মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল ও ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপোতে ডিপি ওয়ার্ল্ডের বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী
সারাদেশ

মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল ও ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপোতে ডিপি ওয়ার্ল্ডের বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী
সারাদেশ
কুরআন শিক্ষাকে উৎসাহিত করতে কাজ করবে সরকার : রাষ্ট্রপতি
রাজনীতি
বদলি-সংযুক্তির পর যোগদান করা শিক্ষকদের তথ্য আইপিইএমআইএসে হালনাগাদের নির্দেশ
সারাদেশ
জেলেদের জীবিকার সংকট ঘুচাতে খাদ্য সহায়তা দিচ্ছে সরকার: আবু সুফিয়ান এমপি
জেলার সংবাদ
ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর–কাঁঠালিয়া) আসনে নির্বাচনী প্রচারণা ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ড. ফয়জুল হকের ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের পক্ষে প্রচার চালাতে গিয়ে বাধার সম্মুখীন হওয়ার অভিযোগ তুলেছেন মহিলা জামায়াতের নেতৃবৃন্দ। আজ সোমবার দুপুরে রাজাপুর প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এ অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত ও মৌখিক বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলা মহিলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য খাদিজা বেগম। তিনি জানান, শুক্তাগড় ইউনিয়নের পিংড়ি এলাকায় একদল নারী কর্মী প্রচারণা চালাতে গেলে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রফিকুল ইসলাম জামালের সমর্থকরা তাদের পথরোধ করেন।
প্রথমে প্রয়াত বিএনপি নেতা নাসিম উদ্দিন আকনের বড় বোন মাজেদা বেগম প্রচারে বাধা দেন।
পরবর্তীতে জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জহিরুল হক সোহেলের নেতৃত্বে একদল নেতাকর্মী ঘটনাস্থলে এসে প্রচারণায় বাধা সৃষ্টি করেন।
নারী নেত্রীদের অভিযোগ, যুবদল নেতারা এসময় স্লোগান দিয়ে বলেন, ‘সোহেল ভাইয়ের এলাকায় এসব প্রচার চলবে না।’
খবর পেয়ে ইউনিয়ন আমির আব্দুল আলিম সেখানে গেলে তাকেও অবরুদ্ধ করে রাখা হয় বলে দাবি করা হয়।
ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ড. ফয়জুল হক বলেন, “গত কয়েকদিন ধরেই পিংড়িতে আমাদের কর্মীদের ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। যারা নারীদের হেনস্তা করছে এবং তাদের স্কার্ফ টেনে ধরে আক্রমণ করছে, তাদের বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, জামায়াতে ইসলামীর মতো আদর্শবাদী সংগঠনের নারী সদস্যদের এভাবে বাধা দেওয়া গণতান্ত্রিক শিষ্টাচারের পরিপন্থী।
তবে এসব অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বানোয়াট বলে দাবি করেছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জামাল। তিনি বলেন, “এমন কোনো ঘটনাই ঘটেনি।
জামায়াতের প্রার্থী রাজনীতিতে নতুন এবং অনেক কিছু বুঝেন না। প্রতিপক্ষকে হেয় করতেই এই মিথ্যা নাটক সাজানো হয়েছে।”
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন: মাওলানা মো. কবির হোসেন (উপজেলা জামায়াত আমির), মোসা. সাহিদা বেগম (সেক্রেটারি, উপজেলা মহিলা জামায়াত), মারিয়ম বেগম (সহ-সেক্রেটারি, উপজেলা মহিলা জামায়াত)সহ স্থানীয় নারী নেত্রীবৃন্দ।
উল্লেখ্য, পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কায় জামায়াত কর্মীরা কোনো পাল্টা সংঘাতে না জড়িয়ে স্থান ত্যাগ করেন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।