সোমবার, ৯ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ৯ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩

দেবীগঞ্জে জমি দখলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ৬ জন আহত

এস এম আসাদুজ্জামান. দেবীগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ২ মে, ২০২৬, ৯:৩৬ পিএম
দেবীগঞ্জে জমি দখলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ৬ জন আহত

ছবি- সকালের বার্তা

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে জমির মালিকানা দাবি করে দখল করাকে কেন্দ্র করে বাড়িতে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দেবীগঞ্জ উপজেলার টেপ্রীগঞ্জ ইউনিয়নের বটতলীর হোসেনের ঘাট এলাকায় নজরুল ইসলামের বাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করে বাড়ির সদস্যদের উপর হামলা করে এ ঘটনা ঘটায়।

বটতলী এলাকার মজিবুল ইসলাম মধু নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে। সে আবু সায়েদের ছেলে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত হামলা চালানো হয়।

নজরুল ইসলাম জানান, চারুবালা নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে ৫২ শতক জমি আমি ও আকবর আলী দুজন কিনে নেই।

বর্তমানে সে জমি আকবর আলী দখল করে রেখেছে। আমাদের দাবি জমি যদি তারা বৈধ ভাবে জমি পান তাহলে আমরা ছেড়ে দিবো। কিন্তু মজিবুল ইসলাম মধু তাদের পক্ষ নিয়ে আমাদের উপর হামলা করেন। সে পুরো ঘটনার নেতৃত্ব দেন। এসময় তার সাথে আবু সাঈদের ছেলে মফেল ও আবু, মোকাদ্দেসের ছেলে রজব আলী, হোসেন আলীর ছেলে তহিদুল ইসলাম, আলমের ছেলে মনির হোসেন, মহির উদ্দিনের ছেলে কালাম ও কাদের, আলাউদ্দিনসহ প্রায় ১৫/২০ জন ছিল। আমাদের তিনজন আহত হয়েছে। তারা পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে। আমরা এর বিচার চাই।

তারা জানান, বৃহস্পতিবার রাতে সবাই একজোট হয়ে তাদের বাড়িতে সাবোল, দা, কুড়াল, লাঠি নিয়ে আমাদের বাড়িতে হামলা করে বাড়িঘর ভাংচুর করে। এরপর ঘরে থাকা ব্যবসার ৬০ হাজার টাকা ও গহনা নিয়ে যায়। তাদের সাথে পেট্রোলও ছিল আমাদের বাড়িঘর জ্বালিয়ে দিতে চেয়েছিল। পরে লোকজন চলে আসার পর আর পারেনি। পুলিশের জরুরি সেবায় ফোন দেয়ার পরও পুলিশ আসে নাই। তাদের হুমকিতে আমরা বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছি।

তারা জানান, বিএনপির সেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক পরিচয় দিয়ে মজিবুল ইসলাম মধু অবৈধ ভাবে তাদের উপর হামলা করে।

তবে এ ঘটনার দায় অস্বীকার করে মজিবুল ইসলাম মধু জানান, আমি বাড়ি থেকে বের হয়ে দেবীগঞ্জ যাওয়ার সময় তাদের বাড়ির সামনে গেলে আমার উপর হামলা করে। খবর পেয়ে আমাদের লোকজন এসে তাদের উপর উপর হামলা করে। এতে আমাদর পক্ষের লোকজন আহত হন। মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে দেবীগঞ্জ হাসাপাতালে ভর্তি আছে। আমরা মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছি।

কসবায় বিএনপির দুই পক্ষের দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত অন্তত ১৫: ককটেল বিস্ফোরণ

কসবা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: প্রকাশিত: রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬, ৮:২৯ পিএম
কসবায় বিএনপির দুই পক্ষের দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত অন্তত ১৫: ককটেল বিস্ফোরণ

 ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে তীব্র ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার কদমতলী ও পুরাতন বাজার এলাকায় দফায় দফায় চলা এই সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ চলাকালে একাধিক ককটেল বিস্ফোরণ ও ব্যাপক ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে, যা পুরো শহরে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বিকেলে জেলা বিএনপি নেতা কবির আহমেদ ভূঁইয়ার সমর্থনে কসবা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুল হক স্বপনের নেতৃত্বে আড়াইবাড়ি দরবার শরীফের সামনে থেকে একটি মিছিল বের করা হয়। মিছিল শেষে নেতাকর্মীরা কদমতলী মোড়ে জড়ো হয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় অংশ নেন।

ঠিক সেই মুহূর্তে স্থানীয় সাবেক সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমানের অনুসারী হিসেবে পরিচিত বিএনপির অপর একটি পক্ষ কদমতলী এলাকায় প্রবেশ করলে দুই পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যেই তা ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া এবং পরবর্তীতে রণক্ষেত্রে রূপ নেয়। প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী চলে এই সংঘর্ষ। আতঙ্কে মুহূর্তের মধ্যে কসবা বাজারের সব দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়।

সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান এবং সেখানে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী মো. রাশেদ জানান, বিএনপির দুটি পক্ষ নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছিল। তবে খবর পাওয়ার সাথে সাথেই পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে।

এ বিষয়ে কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ছামিউল ইসলাম জানান, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে উভয় পক্ষই শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালনের কথা জানিয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে তারা সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ শান্ত রয়েছে এবং যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি বহাল রাখা হয়েছে।

গুরুদাসপুরে ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত

সজিবুর রহমান নাটোর প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬, ৭:৪১ পিএম
গুরুদাসপুরে ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত

নাটোরের গুরুদাসপুরে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে রোববার (৮ নভেম্বর) সকালে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমবায় কার্যালয়ের উদ্যোগে জাতীয় ও সমবায় পতাকা উত্তোলন, র‍্যালি এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সকাল সাড়ে নয়টায় জাতীয় ও সমবায় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। পরে একটি র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালি শেষে সকাল পৌনে দশটায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাহমিদা আফরোজের সভাপতিত্বে সভায় সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) সুরজিত চ্যাটার্জী।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা হাসানুজ্জামান, চলনবিল প্রেসক্লাবের সভাপতি এম এম আলী আক্কাছ এবং সমবায় সহকারী পরিদর্শক মো. সুমন রেজা। এ ছাড়া বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় সমবায়ের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র্য বিমোচন এবং স্বনির্ভর বাংলাদেশ গঠনে সমবায় আন্দোলনের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। বক্তারা সমবায় কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও জনবান্ধব করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠান শেষে বিভিন্ন জাতের চারাগাছ উপহার দেওয়া হয়।

উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহ্বায়ক থেকে জনপ্রতিনিধি হওয়ার প্রত্যাশা

 খায়রুল আলম নয়ন,সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬, ৭:৩৯ পিএম
উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহ্বায়ক থেকে জনপ্রতিনিধি হওয়ার প্রত্যাশা

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক প্রভাষক আবুল কালাম আজাদ।

তিনি সুন্দরগঞ্জ উপজেলার একজন সম্ভাব্য জনপ্রতিনিধি প্রার্থী হিসেবে নিজেকে এগিয়ে নিতে আগ্রহী। উপজেলা পর্যায়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের পাশে থেকে কাজ করার প্রত্যাশা নিয়ে তিনি জনপ্রতিনিধি হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন।

প্রভাষক আবুল কালাম আজাদ মনে করেন, জনপ্রতিনিধিত্বের মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত জনগণের কল্যাণ, এলাকার উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখা।

সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন, জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট সমস্যা চিহ্নিতকরণ এবং জনগণের প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দেওয়ার মধ্য দিয়ে একটি জনবান্ধব নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা তাঁর।

উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে তাঁর সম্ভাব্য প্রার্থিতা নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে।

প্রভাষক আবুল কালাম আজাদ সুন্দরগঞ্জ উপজেলার মানুষের দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করছেন।