দেশে প্রথমবার ভয়েস ওভার ওয়াই-ফাই চালু, জেনে নিন এর সুবিধা
সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব ফেসবুক পোস্টে বাংলালিংককে এই উদ্যোগের জন্য অভিনন্দন জানান। তিনি আরো বলেন, ‘সরকার প্রত্যাশা করছে, অন্যান্য মোবাইল অপারেটররাও দ্রুত এই সেবা চালু করবে, যেন নগর ও গ্রামীণ উভয় অঞ্চলের ব্যবহারকারীরা সমানভাবে উপকৃত হতে পারেন।’
তিনি জানান, আগস্ট মাসের শুরুতেই বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) এই বিষয়ে নীতিমালা প্রণয়নের জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে।
ভয়েস ওভার ওয়াই-ফাই (VoWiFi) কী?
VoWiFi কিভাবে কাজ করে?
যখন ফোনে VoWiFi চালু থাকে এবং সেটি কোনো ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হয়, তখন ফোনটি অপারেটরের সার্ভারে একটি বিশেষ ধরনের পরিচয় যাচাই অনুরোধ (EAP-SIM/EAP-AKA) পাঠায়।
এই অনুরোধটি প্রথমে যায় ePDG (Evolved Packet Data Gateway)-তে। এরপর তা পৌঁছে অপারেটরের AAA সার্ভার-এ, যা সিম কার্ডের IMSI ও এনক্রিপশন তথ্য যাচাই করে HLR/HSS (Home Subscriber Server) থেকে।
যাচাই সফল হলে, ফোনের সঙ্গে অপারেটরের IMS (IP Multimedia Subsystem) নেটওয়ার্কের মধ্যে একটি নিরাপদ IPSec টানেল তৈরি হয়। ফলে, ব্যবহারকারী ওয়াই-ফাই ব্যবহার করলেও সেটি কার্যত মোবাইল নেটওয়ার্কের মতোই কাজ করে।
১. ভালো ইনডোর কাভারেজ : বেজমেন্ট, গ্রামাঞ্চল বা মোটা দেয়ালের ভিতর যেখানে মোবাইল সিগন্যাল দুর্বল, সেখানে VoWiFi কার্যকরভাবে কাজ করে।
২. নেটওয়ার্কে চাপ কমায় : সেলুলার ভয়েস ট্রাফিক ওয়াই-ফাইয়ের মাধ্যমে অফলোড হওয়ায় মোবাইল নেটওয়ার্কে চাপ কমে।
৩. উন্নত কল কোয়ালিটি : এইচডি মানের ভয়েস কল, কম কলড্রপ এবং দ্রুত সংযোগের সুবিধা পাওয়া যায়।















