মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল ও ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপোতে ডিপি ওয়ার্ল্ডের বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী
সারাদেশ

মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল ও ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপোতে ডিপি ওয়ার্ল্ডের বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী
সারাদেশ
কুরআন শিক্ষাকে উৎসাহিত করতে কাজ করবে সরকার : রাষ্ট্রপতি
রাজনীতি
বদলি-সংযুক্তির পর যোগদান করা শিক্ষকদের তথ্য আইপিইএমআইএসে হালনাগাদের নির্দেশ
সারাদেশ
জেলেদের জীবিকার সংকট ঘুচাতে খাদ্য সহায়তা দিচ্ছে সরকার: আবু সুফিয়ান এমপি
জেলার সংবাদ
এক সময় ঘর-বাড়ি, জমি সবই ছিল জসিম উদ্দিনের, কিন্তু মেঘনার ভাঙনে সবকিছু হারিয়ে শেষ ঠাঁই হয়েছিল অন্যের জমিতে। সেখান থেকেও উচ্ছেদ হতে হয়েছে বেড়িবাঁধ নির্মাণের কারণে।
সবশেষে মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয় হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন বেড়িবাঁধের পাশের এক টুকরো খাস জমিতে। এই ঘরে জসিম উদ্দিন তার দুই সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস করতেন। কিন্তু নিয়তির নিষ্ঠুর পরিহাসে এবারের কালবৈশাখী ঝড় সেই শেষ সম্বলটুকুও গুঁড়িয়ে দিয়ে জসিম উদ্দিনকে পরিবারসহ পথে বসিয়ে দিয়েছে।
নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার ৮নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা জসিম উদ্দিনের ঘর এখন শুধুই ধ্বংসস্তূপ। ঝড়ের তাণ্ডবে ভেঙে চুরমার হয়ে যাওয়া টিন ও বাঁশের কাঠামোর সামনে দাঁড়িয়ে এখন নির্বাক এই দম্পতি। সাথে থাকা ছোট শিশুটির চোখেও এখন অনিশ্চয়তার ছাপ। সম্বল বলতে যা ছিল, তার সবই এখন মাটির সাথে মিশে গেছে। বর্তমানে মাথা গোঁজার কোনো ঠাঁই না থাকায় এই পরিবারটি খোলা আকাশের নিচে চরম মানবেতর দিন কাটাচ্ছে।
জসিম উদ্দিনের স্ত্রী অশ্রুসিক্ত কন্ঠে বলেন- আমার থাকার মতো আর জায়গা নেই। যেটা ছিলো সেটাও হারিয়ে ফেলছি, এখন কি করবো সেটাও জানি না।
জসিম উদ্দিন বলেন, “নদী আমাদের ভিটেমাটি নিয়েছে, বাঁধ হওয়ার সময় আশ্রয় হারিয়েছি। শেষমেশ এই ভাঙা ঘরটাই ভরসা ছিল, কালবৈশাখী সেটাও কেড়ে নিল। এখন পরিবার নিয়ে কোথায় গিয়ে দাঁড়াব জানি না।”
এখন অসহায় এই পরিবারটির দাবি একটি নিরাপদ স্থায়ী আশ্রয়। জসিম উদ্দিনের এই অসহায়ত্ব ঘোচাতে এবং পরিবারটিকে নতুন করে মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দিতে সরকারি কোনো সহায়তা কিংবা বিত্তবান ও সামাজিক সংগঠনগুলোর জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, এই দুর্যোগের মুহূর্তে জসিম উদ্দিনের পাশে দাঁড়ানো এখন সময়ের দাবি।