মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল ও ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপোতে ডিপি ওয়ার্ল্ডের বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী
সারাদেশ

মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল ও ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপোতে ডিপি ওয়ার্ল্ডের বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী
সারাদেশ
কুরআন শিক্ষাকে উৎসাহিত করতে কাজ করবে সরকার : রাষ্ট্রপতি
রাজনীতি
বদলি-সংযুক্তির পর যোগদান করা শিক্ষকদের তথ্য আইপিইএমআইএসে হালনাগাদের নির্দেশ
সারাদেশ
জেলেদের জীবিকার সংকট ঘুচাতে খাদ্য সহায়তা দিচ্ছে সরকার: আবু সুফিয়ান এমপি
জেলার সংবাদ
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যশোর–৫ (মণিরামপুর) আসনে ভোটের সমীকরণ দিন দিন স্পষ্ট হয়ে উঠছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ আসনে সংখ্যালঘু ভোটার ও আওয়ামী লীগের সংগঠিত ভোটই জয়–পরাজয়ের মূল নিয়ামক হিসেবে কাজ করবে।
এ আসনে হিন্দু সম্প্রদায়ের ভোটার সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। অতীতের নির্বাচনী ফলাফল পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, সংখ্যালঘু ভোট এককভাবে কোনো প্রার্থীর দিকে ঝুঁকে পড়লে ফলাফলে বড় প্রভাব পড়ে। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগের দলীয় ভোট ব্যাংকও এখানকার রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
এবারের নির্বাচনে একাধিক শক্তিশালী প্রার্থী মাঠে থাকায় ভোটের লড়াই হয়েছে ত্রিমুখী। স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের ধারণা, বিএনপি, জামায়াত ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ,ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সাধারণ ভোটারদের সমর্থন পেতে মাঠে সক্রিয় থাকলেও সংখ্যালঘু ভোট ও আওয়ামী লীগপন্থী ভোটারদের অবস্থানই শেষ পর্যন্ত নির্ধারণ করবে কে বিজয়ী হবেন।
মণিরামপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ঘুরে দেখা গেছে, নির্বাচনী প্রচারণায় সংখ্যালঘু ভোটারদের নিরাপত্তা, উন্নয়ন ও ধর্মীয় সম্প্রীতির বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছে। প্রার্থীরাও এসব ভোটারদের কাছে আশ্বাস দিচ্ছেন শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখার।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, ভোটের দিন সংখ্যালঘু ভোটারদের অংশগ্রহণের হার ও আওয়ামী লীগের ভোটারদের কেন্দ্রভিত্তিক উপস্থিতি যদি বেশি থাকে, তবে ফলাফল একদিকে হেলে পড়তে পারে। আর সে কারণেই যশোর–৫ আসনে সংখ্যালঘু ও আওয়ামী লীগ ভোটকে ‘গেম চেঞ্জার’ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।