মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল ও ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপোতে ডিপি ওয়ার্ল্ডের বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী
সারাদেশ

মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল ও ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপোতে ডিপি ওয়ার্ল্ডের বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী
সারাদেশ
কুরআন শিক্ষাকে উৎসাহিত করতে কাজ করবে সরকার : রাষ্ট্রপতি
রাজনীতি
বদলি-সংযুক্তির পর যোগদান করা শিক্ষকদের তথ্য আইপিইএমআইএসে হালনাগাদের নির্দেশ
সারাদেশ
জেলেদের জীবিকার সংকট ঘুচাতে খাদ্য সহায়তা দিচ্ছে সরকার: আবু সুফিয়ান এমপি
জেলার সংবাদ
যশোরের কেশবপুর উপজেলার ছোট দোরমুটিয়া গ্রামে যাতায়াতের রাস্তা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে এক গৃহবধূ ও তার দুই শিশু সন্তানের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে বৃহস্পতিবার (২৫ জুন ২০২৬) কেশবপুর নিউজ ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী সাবিনা ইয়াছমিন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সাবিনা ইয়াছমিন অভিযোগ করেন, প্রতিবেশী মো. জাকারিয়া, খাদিজা বেগম, মর্জিনা বেগম ও তহুরা খাতুনসহ তাদের সহযোগীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বাড়িতে যাতায়াতের রাস্তা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এ বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রায় দেড় মাস আগে অভিযুক্তরা তাদের ব্যবহৃত রাস্তার ওপর বাঁশ, খুঁটি ও কাঁটা পুঁতে চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে।
তিনি জানান, গত ২০ জুন বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে তিনি রাস্তা থেকে কাঁটা সরিয়ে তার ছেলে রিফাত হোসেনকে ডাকতে গেলে অভিযুক্তরা তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। এর প্রতিবাদ করলে তারা সংঘবদ্ধভাবে তার ওপর হামলা চালিয়ে চুলের মুঠি ধরে এলোপাতাড়ি মারধর করে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে।
লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, হামলার সময় তার কোলে থাকা দুই বছর বয়সী কন্যা নুসরাতকে ছিনিয়ে নিয়ে রাস্তায় ছুড়ে ফেলা হয়। এতে শিশুটির বাম চোখের কোণে গুরুতর আঘাত লেগে রক্তক্ষরণ হয়। একই ঘটনায় তার প্রতিবন্ধী ছেলে রিফাত হোসেনকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সাবিনা ইয়াছমিনের দাবি, হামলার একপর্যায়ে তার গলায় থাকা প্রায় ১০ আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেওয়া হয় এবং বাড়িঘরের বিভিন্ন জিনিসপত্র ভাঙচুর করে প্রায় ১০ হাজার টাকার ক্ষতিসাধন করা হয়। পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তাদের উদ্ধার করে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।
তিনি আরও জানান, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে একাধিকবার বিষয়টি আপস-মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও কোনো সমাধান হয়নি। ফলে বাধ্য হয়ে তিনি কেশবপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে সাবিনা ইয়াছমিন প্রশাসনের প্রতি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তার পরিবারকে নিরাপত্তা দেওয়ার জোর দাবি জানান।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত মো. জাকারিয়া, খাদিজা বেগম, মর্জিনা বেগম ও তহুরা খাতুনের বক্তব্য জানতে চাইলে তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।