিটি পণ্যের ওজনে কম দিচ্ছে। আমরা তাদেরকে দশ হাজার টাকা জরিমানা করি এবং ভবিষ্যতে এমন কাজ যেন না করে সে বিষয়ে হুঁশিয়ারি করে দেই।
কুমিল্লা টিসিবির উপ পরিচালক মামুনুর রশীদ গাজী বলেন, আমাদের ৫টি ট্রাক প্রতিদিন ৪০০ করে ২০০০ মানুষকে পণ্য দিয়ে থাকে। অনুমোদিত ডিলারের মাধ্যমে এসব পণ্য সরবরাহ করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে যদি কোন স্বজনপ্রীতি কিংবা দুর্নীতির অভিযোগ থাকে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

টিসিবি পণ্য নিতে আসা রোকসানা আক্তার বলেন, এখানে আসছি প্রায় ১ ঘণ্টা হবে। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে পণ্য নেই কিছু টাকা কমে পাওয়ার জন্য। অথচ তারা এখানে আমাদেরকে ওজনে কম দেয়। পরিচিত মানুষকে আগে দিয়ে দেয়।
রেইসকোর্স এলাকার ব্যবসায়ী মো. হানিফ অভিযোগ করে বলেন, যারা খুব কষ্টে দিনযাপন করছে তারাই কিন্তু টিসিবি মাল সংগ্রহ করছে কিন্তু তাদের সাথে প্রতারণা করছে টিসিবির ডিলাররা । সরকার ভর্তুকি দিচ্ছে । এখানের লাইনে যারা আছেন তারা সবাই নিম্ন শ্রেণীর মানুষ তারা এগুলো মেপে দেখছে না কিন্তু কয়েকজনের মালামাল আমরা মেপে দেখলাম প্রতি কেজিতে ১০০ গ্রাম এবং দুই কেজির ডালে ২০০ গ্রাম কম দিচ্ছে। আমরা এর প্রতিকার চাই।

মাদিলাহাট ব্যবসায়ী সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন

মো:শাফিকুল ইসলাম ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:১৬ পিএম
মাদিলাহাট ব্যবসায়ী সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন

মাদিলাহাট ব্যবসায়ী সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন-২০২৬ শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে।
গত ০৬ নভেম্বর শুক্রবার সকাল ১০টা হতে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ৪নং বেতদিঘী ইউনিয়ন পরিষদ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

ভোট গণনা শেষে নির্বাচন কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন।

সভাপতি পদে নির্বাচিত:
মোঃ আলাউদ্দিন মাস্টার(আনারস মার্কা) ২০৬ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোঃ রেজেক পেয়েছেন ৬৬ ভোট।

সাধারণ সম্পাদক পদে আতাউর রহমান (চেয়ারমার্কা)১৭৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন।তার প্রতিদ্বন্দ্বী মোঃ মকসেদুল মমিন পেয়েছেন ৯৫ ভোট।

কোষাধ্যক্ষ পদে
মোঃ রাসেল(হাতি মার্কা) ১৫৬ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন।তার প্রতিদ্বন্দ্বী কাইয়ুম উদ্দীন(সূর্যমুখী ফুল মার্কা)পেয়েছেন ১১৫ ভোট।

ভোট শেষে প্রতিক্রিয়ায় নবনির্বাচিত সভাপতি আলাউদ্দিন মাস্টার বলেন,ভোট অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে- সুষ্ঠুভাবে হয়েছে এবং পরিবেশ শান্ত ও সুশৃঙ্খল ছিল।ব্যবসায়ীদের ভালোবাসায় আমি জয়ী হয়েছি।আগামীতে মাদিলাহাট বাজারের উন্নয়ন ও ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষায় আমি সব সময় পাশে থাকবো।

নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দকে অভিনন্দন জানিয়েছেন সাধারণ ব্যবসায়ীরা। তাদের প্রত্যাশা,নতুন কমিটির নেতৃত্বে মাদিলাহাট বাজার আরও উন্নত ও ব্যবসায়ী বান্ধব হয়ে উঠবে।

জিয়া সাইবার ফোর্সের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক পদে শামসুদ্দিন বাবু

সকালের বার্তা ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:১৪ পিএম
জিয়া সাইবার ফোর্সের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক পদে শামসুদ্দিন বাবু

ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শামসুদ্দিন বাবু

জিয়া সাইবার ফোর্সের কেন্দ্রীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার কৃতী সন্তান ও দক্ষিণ কোরিয়া প্রবাসী শামসুদ্দিন বাবু। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির গুরুত্বপূর্ণ এ দায়িত্ব পাওয়ায় তার নিজ এলাকা সিংগাইরের ভূমদক্ষিন গ্রামে শুভাকাঙ্ক্ষী ও পরিচিতজনদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সংগঠনটির কেন্দ্রীয় দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জিয়া সাইবার ফোর্সের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদটি শূন্য হওয়ায় সংগঠনের গঠনতন্ত্র ও প্রচলিত সাংগঠনিক নিয়ম-নীতি অনুসরণ করে সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শামসুদ্দিন বাবুকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।

সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রধান সমন্বয়ক সৈয়দ জুলফিকার মনা ও সভাপতি আব্দুল জলিলের নির্দেশক্রমে এ সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

শামসুদ্দিন বাবু মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার ভূমদক্ষিন গ্রামের বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রবাস জীবনযাপন করছেন। প্রবাসে অবস্থান করেও সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রমে যুক্ত থাকার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে তাকে নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা তৈরি হয়েছে।

এদিকে, সংগঠনটির কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে নবনিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শামসুদ্দিন বাবুকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করার জন্য সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

সরকারি দিঘী দখল করে মাছ চাষের অভিযোগ বিএনপি’র সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের বিরুদ্ধে

সকালের বার্তা ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:০৯ পিএম
সরকারি দিঘী দখল করে মাছ চাষের অভিযোগ বিএনপি’র সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের বিরুদ্ধে

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার ১০ নম্বর মারিয়া ইউনিয়নের যাত্রাগাছি দীঘি সরকারি দিঘী দখলে রেখে মাছ চাষের অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সর্দার মোহাম্মদ হুজুর আলীও সাধারণ সম্পাদক আসলামের বিরুদ্ধে। এবার রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি’র প্রার্থী ডিএম জিয়াউর রহমান এর অনুসারী তারা। তাদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলার সাহস পাচ্ছে না এমনকি উপজেলা প্রশাসন ও ব্যর্থ হচ্ছে সরকারি এ দিঘী উদ্ধারের।

আট মাসের জন্য পাঁচ লাখ টাকায় পুকুরটি লিজ দেওয়ার কথা থাকলেও চুক্তির অর্থ পরিষদে জমা না দিয়েই মাছ চাষ অব্যাহত রাখার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এ নিয়ে পরিষদের পক্ষ থেকে একাধিকবার নোটিশ দেওয়া হলেও দখল ছাড়ছেন না তিনি—এমন দাবি করেছেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। অন্যদিকে, পুকুরটি যথাযথ প্রক্রিয়ায় ইজারা না দেওয়ায় সরকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দিঘী ইউনিয়ন পরিষদের নামে মাছ চাষ করা হয়। পরে তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আশরাফুল ইসলাম আট মাসের জন্য পাঁচ লাখ টাকা চুক্তিতে আসলামের কাছে দিঘী লিজ দেন বলে দাবি করা হয়েছে। তবে ওই চুক্তির অর্থ পরিষদে জমা দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে। এখনো জোর পূর্বক দীঘিটিতে মাছ চাষ করছেন।
ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের অভিযোগ, লিজের টাকা পরিশোধ এবং দিঘী দখল বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য আসলামকে একাধিকবার নোটিশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তিনি টাকা জমা দিচ্ছেন না, দিঘির দখলও ছাড়ছেন না। দলীয় প্রভাব খাটিয়ে পুকুরটি নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখার অভিযোগও করেন তিনি। বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনকে জানানো হলেও এখন পর্যন্ত প্রত্যাশিত প্রতিকার মেলেনি বলে দাবি করেন চেয়ারম্যান।ফলে দিঘির ইজারা, চুক্তির শর্ত এবং রাজস্ব আদায় নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “দিঘী যদি ইউনিয়ন পরিষদের সম্পত্তি হয়ে থাকে, তাহলে নিয়ম মেনেই ইজারা দেওয়া উচিত। কে কোন দলের, সেটি বিবেচ্য নয়। সরকারি সম্পত্তি থেকে আয় হলে সেই টাকা যথাযথভাবে পরিষদের কোষাগারে জমা হওয়া দরকার।”

আরেক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “দিঘির লিজের টাকা দেওয়া হয়েছে কি না, চুক্তি কী ছিল, আর প্রকৃত আয়তন কত—এসব বিষয় পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন। প্রশাসন নথিপত্র যাচাই করে সঠিক সিদ্ধান্ত নিক।”

স্থানীয়দের মতে, দিঘী দখল ও ইজারা নিয়ে তৈরি হওয়া বিরোধের নিরসনে নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। একই সঙ্গে সরকারি সম্পত্তি থেকে রাজস্ব আদায় নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন তারা।

অভিযোগের বিষয়ে মারিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আসলামের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন বন্ধ করে দেন। স্ব শরীরে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তিনি কথা বলতে অপারগতা জানান।

তবে বাগমারা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিজানুর রহমান জানান, এভাবে সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে। প্রকাশ্য দরপত্রের মাধ্যমে ইজারা দেওয়া হলে সরকার রাজস্ব পাবে আমরা সেই প্রক্রিয়াটি করবো। এরইমধ্যে দিঘী উদ্ধারে খুব দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ বিষয়ে বাগমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা( ইউএনও) রিজু তামান্না জানিয়েছেন, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।