ইয়াবাসহ এনসিপি নেতা গ্ৰেপ্তার
সারাদেশ

ইয়াবাসহ এনসিপি নেতা গ্ৰেপ্তার
সারাদেশ
বন্যা মোকাবিলায় সব মন্ত্রণালয়কে সমন্বিতভাবে কাজের আহ্বান
রাজনীতি
শিক্ষামন্ত্রীর মন্তব্য ঘিরে উত্তাল দেশ, শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে দুঃখ প্রকাশ ও পুনঃপরীক্ষার ঘোষণা
সারাদেশ
টাঙ্গাইলের শাড়ি দেশ ও বিদেশে রয়েছে বেশ কদর
লাইফস্টাইল
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের দুর্গম পাহাড়ি এলাকা জঙ্গল সলিমপুরে আর কোনো সন্ত্রাসী বা ভূমিদস্যুদের রাজত্ব চলতে দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, জঙ্গল সলিমপুরকে অপরাধের অভয়ারণ্য থেকে মুক্ত করে সেখানে সরকারের মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।
সম্প্রতি সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুর এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ অভিযান সংক্রান্ত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে জঙ্গল সলিমপুরের সরকারি পাহাড় কেটে অবৈধভাবে বসতি স্থাপন করেছে এবং সেখানে নিজস্ব ‘সাম্রাজ্য’ গড়ে তুলেছে। বিদ্যুৎ ও পানির অবৈধ সংযোগ দিয়ে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে। সেখানে খুনের মতো জঘন্য অপরাধের আলামতও পাওয়া গেছে। কিন্তু এখন সময় এসেছে এই অধ্যায়ের সমাপ্তি টানার।”
তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জঙ্গল সলিমপুরকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। সেখানে লুকিয়ে থাকা শীর্ষ সন্ত্রাসী ও তাদের দোসরদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। কোনো অপরাধীকেই ছাড় দেওয়া হবে না।”
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, জঙ্গল সলিমপুরের আলীনগরসহ পুরো পাহাড়ি এলাকাকে একটি পরিকল্পিত উপশহর এবং সরকারি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার জন্য ব্যবহার করা হবে। ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো এই উচ্ছেদকৃত জায়গায় বেশ কিছু বড় প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার।
যারা না বুঝে বা প্রতারিত হয়ে ভূমিদস্যুদের কাছ থেকে জায়গা কিনে সেখানে বসবাস করছেন, তাঁদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, “প্রকৃত ভূমিহীন ও বাস্তুচ্যুতদের পুনর্বাসনের বিষয়টি সরকার মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখছে। তবে কোনো সন্ত্রাসীর পক্ষ নিয়ে যদি কেউ সরকারি কাজে বাধা সৃষ্টি করার চেষ্টা করে, তবে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
তিনি স্থানীয় জনগণকে সন্ত্রাসী ও পাহাড়খেকোদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান। বৈঠকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।