মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল ও ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপোতে ডিপি ওয়ার্ল্ডের বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী
সারাদেশ

মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল ও ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপোতে ডিপি ওয়ার্ল্ডের বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী
সারাদেশ
কুরআন শিক্ষাকে উৎসাহিত করতে কাজ করবে সরকার : রাষ্ট্রপতি
রাজনীতি
বদলি-সংযুক্তির পর যোগদান করা শিক্ষকদের তথ্য আইপিইএমআইএসে হালনাগাদের নির্দেশ
সারাদেশ
জেলেদের জীবিকার সংকট ঘুচাতে খাদ্য সহায়তা দিচ্ছে সরকার: আবু সুফিয়ান এমপি
জেলার সংবাদ
রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় একটি হিন্দু মন্দিরে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটেছে। দুর্বৃত্তরা গভীর রাতে মন্দিরে প্রবেশ করে পূজার কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী ও স্বর্ণালঙ্কার চুরি করে নিয়ে গেছে। এ ঘটনায় মন্দির কর্তৃপক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের কুর্শা জিগারতলা পাকজানপাড়া এলাকায় অবস্থিত শ্রী শ্রী লোকনাথ সেবা আশ্রম মন্দিরে এ চুরির ঘটনা প্রকাশ্যে আসে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ এপ্রিল রাত আনুমানিক ২টার পর থেকে ২৮ এপ্রিল সকাল ৯টার মধ্যে কোনো এক সময় অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা মন্দিরে প্রবেশ করে। তারা মন্দিরের পূজার ঘরে ঢুকে ভেতরে থাকা বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী তছনছ করে এবং সঙ্গে নিয়ে যায়। পরদিন সকালে মন্দিরে এসে কর্তৃপক্ষ পূজার ঘরের ভেতরের দৃশ্য দেখে হতবাক হয়ে যান। ঘরের সবকিছু এলোমেলো অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কাসার তৈরি থালা, বাটি, ঘটি, প্রদীপ, চামচ, গ্লাসসহ পূজার কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন উপকরণ এবং কিছু স্বর্ণালঙ্কার নিখোঁজ রয়েছে।
মন্দির কর্তৃপক্ষ জানায়, চুরি হওয়া মালামালের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৪২ হাজার টাকা। এসব সামগ্রী প্রতিদিনের পূজা-অর্চনায় ব্যবহৃত হতো এবং ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে চুরির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন। মন্দির সংশ্লিষ্টরা বলেন, “ধর্মীয় উপাসনালয়ে এ ধরনের চুরি শুধু সম্পদের ক্ষতি নয়, এটি আমাদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে। আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।”
এ বিষয়ে তারাগঞ্জ থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করা হয়েছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শনসহ তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে, স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, ধর্মীয় স্থাপনার নিরাপত্তা জোরদার করা এখন সময়ের দাবি। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয়দেরও সতর্ক ও সহযোগিতামূলক ভূমিকা পালন জরুরি।