মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল ও ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপোতে ডিপি ওয়ার্ল্ডের বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী
সারাদেশ

মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল ও ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপোতে ডিপি ওয়ার্ল্ডের বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী
সারাদেশ
কুরআন শিক্ষাকে উৎসাহিত করতে কাজ করবে সরকার : রাষ্ট্রপতি
রাজনীতি
বদলি-সংযুক্তির পর যোগদান করা শিক্ষকদের তথ্য আইপিইএমআইএসে হালনাগাদের নির্দেশ
সারাদেশ
জেলেদের জীবিকার সংকট ঘুচাতে খাদ্য সহায়তা দিচ্ছে সরকার: আবু সুফিয়ান এমপি
জেলার সংবাদ
চট্টগ্রাম নগরীর নিউ মার্কেট মোড় থেকে ওমর চাঁদ রোড হয়ে সদরঘাট রোড পর্যন্ত এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা প্রায় দুই শতাধিক ভাসমান ও টং দোকান উচ্ছেদ করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। রোববার দুপুরে পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন চসিকের স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ) মো. সোয়েব উদ্দিন খান।
চসিক সূত্রে জানা যায়, অভিযানে রাস্তা ও ফুটপাত দখল করে স্থাপিত প্রায় ২০০টি অবৈধ টং দোকান উচ্ছেদ করা হয়। একই সঙ্গে ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করে সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
অভিযান চলাকালে ওমর চাঁদ রোড এলাকায় বিভিন্ন সাইকেলের দোকানের সামনে ফুটপাত দখল করে রাখা সাইকেল সরিয়ে নিতে মাইকিং করা হয়। পরে ব্যবসায়ীরা দ্রুত সাইকেল সরিয়ে নেন। এ সময় সংশ্লিষ্ট এলাকার সাইকেল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে ফুটপাত দখল করে ব্যবসা পরিচালনা না করার বিষয়ে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়।
এদিকে পেশোয়ার দালিম হোটেলের সামনে নালার ওপর অবৈধভাবে স্থাপিত একটি লোহার অ্যাঙ্গেল অপসারণ করে জব্দ করা হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে ফুটপাত ও সড়ক দখল করে ব্যবসা পরিচালনাকারী ভাসমান ব্যবসায়ীদেরও উচ্ছেদ করা হয়।
চসিকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আজিজ আহমদ জানান, অবৈধ স্থাপনাগুলোর কারণে পথচারীদের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছিল এবং যান চলাচলেও প্রতিবন্ধকতা তৈরি হচ্ছিল। এ কারণে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সোয়েব উদ্দিন খান বলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের নির্দেশনায় ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করে সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত রাখার লক্ষ্যে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অবৈধ স্থাপনা ও টং দোকানের কারণে যানজট বৃদ্ধি এবং জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছিল।
তিনি বলেন, নগরের কোনো ফুটপাত বা সড়ক অবৈধভাবে দখল করে রাখা যাবে না। উচ্ছেদের পর পুনরায় দখলের চেষ্টা করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ভবিষ্যতেও নগরীর বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।
অভিযান চলাকালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ওমর চাঁদ রোডের ফুটপাতে সাইকেল রাখা হলে মামলা করা হবে এবং সংশ্লিষ্টদের আইনি জটিলতার মুখোমুখি হতে হবে।
অন্যদিকে উচ্ছেদ হওয়া কয়েকজন হকার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, তারা হকার সমিতির মাধ্যমে নিয়মিত অর্থ পরিশোধ করে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। পূর্ব নোটিশ ছাড়া অভিযান পরিচালনা করায় তারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে দাবি করেন।