মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল ও ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপোতে ডিপি ওয়ার্ল্ডের বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী
সারাদেশ

মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল ও ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপোতে ডিপি ওয়ার্ল্ডের বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী
সারাদেশ
কুরআন শিক্ষাকে উৎসাহিত করতে কাজ করবে সরকার : রাষ্ট্রপতি
রাজনীতি
বদলি-সংযুক্তির পর যোগদান করা শিক্ষকদের তথ্য আইপিইএমআইএসে হালনাগাদের নির্দেশ
সারাদেশ
জেলেদের জীবিকার সংকট ঘুচাতে খাদ্য সহায়তা দিচ্ছে সরকার: আবু সুফিয়ান এমপি
জেলার সংবাদ
যশোরের মনিরামপুর উপজেলার নেহালপুর ইউনিয়নে প্রশাসনের লিখিত অনুমতি ও শর্ত অমান্য করে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে মাটি কাটা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন। এতে করে একদিকে কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, অন্যদিকে সরকারি নির্দেশনার বাস্তব প্রয়োগ নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে।
নেহালপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিস সূত্রে জানা গেছে, মো. আব্দুল বারিক মোল্লা নামের এক ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট শর্ত সাপেক্ষে মাটি কাটার অনুমতি দেওয়া হয়। অনুমতিপত্রে স্পষ্টভাবে উল্লেখ ছিল, মাটি বিক্রি বা বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে অপসারণ করা যাবে না এবং কাটার সময় আশপাশের রাস্তা ও স্থাপনার কোনো ক্ষতি করা যাবে না।
কিন্তু বাস্তবে দেখা গেছে, অনুমতির শর্ত লঙ্ঘন করে ভারী যানবাহনের মাধ্যমে মাটি বহন করা হয়েছে। এতে স্থানীয় কাঁচা ও পাকা রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিষয়টি জানিয়ে ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে নোটিশ দেওয়া হলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মাটি কাটা বন্ধ বা ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা সংস্কারের কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নোটিশ দেওয়ার পরও মাঠপর্যায়ে তদারকি না থাকায় অবৈধ কার্যক্রম চলমান থাকে। প্রশাসনের এমন নিষ্ক্রিয়তায় ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়ছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
এ বিষয়ে ভূমি অফিসে যোগাযোগ করা হলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (ভূমি) মাহির দায়ান আমিন বলেন, অবৈধ মাটি কাটা ও শর্ত ভঙ্গের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে অবস্থার পরিবর্তন না হলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা বলছে, কাগজে-কলমে নোটিশ দিলে হবে না, মাঠে গিয়ে ব্যবস্থা না নিলে অবৈধ কাজ বন্ধ হয় না। প্রশাসনের গাফিলতির সুযোগেই বারবার নিয়ম ভাঙা হচ্ছে।
নোটিশে আইনগত ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি থাকলেও বাস্তবে কেন তা বাস্তবায়ন হয়নি, সে প্রশ্নের স্পষ্ট জবাব মেলেনি সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে। ফলে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে জনমনে অসন্তোষ ও সন্দেহ আরও বাড়ছে।