শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩

ঘোড়াঘাটে বৃদ্ধাকে হাত-পা বেঁধে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা, টাকা-স্বর্ণালঙ্কার লুট

সাকিব হাসান নাইম, ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫২ এএম
ঘোড়াঘাটে বৃদ্ধাকে হাত-পা বেঁধে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা, টাকা-স্বর্ণালঙ্কার লুট

ছবি- সকালের বার্তা

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুটের সময় ওয়ালেদা খাতুন (৭৫) নামে এক বৃদ্ধাকে হাত-পা বেঁধে হত্যা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকালে উপজেলার পূর্ব পালশা গ্রামে বৃদ্ধার নিজ বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ওয়ালেদা খাতুন উপজেলার পালশা ইউনিয়নের মৃত হবিবুর রহমানের স্ত্রী।

স্থানীয়রা জানায়, ছোট মেয়ে রহিমা বেগমকে নিয়ে নিজ বাড়িতে বসবাস করতেন ওয়ালেদা খাতুন। তার পাঁচ ছেলে ও দুই মেয়ে। ছেলেরা সবাই আলাদা বাড়িতে বসবাস করেন এবং বড় মেয়ে স্বামীর বাড়িতে থাকেন। ছোট মেয়ে রহিমা বেগম স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর বিদেশে যান এবং ৬ বছর প্রবাসে থাকার পর ছয় মাস আগে দেশে ফিরে মায়ের সঙ্গে বসবাস করছিলেন।

মঙ্গলবার বিকালের দিকে কোনো এক সময় একটি দুর্বৃত্তচক্র ঘরে ঢুকে এবং কসটেপ দিয়ে বৃদ্ধা ওয়ালেদা খাতুনের হাত-পা বেঁধে ফেলে। এরপর তাকে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে। হত্যা করে ঘর থেকে স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা নিয়ে সটকে পড়ে।

ঘটনার সময় ছোট মেয়ে রহিমা বেগম বাড়ি থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার দূরে ডুগডুগি বাজারে তার কাপড়ের দোকানে ছিলেন। বিকেল আনুমানিক ৫ টার দিকে বাড়িতে ফিরে এসে তিনি তার মা’র শরীর কাপড় দিয়ে ঢাকা অবস্থায় মাটিতে পড়ে থাকতে দেখেন।পরে কাপড় সরিয়ে দেখেন, মুখে টেপ লাগানো, গলায় গামছা পেঁচানো এবং হাত-পা বাঁধা অবস্থায় রয়েছে। এসময় তার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে। পরে বাড়ির ভিতর একটি কক্ষে থাকা আলমারির জিনিসপত্র ও কাপড়চোপড় এলোমেলোভাবে মেঝেতে ছড়ানো ছিটানো অবস্থায় দেখতে পান। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

নিহতের ছোট মেয়ে রহিমার দাবি, তার মায়ের হত্যাকারীরা ঘর থেকে প্রায় পাঁচ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ দুই লাখ টাকা লুট করেছে।

ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় নিহতের বড় ছেলে বাদি হয়ে এজাহার দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

বকশীগঞ্জের লাউচাপড়ায় পর্যটন উন্নয়নে কনসালটেশন সভা

মোহাম্মদ আরমান, স্টাফ রিপোর্টারঃ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৪৮ পিএম
বকশীগঞ্জের লাউচাপড়ায় পর্যটন উন্নয়নে কনসালটেশন সভা

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার লাউচাপড়া পর্যটনকেন্দ্রের উন্নয়ন নিয়ে কনসালটেশন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ফররুখ আহমদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের পরিচালক (পরিকল্পনা) আবু সেলিম মাহমুদ-উল হাসান। সভায় সভাপতিত্ব করেন বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুরাদ হোসেন।
সভায় লাউচাপড়া পর্যটনকেন্দ্রের সম্ভাবনা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, পর্যটকদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি এবং পর্যটনকেন্দ্রটির সার্বিক উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তি ও স্থানীয় প্রতিনিধিদের মতামত নেওয়া হয়।সভায় বক্তব্য দেন ময়মনসিংহ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাজী মোহাম্মদ নুরুল করিম, বকশীগঞ্জের সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসমা উল হুসনা, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম, জামালপুর জজ কোর্টের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ও পৌর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট আনিসুজ্জামান, উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি অ্যাডভোকেট মোকাম্মেল হোসেন ও আকতার হোসেন।
এ ছাড়া উপজেলা বিআরডিবি কর্মকর্তা সোয়াইব আজমি, জেলা পরিষদের প্রতিনিধি শাহ জহুরুল ইসলাম, ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গোলাপ জামাল, বগারচর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সোহেল রানা পলাশ, ধানুয়া কামালপুর কো অপারেটিভ উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মেসবাউল হক তুহিন, হোটেল ব্যবসায়ী মোবারক হোসেন, আদিবাসী নেতা জয় দাংগো ও খোকন সাংমা, প্রেসক্লাব বকশীগঞ্জের সভাপতি রাশেদুল ইসলাম রনি এবং উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জিএম ফাতিউল ইসলাম বাবু সহ স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বক্তারা লাউচাপড়াকে পরিকল্পিতভাবে উন্নত করে পর্যটকদের জন্য আরও আকর্ষণীয় করে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন। পর্যটনকেন্দ্রটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে স্থানীয় অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির বিষয়েও আলোচনা হয়।

ধামরাইয়ের উন্নয়ন ও সুন্দর ভবিষ্যৎ নিয়ে সাংসদ তমিজ উদ্দিনের সঙ্গে ধামরাই মডেল প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ

সকালের বার্তা ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৫৮ পিএম
ধামরাইয়ের উন্নয়ন ও সুন্দর ভবিষ্যৎ নিয়ে সাংসদ তমিজ উদ্দিনের সঙ্গে ধামরাই মডেল প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ঢাকার ধামরাই উপজেলার সামগ্রিক উন্নয়ন, জনকল্যাণ এবং আগামী দিনের ধামরাইকে আরও সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলার বিষয়ে ঢাকা-২০ (ধামরাই) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব তমিজ উদ্দিনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেছেন ধামরাই মডেল প্রেসক্লাবের নবগঠিত কার্যনির্বাহী কমিটির নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা।

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এ সৌজন্য সাক্ষাতে ধামরাই মডেল প্রেসক্লাবের নবগঠিত কমিটির সভাপতি মোঃ সিরাজুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাহিদুর রহমান জাহিদ নেতৃত্ব দেন। এসময় প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও সকল সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষাৎকালে ধামরাইয়ের বর্তমান পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিশেষ করে উপজেলার রাস্তাঘাট ও যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ, যানজট নিরসন, মাদক ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি এবং পরিকল্পিতভাবে ধামরাইকে একটি আধুনিক ও বাসযোগ্য উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলার বিভিন্ন দিক নিয়ে মতবিনিময় করেন উপস্থিতরা।

এসময় প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ বলেন, ধামরাইয়ের মানুষের সমস্যা, সম্ভাবনা ও উন্নয়নের বিষয়গুলো গণমাধ্যমে যথাযথভাবে তুলে ধরতে সাংবাদিকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। জনস্বার্থে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের পাশাপাশি এলাকার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের তথ্য জনগণের সামনে তুলে ধরতে ধামরাই মডেল প্রেসক্লাবের সদস্যরা দায়িত্বশীলভাবে কাজ করে যাবেন।

তারা আরও বলেন, দল-মত ও ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে ধামরাইয়ের সার্বিক উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের কল্যাণে জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন এবং গণমাধ্যমের মধ্যে সমন্বয় আরও জোরদার হওয়া প্রয়োজন। পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে ধামরাইকে আরও সুন্দর ও উন্নত উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব বলে তারা মত প্রকাশ করেন।

সৌজন্য সাক্ষাতে সংসদ সদস্য আলহাজ্ব তমিজ উদ্দিন ধামরাইয়ের উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। পাশাপাশি এলাকার সমস্যা ও সম্ভাবনার বিষয়গুলো নিয়ে গণমাধ্যমের ভূমিকার কথাও গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা করা হয়।

এসময় ধামরাই মডেল প্রেসক্লাবের নবগঠিত কার্যনির্বাহী কমিটির নেতৃবৃন্দ সংসদ সদস্যের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন এবং আগামীর ধামরাইকে আরও সুন্দর ও সমৃদ্ধ করে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় শেষে ধামরাই মডেল প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ উপস্থিত সদস্যরা সংসদ সদস্য আলহাজ্ব তমিজ উদ্দিনের প্রতি শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা জানান।

সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুর রহমান

ধামরাই মডেল প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি গঠন

সকালের বার্তা ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২৬ পিএম
ধামরাই মডেল প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি গঠন

সভাপতি সিরাজুল ইসলাম-সাধারণ সম্পাদক জাহিদুর রহমান জাহিদ

ঢাকার ধামরাই মডেল প্রেসক্লাবের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে চ্যানেল এস টিভির ধামরাই প্রতিনিধি মোঃ সিরাজুল ইসলামকে সভাপতি এবং দৈনিক দেশের কণ্ঠ পত্রিকার ধামরাই প্রতিনিধি মোঃ জাহিদুর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ধামরাই মডেল প্রেসক্লাবের সাধারণ সভায় উপস্থিত সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে মৌখিক নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠন করা হয়।

নবগঠিত কমিটির অন্যান্য পদে রয়েছেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ মিজানুর রহমান(মিজান), সহ-সভাপতি মোঃ মোজাম্মেল হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ মশিউজ্জামান মুবীন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মাসুদ রানা, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মনিরুজ্জামান, অর্থ সম্পাদক মোঃ বাবু শেখ, প্রচার সম্পাদক জাহিদুর রহমান , সহ-দপ্তর সম্পাদক মোছাঃ তানজিলা আক্তার, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক রূপা আক্তার ইতি, সহ-মহিলা বিষয়ক সম্পাদক কাজল আক্তার সান্তনা এবং ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মোঃ সুমন উদ্দীন হাওলাদার।

এছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে রয়েছেন মোঃ হাবিবুর রহমান (হাবিব), মোঃ আলামিন, মোঃ জাকির, মোঃ সুমন মিয়া ও মোঃ রাসেল হোসাইন।

সাধারণ সভায় বক্তারা বলেন, ধামরাই মডেল প্রেসক্লাব সাংবাদিকদের পেশাগত ঐক্য, মর্যাদা ও অধিকার রক্ষায় কাজ করবে। একই সঙ্গে ধামরাইয়ের বিভিন্ন সমস্যা, অনিয়ম, দুর্ভোগ ও জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো বস্তুনিষ্ঠভাবে তুলে ধরার পাশাপাশি সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা, সৌহার্দ্য ও ঐক্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।

নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ বলেন, সাংবাদিকতার নীতি ও দায়িত্বশীলতা বজায় রেখে ধামরাইয়ের মানুষের কথা তুলে ধরাই হবে প্রেসক্লাবের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। এজন্য স্থানীয় সাংবাদিকদের পেশাগত মানোন্নয়ন ও পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।