মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল ও ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপোতে ডিপি ওয়ার্ল্ডের বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী
সারাদেশ

মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল ও ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপোতে ডিপি ওয়ার্ল্ডের বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী
সারাদেশ
কুরআন শিক্ষাকে উৎসাহিত করতে কাজ করবে সরকার : রাষ্ট্রপতি
রাজনীতি
বদলি-সংযুক্তির পর যোগদান করা শিক্ষকদের তথ্য আইপিইএমআইএসে হালনাগাদের নির্দেশ
সারাদেশ
জেলেদের জীবিকার সংকট ঘুচাতে খাদ্য সহায়তা দিচ্ছে সরকার: আবু সুফিয়ান এমপি
জেলার সংবাদ
ছয় মাস বয়সী শিশু সাজিদ রেটিনোব্লাস্টোমা (চোখের ক্যান্সার) রোগে আক্রান্ত হয়ে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছে। অসচ্ছল পরিবারের এই শিশুটির বাবা একজন অটোরিকশা চালক এবং মা গৃহিণী। পরিবারের জন্য বিষয়টি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক, কারণ তাদের প্রথম পুত্র সন্তানও একই রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছিল।
এছাড়া ২০২৩ সালে জন্ম নেওয়া তাদের কন্যা সন্তানের ক্ষেত্রেও চিকিৎসকরা একই রোগের ঝুঁকির বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।
সম্প্রতি গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের মাধ্যমে শিশুটির করুণ অবস্থার কথা জানতে পারেন ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা জাহান। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে তিনি দ্রুত পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন।
এর অংশ হিসেবে শিশু সাজিদের জন্য একটি প্রতিবন্ধী কার্ড প্রাপ্তির ব্যবস্থা করা হয় এবং ক্যান্সার রোগীদের জন্য সরকারের বিশেষ আর্থিক সহায়তার আওতায় ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ পাওয়ার লক্ষ্যে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। পাশাপাশি পরিবারটির হাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী ও প্রয়োজনীয় সহায়তা তুলে দেওয়া হয়।
স্থানীয়দের মতে, ইউএনও মাহমুদা জাহানের এই মানবিক উদ্যোগ অসহায় পরিবারটির জন্য আশার আলো হয়ে এসেছে।
একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি প্রশংসনীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শিশু সাজিদের চিকিৎসা ও পরিবারের প্রয়োজনীয় সহায়তায় প্রশাসন ভবিষ্যতেও পাশে থাকবে।
একই সঙ্গে সমাজের বিত্তবান, দানশীল ও মানবিক ব্যক্তিদের শিশুটির চিকিৎসা ব্যয়ে সহযোগিতার জন্য এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সবার সহযোগিতা, সহমর্মিতা ও দোয়ায় ছোট্ট সাজিদ সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবে, এমন প্রত্যাশা পরিবার ও এলাকাবাসীর।